somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতের পর আমেরিকা-ইসরাইলকেও যেভাবে আমরা শায়েস্তা করতে পারি

০১ লা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






ইসরাইল-আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুতে বাংলার আকাশ বাতাস আজ দুঃখে ভরাক্রান্ত, আজ সকালে তার মৃত্যুর সংবাদ প্রচার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের সমস্ত আলহামদুলিল্লাহ নেটওয়ার্ক মুহুর্তেই রুপান্তর হলো ইন্নানিল্লাহ নেটওয়ার্কে। আয়াতুল্লাহ খোমেনি বাংলাদেশ তথা বাংলাদেশের জনগণের জন্য ঠিক কি করেছেন তা আমি জানিনা; তবে তিনি যে বাংলাদেশের জনগণের কাছে অতন্ত শ্রদ্ধেয় এবং জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি তা আমি খুব ভালো করে বুঝতে পরছি। তিনি তার জীবদ্দশায় কখনোও বাংলাদেশে এসেছেন কি না তাও আমি জানিনা, কিন্তু তার মৃত্যুতে দেশের জনগণের হ্রদয়ে যে আজ রক্তক্ষরণ হচ্ছে তা খুব ভালোভাবেই টের পাচ্ছি- ক্ষোভে, হতাশায়, দৃঃখে তারা আজ ফুঁসছে, আমেরিকা-ইসরাইলের ধ্বংসের জন্য এরা প্রার্থণা করছে - আমেরিকান কোন ঘাঁটির আশেপাশে অথবা ইসরাইলের কোন খোলা আকাশের নিচেও যদি ইরানের দুই একটা পটকা ফাটে তাহলে তারা বিজয়ের উল্লাসে উল্লাসিত হচ্ছে, আলহামদুলিল্লার বন্যা বইয়ে দিচ্ছে- এই সুযোগে নিউজ/ইউটিউব চ্যান্যালগুলো এর সাথে আরেকটু রং চং মাখিয়ে 'ইরানের বিজয়' 'ইরানের বিরত্বের' মিথ্যা গল্প সাজিয়ে কোটি টাকার ভিউ বাণ্যিজ্য করে নিচ্ছে। বাংলার নেটওয়ার্কগুলোতে যেন আজ ইরানের বীরত্ব, ইরানের বিজয় গাঁথার ইতিহাসের সূচনা হচ্ছে।



ইরানের বিজয় তো হলো এখন আমেরিকা আর ইসরাইলকে কিভাবে শয়েস্তা করা যায় সে বিষয়েই মূলত আজকের এই পোস্ট- আমরা ইতিমধ্যেই চাপাবাজি আর গলাবজির মধ্যমে ইরানকে জিতিয়ে দিয়েছি কিন্তু আমেরিকা আর ইসরাইলকে শয়েস্তা করতে হলে শুধু চাপাবাজিতে কাজ হবে না এদের বিরুদ্ধে আমাদের নিতে হবে এক ডাইরেক্ট অ্যাকশন-
কি সেই অ্যাকশন?
ওয়েল, আর তা হলো সেংশনের অ্যাকশন..... আমরা ভারতের বিরুদ্ধে যে কঠিন এক সেংশন দিয়েছিলাম, মানে ভারতীয় পণ্য বর্জন করেছিলাম তাতে কিন্তু ভারত রীতিমত ধরাশায়ী হয়ে গিয়েছে, আমরা ভারতীয় পণ্য না কিনার কারণে ভারতের অর্থনীতি আজ পঙ্গু হওয়ার পাথে, আমরা যদি ভারত থেকে আলু আর পেয়াজ না কিনি তাহলে ভারত কিন্তু আর কোনদিন উঠে দাঁড়াতে পারবে না সুতরাং দেখা গেলো আমাদের পণ্য বর্জনের এই সেংশের কারণে ভারতের এক কঠিন শিক্ষা হয়ে গেছে। তাছাড়া এর আগে ইউরোপও কিন্তু একবার আমাদের সেংশনের মুখে পড়েছিলো বিশেষ করে ফ্রান্স, ফ্রান্স কিন্তু এখনো বাঙালী সেংশনের (পণ্য বর্জনের) করণে আজও অর্থনৈতিক ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি, সুতরাং বুঝা গেলো বাঙালী সেংশনের অঅঅনেক তেজ!! B-)

ভারত, ফ্রান্স কে তো কঠিন এক শিক্ষা দেওয়া হলো এখন আমাদের দ্বীতীয় কাজ হচ্ছে আমেরিকা-ইসরাইলকেও ভারতের মতই কঠিন এক শিক্ষা দেওয়া, আমরা পণ্য বর্জনের এই সেংশন যদি আমেরিকা-ইসরাইলের উপরেও আরোপ করিতে পারি তাহলে কিন্তু কেল্লা ফতে- মানে; আমরা যদি আমেরিকা আর ইসরায়েলের পণ্য বর্জন করি তাহলে কিন্তু তারা অর্থনৈতিকভাবে একদম পঙ্গু হয়ে যাবে ঠিক ভারতের মতোই। যতদিন পর্যন্ত আমেরিকা-ইসরাইল আমাদের কাছে ক্ষমা না চাইবে ততদিন পর্যন্ত সেংশন চলিবেই.. বাঙালী যে কঠিন এক চিজ জাতি এবার তারা বুঝিতে পরিবে। আমরা পুরো বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে চাই আমরা শুধু চাপাবাজিতেই বিশ্বসেরা নই, দরকার হলে আমরা সেংশনের মত কঠিন পদক্ষেপও নিতে পারি। B:-)

শুরু হোক ঠিক এখান থেকেই- আজ.... ঠিক এই মূর্হুর্ত থেকেই যে যেখান আছেন সেখান থেকেই আমেরিকান-ইসরাইলী পণ্য বর্জন করুন। গর্জে উঠো বাঙালী, দেখিয়ে দাও বিশ্বকে তোমায়।

বাঙালী জাতিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।
অবাক বিশ্ব তাকিয়ে রয়
জ্বলে-পুড়ে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।


নোট: এই পোস্ট'টি আপনি নিজে ১০ জনের কাছে শেয়ার করুন এবং তাদেরকে বলুন আরও ২০ জনের কাছে শেয়ার করতে, ধুমাইয়া শেয়ার হবে- লাইক, কমেন্ট অ্যকশন।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৭
১৭টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×