

ইসরাইল-আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুতে বাংলার আকাশ বাতাস আজ দুঃখে ভরাক্রান্ত, আজ সকালে তার মৃত্যুর সংবাদ প্রচার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের সমস্ত আলহামদুলিল্লাহ নেটওয়ার্ক মুহুর্তেই রুপান্তর হলো ইন্নানিল্লাহ নেটওয়ার্কে। আয়াতুল্লাহ খোমেনি বাংলাদেশ তথা বাংলাদেশের জনগণের জন্য ঠিক কি করেছেন তা আমি জানিনা; তবে তিনি যে বাংলাদেশের জনগণের কাছে অতন্ত শ্রদ্ধেয় এবং জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি তা আমি খুব ভালো করে বুঝতে পরছি। তিনি তার জীবদ্দশায় কখনোও বাংলাদেশে এসেছেন কি না তাও আমি জানিনা, কিন্তু তার মৃত্যুতে দেশের জনগণের হ্রদয়ে যে আজ রক্তক্ষরণ হচ্ছে তা খুব ভালোভাবেই টের পাচ্ছি- ক্ষোভে, হতাশায়, দৃঃখে তারা আজ ফুঁসছে, আমেরিকা-ইসরাইলের ধ্বংসের জন্য এরা প্রার্থণা করছে - আমেরিকান কোন ঘাঁটির আশেপাশে অথবা ইসরাইলের কোন খোলা আকাশের নিচেও যদি ইরানের দুই একটা পটকা ফাটে তাহলে তারা বিজয়ের উল্লাসে উল্লাসিত হচ্ছে, আলহামদুলিল্লার বন্যা বইয়ে দিচ্ছে- এই সুযোগে নিউজ/ইউটিউব চ্যান্যালগুলো এর সাথে আরেকটু রং চং মাখিয়ে 'ইরানের বিজয়' 'ইরানের বিরত্বের' মিথ্যা গল্প সাজিয়ে কোটি টাকার ভিউ বাণ্যিজ্য করে নিচ্ছে। বাংলার নেটওয়ার্কগুলোতে যেন আজ ইরানের বীরত্ব, ইরানের বিজয় গাঁথার ইতিহাসের সূচনা হচ্ছে।

ইরানের বিজয় তো হলো এখন আমেরিকা আর ইসরাইলকে কিভাবে শয়েস্তা করা যায় সে বিষয়েই মূলত আজকের এই পোস্ট- আমরা ইতিমধ্যেই চাপাবাজি আর গলাবজির মধ্যমে ইরানকে জিতিয়ে দিয়েছি কিন্তু আমেরিকা আর ইসরাইলকে শয়েস্তা করতে হলে শুধু চাপাবাজিতে কাজ হবে না এদের বিরুদ্ধে আমাদের নিতে হবে এক ডাইরেক্ট অ্যাকশন-
কি সেই অ্যাকশন?
ওয়েল, আর তা হলো সেংশনের অ্যাকশন..... আমরা ভারতের বিরুদ্ধে যে কঠিন এক সেংশন দিয়েছিলাম, মানে ভারতীয় পণ্য বর্জন করেছিলাম তাতে কিন্তু ভারত রীতিমত ধরাশায়ী হয়ে গিয়েছে, আমরা ভারতীয় পণ্য না কিনার কারণে ভারতের অর্থনীতি আজ পঙ্গু হওয়ার পাথে, আমরা যদি ভারত থেকে আলু আর পেয়াজ না কিনি তাহলে ভারত কিন্তু আর কোনদিন উঠে দাঁড়াতে পারবে না সুতরাং দেখা গেলো আমাদের পণ্য বর্জনের এই সেংশের কারণে ভারতের এক কঠিন শিক্ষা হয়ে গেছে। তাছাড়া এর আগে ইউরোপও কিন্তু একবার আমাদের সেংশনের মুখে পড়েছিলো বিশেষ করে ফ্রান্স, ফ্রান্স কিন্তু এখনো বাঙালী সেংশনের (পণ্য বর্জনের) করণে আজও অর্থনৈতিক ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি, সুতরাং বুঝা গেলো বাঙালী সেংশনের অঅঅনেক তেজ!!
ভারত, ফ্রান্স কে তো কঠিন এক শিক্ষা দেওয়া হলো এখন আমাদের দ্বীতীয় কাজ হচ্ছে আমেরিকা-ইসরাইলকেও ভারতের মতই কঠিন এক শিক্ষা দেওয়া, আমরা পণ্য বর্জনের এই সেংশন যদি আমেরিকা-ইসরাইলের উপরেও আরোপ করিতে পারি তাহলে কিন্তু কেল্লা ফতে- মানে; আমরা যদি আমেরিকা আর ইসরায়েলের পণ্য বর্জন করি তাহলে কিন্তু তারা অর্থনৈতিকভাবে একদম পঙ্গু হয়ে যাবে ঠিক ভারতের মতোই। যতদিন পর্যন্ত আমেরিকা-ইসরাইল আমাদের কাছে ক্ষমা না চাইবে ততদিন পর্যন্ত সেংশন চলিবেই.. বাঙালী যে কঠিন এক চিজ জাতি এবার তারা বুঝিতে পরিবে। আমরা পুরো বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে চাই আমরা শুধু চাপাবাজিতেই বিশ্বসেরা নই, দরকার হলে আমরা সেংশনের মত কঠিন পদক্ষেপও নিতে পারি।
শুরু হোক ঠিক এখান থেকেই- আজ.... ঠিক এই মূর্হুর্ত থেকেই যে যেখান আছেন সেখান থেকেই আমেরিকান-ইসরাইলী পণ্য বর্জন করুন। গর্জে উঠো বাঙালী, দেখিয়ে দাও বিশ্বকে তোমায়।
বাঙালী জাতিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।
অবাক বিশ্ব তাকিয়ে রয়
জ্বলে-পুড়ে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।
নোট: এই পোস্ট'টি আপনি নিজে ১০ জনের কাছে শেয়ার করুন এবং তাদেরকে বলুন আরও ২০ জনের কাছে শেয়ার করতে, ধুমাইয়া শেয়ার হবে- লাইক, কমেন্ট অ্যকশন।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




