
আপনারা সবাই জানেন যে ইরানের পোষা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বছরের পর বছর ধরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে; মধ্যপ্রাচ্যের এমন কোন দেশ নেই যারা কোন না কোন ভাবে ইরানের মদদপুষ্ট সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা আক্রান্তের শিকার হয়নি, পুরো মধ্যপ্রাচ্য আজ ইরানী বাহিনীর নির্মম নির্যাতনে অতিষ্ঠ, এমনকি খোদ ইরানের নাগরিকগণও আজ খামেনি বাহিনীর নির্যতন-অত্যাচরে অতিষ্ঠ
"তারা যদি সেচ্ছায় অস্ত্র ত্যাগ করে তাহলে তাদের জন্য রয়েছে সাধারণ ক্ষমা ও পুরস্কার আর তারা যদি এটা না করে তাহলে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যু" ইরানের ডিপ স্টেটের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো উদ্দ্যেশ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা- গত ২৮ তারিখের প্রথম সকালেই ইরানের প্রধান প্রধান রাডার সিস্টেম অকেজো এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে আজ যুদ্ধের ষষ্ঠ দিন চললেও ইরানের সবগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি তাবুও প্রায় প্রতি রাতেই ইরানের আকাশে আমেরিকান-ইসরাইলের জেটগুলো চক্কর দিচ্ছে এবং ইরানের গুরুত্বপুর্ণ সামরিক স্থাপনা একের পর এক ধ্বংস করা হচ্ছে।

যদিও ইরানে এখন পর্যন্ত তীব্র বেগে হামলা চালানো শুরু'ই হয়নি (এটি প্রথমিক ধাপ মাত্র, মুল আঘত শুরু হতে যাচ্ছে হচ্ছে আগামী সাপ্তাহ থেকে) তুবু্ও গত ৬ দিনে ইরানের নৌ এবং আকাশ শক্তি যথেষ্ট খর্ব করা হয়েছে- আমি বলবো ৮০% ধ্বংস করা হয়েছে, ইরানের নৌবাহিনীর অন্তত ২০ টি যুদ্ধজাহাজ সফলভাবে সাগরের অতলে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাশিয়া এবং চীন থেকে প্রাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় পুরোটাই ধ্বংস করা হয়েছে, আশা করা যাচ্ছে আগামী সাপ্তহের মধ্যেই ইরানের আকাশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে ইসরাইল-আমেরিকার হতে; তখন আক্ষরিক অর্থেই ইরানের আকাশ আমেরিকান বাহিনীর জন্য হয়ে উঠবে এক খেলনা বা গেমের মত। তখন আমেরিকার F-35, F-47 এর মত অত্যধুনিক ফাইটার জেটগুলো এবং B2 and B52 এর মত ভারী বোমারু বিমানগুলো নির্বিঘ্নে বিচরণ করতে থাকবে ইরানের পুরো আকাশ জুড়ে, যেখানে ইচ্ছে সেখানে, জেটগুলো রাত এবং দিন ২৪/৭ বিচরণ করতে থাকবে ইরানে সমস্ত আকাশ জুড়ে, তাদের দপ্তর, নেতাদের মাথার উপর দিয়ে, যেভাবে খুশি সেভাবে।


পরবর্তী ফ্রেজের আক্রমনে (যা শুরু হতে যাচ্ছে আগামী সাপ্তহ থেকে)- ধ্বংস করা হবে ইরানের সমস্ত ক্ষেপাণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, গুড়িয়ে দেওয়া হবে ড্রোন এবং অস্ত্র তৈরীর সমস্ত কারখানা, মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হবে যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলো যা রয়েছে সুরক্ষিত বাংকরে সেই সাথে হত্যা করা হবে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া সমস্ত কর্মকর্তা, এবং সামরিক ব্যক্তিবর্গদের। যাকেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হউক না কেন তার স্থায়িত্বকাল হবে ১ থেকে ৫ মিনিট এর মধ্যেই তাকে শান্তিপূর্ণভাবে বেহেস্তে পাঠিয়ে দেওয়া হবে তার পূর্বসূরীদের কাছেই। এই হচ্ছে আগামী সাপ্তাহ দুয়েকের গেম প্ল্যান- অতঃপর সবকিছু ঠান্ডা হয়ে যাইবে এবং হামাসের মত তারাও গর্তে লুকাবে।
BREAKING: Iran Announces Their New Supreme Leader



যদিও ইতিমধ্যই ইরানের মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে, তবুও তরা মাটির নিচের কিছু বাংকার থেকে আমেরিকান সেনাদের হত্যার উদ্দ্যেশ্যে অন্ধের মত এলোপাথাড়ি মিসাইল, ড্রোন ছুড়ছে যার বেশিভাগই সাধারণ নগারকিদের ঘরবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি করছে। তারা হয়তো জানে না ৯০% আমেরিকান সেনা সদস্যই ইরানী মিসাইলের রেঞ্জ থেকে 10x নিরাপদ অবস্থানে অবস্থান করছে।

বলা হয়ে থাকে- আকাশ যার দখলে যুদ্ধ তার নিয়ন্ত্রণে সেই হিসবে ইরানের আকাশ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে নেওয়ার পর ইরানের সমস্ত ক্ষেপাণস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করতে সর্বোচ্চ সাপ্তাহ খানেক লাগতে পারে আর তাই আগামী দুই সাপ্তাহ মধ্যপ্রাচ্যের যে যেখানে আছেন নিরাপদ স্থানে থাকার আহ্বান জানানো হলো, তারা হয়তো আরো কিছুদিন এলোপাথারি, ড্রোন মিসাইল ছুড়তে থাকবে- শত্রুর সব ড্রোন, সব মিসাইল ভুপাতিত করা স্ট্যাটাজিকেলি ভায়াবল নয়, ইহাতে শুধুই শক্তি এবং অর্থের অপচয় হয়। একটু ধৈর্য ধরুন সুখবর আসছে।
Welcome to the new middle east.

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



