somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জাদিদ
তুমি আমার রাতবন্দিনী। ধূসর স্বপ্নের অমসৃণ সুউচ্চ দেয়াল তুলে তোমাকে আমি বন্দী করেছি আমার প্রিয় কালোর রাজত্বে। ঘুটঘুটে কালোর এই রাজত্বে কোন আলো নেই। তোমার চোখ থেকে বের হওয়া তীব্র আলো, আমার হৃদয়ে প্রতিফলিত হয়ে সৃষ্টি করে এক অপার্থিব জ্যোৎস্না।

প্রজেক্ট হিলসা' - সার্ভিস চার্জ ও আমাদের উদ্দেশ্যহীন রেস্টুরেন্ট ব্যবসা।

০৬ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাম্প্রতিক সময়ে প্রজেক্ট হিলসা নামের একটি রেস্টুরেন্ট নিয়ে বেশ হইচই হচ্ছে। এখন পর্যন্ত যারা সেখানে খেতে গিয়েছেন, তাদের কারো অভিজ্ঞতাই তেমন ভালো ছিলো না। ক্ষেত্র বিশেষে অনেকেই ভাবছেন তাঁরা প্রতারনার শিকার হয়েছেন। আমি এখন পর্যন্ত সেখানে নিজে খেতে যাই নি, তবে আমার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু সেখানে খেতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা পেয়েছেন সেটা একটি মানসম্মত রেস্টুরেন্টের পক্ষ থেকে কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়।

প্রজেক্ট হিলসা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ খাবারের দাম বেশি রাখা নিয়ে। কোন রেস্টুরেন্টে খাবারের দাম কেমন হবে সেটা নির্ধারন করার জন্য স্বীকৃত কিছু প্রক্রিয়া বা মেথড আছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা নিয়ে আমার অল্প বিস্তর অভিজ্ঞতা আছে। সেই আলোকে বলা যায়, আপনার মন চাইলো আর আপনি দাম ধরলেন এমনটা পেশাদার রেস্টুরেন্টের ক্ষেত্রে সাধারনত হয়না বললেই চলে। এই ধরনের কাজ যারা করেন, তারা দীর্ঘমেয়াদী কোন পরিকল্পনা ছাড়া শ্রেফ শখের বসে এই ধরনের কাজ করেন। সমস্যা হচ্ছে, যারা এমনটা করেন, তাঁরা দীর্ঘ মেয়াদে টিকতে পারেন না। একটা রেস্টুরেন্টে খাবারের প্রাইজ কেমন হবে এটা নির্ভর করে, খাবার সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল, পরিবহন কষ্ট, অপারেশন কস্ট, কর্মচারীদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা, ট্যাক্স ও অন্যান্য বেশ কিছু প্যারিমিটারের উপর।

(রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার সুবাধে আমি এই ব্যবসা সম্পর্কে টুকটাক জানি। সেই আলোকে আমি কিছু জিনিস আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। )

যেমন ধরুন আমার রেস্টুরেন্টে আমি ২৫০ গ্রামের একটি টেন্ডারলিয়ন স্টেক বিক্রি করতাম ৮৮০ টাকা প্লাস ১৫% ভ্যাট। আমরা প্রথমে বাজারে বিভিন্ন ভেন্ডর থেকে এই স্টেকের মাংস সংগ্রহ করতাম। কিন্তু একটা সময় তাদের পন্য নিয়ে আমাদের কিছুটা অভিযোগ থাকার আমরা বাজার থেকে সরাসরি কাঁচা মাংস কিনে নিজেরা প্রস্তুত শুরু করি। স্টেক স্টাইলে কাটা মাংস বেশ কিছুদিন আমরা নিজেরা যাচাই করে, কয়েকজন নিয়মিত কাস্টমারকে দিয়ে ফ্রি যাচাই করাই। সবার ফিডব্যাক নিয়ে যখন একটা সন্তোষজনক অবস্থানে আসলাম, তখন দেখাগেলো এই প্রক্রিয়ায় আমাদের কোয়ালিটি বেড়েছে অনেক কিন্তু আগের চাইতে খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। যতদুর মনে পড়ে, আমাদের কস্টিং বেড়েছিলো প্রায় ৯% আর প্রফিট কমেছিলো প্রায় ২০%। আমাদের আগের প্রফিট বজায় রাখতে গেলে দাম রাখতে হবে ৯৬০ টাকা। কিন্তু হঠাৎ করে এই ধরনের দামের পরিবর্তন ক্রেতাদের মনে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। তাই আমরা আগের ২৫০ গ্রাম টেন্ডারলিয়ন স্টেকের দাম ৮৮০ টাকাই রাখতাম পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় বানানো ৩০০ গ্রাম টেন্ডারলিয়ন স্টেকের দাম রাখলাম ১১৪৫/- টাকা। প্রথম দিকে সাপ্তাহে তিন থেকে চারটা ৩০০ গ্রামের অর্ডার আসত। পরবর্তীতে দুই মাসের মাথায় ২৫০ গ্রামের তুলনায় ৩০০ গ্রাম বেশি বিক্রি হওয়া শুরু করল এবং আমরা ২৫০ গ্রাম বিক্রি বন্ধ করে দিলাম। এইভাবে কয়েকমাস যাওয়ার পর সবাই এই দামেই আর এই একটা শ্রেনীতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ল।

এখন ধরুন, আপনি আমার রেস্টুরেন্টে এসে শুনলেন আমরা ৩০০ গ্রামের স্টেক বিক্রি করি। আপনি অর্ডার করার পর দেখলেন, যা আপনাকে সার্ভ করা হয়েছে সেটা কোনভাবেই ২০০ বা ২২০ গ্রামের বেশি নয়, তখন আপনার অনুভুতি নিশ্চয় ভালো হবে না। ধরুন সাথে আপনাকে যে সাইড ডিসটি আমি দিলাম, যদি সেটার গুনগত মান ও স্বাদ ভালো না হয়, তখন নিশ্চয় আপনার নিজেকে প্রতারিত মনে হবে। প্রজেক্ট হিলসার হয়েছে এই সমস্যা। অনেকেই বলছেন, এর চেয়ে দামী রেস্টুরেন্ট তো ঢাকায় আছে। কথা সত্য, মতিঝিল, গুলশান অনেক রেস্তোরাতে এক পিস ইলিশ মাছের দাম ২৫০ টাকা পর্যন্ত আছে। কিন্তু অধিকাংশ রেস্তোরাঁগুলোতে দামের সাথে মানের সমন্বয় করা হয়। নইলে এই প্রতিযোগিতার বাজারে টেকা সম্ভব নয়। প্রজেক্ট হিলসার মত একটি অভিজাত রেস্টুরেন্ট এর জন্য ৪০০/৫০০ গ্রাম ইলিশের দুই পিস ৪০০ টাকায় বিক্রি করার চাইতে, ৯০০/১০০০ গ্রামের একটি ইলিশ মাছের এক পিস ৪৫০ টাকায় বিক্রি করা ভালো। সেই ডিসটা হতে হবে ওয়েল ডেকোরেটেড। যেমন ভাজা ইলিশের সাথে, ভাজা পেঁয়াজ থাকবে, তেল থাকবে, ডিজাইন করে কাটা ছোট এক পিস বেগুন থাকবে, কাঁচা মরিচ বা শুকনা মরিচও থাকতে পারে। যখন কোন খাবারকে সুন্দর করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়, তখন আমাদের মন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ খাবারটিকে দামী বা অভিজাত হিসাবে ধরে নেয়। একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে শুধু খাবারের মান নয়, ক্রেতাদের সাইকোলজি নিয়েও চিন্তা করে। সেই হিসাবে প্রজেক্ট হিলসা অবশ্য এখনও অভিজাত রেস্টুরেন্ট হিসাবে নিজেকে প্রমান করতে পেরেছে বলে মনে হয় না।

এর পর আসি সার্ভিস চার্জ প্রসঙ্গে। সার্ভিস চার্জ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব আছে। খাবার পরিবেশনকে মানুষ যাচাই করে পাড়ার হোটেলগুলো দিয়ে, যেখানে ক্রেতাদেরকে ওয়েটাররাই খাবার পৌঁছে দেয়। খাবার পরিবেশন করা, খাওয়ার সময় কাস্টমারের চাহিদা ও সমস্যার তদারকি করা ইত্যাদি যে একটি বাড়তি কাজ - ক্রেতা পর্যায়ে এই ব্যাপারে স্বীকৃতি প্রায় নেই বললেই চলে। তাই যে সকল রেস্টুরেন্টে সার্ভিস চার্জ বলে বাড়তি কিছু নেই, সেখানে ক্রেতার দেয়া টিপসই সার্ভিস চার্জকে রিপ্লেস করে। যেহেতু আমরা দীর্ঘদিন ব্রিটিশ অধীনে ছিলাম, তাদের অনেক রীতি আমরা রপ্ত করেছি। অষ্টাদশ শতকে ব্রিটিশ অভিজাতরা তাদের চেয়ে 'নীচু শ্রেণীর' লোকজনের জন্য এই উপহার দেয়ার প্রথা চালু করে। আর আমেরিকানরা ব্রিটেনে বেড়াতে এসে এই কৌশল রপ্ত করে নিজ দেশে প্রচলন করে। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, ২০১৭ সালে আমেরিকাতে এই পেশার সাথে জড়িত লোকজন ৪২ বিলিয়ন ডলার টিপস পেয়েছেন।

সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মানের রেস্টুরেন্টে পাঁচ শতাংশ থেকে দশ শতাংশ সার্ভিস চার্জ রাখা হয়। এই সার্ভিস চার্জ রেস্টুরেন্টে কর্মরত কর্মীদের মুল বেতনের পাশাপাশি একটি ভালো আয়ের অংশ। বাংলাদেশী অনেক প্রবাসী রেস্টুরেন্টে কাজ করে যে বেতন পান তার চেয়ে বেশি টাকা আয় করেন এই সার্ভিস চার্জ বা টিপসের মাধ্যমে। আমাদের পাশের দেশ ভারতে এই পেশার সাথে জড়িত প্রায় ষাট লক্ষ মানুষ। তবে আমরা যেটা জানি না, তা হচ্ছে সার্ভিস চার্জ প্রদান করা কিন্তু বাধ্যতামুলক নয়। অর্থাৎ আপনি যদি কোন রেস্টুরেন্টে গিয়ে তাদের সেবায় সন্তুষ্ট না হন, আপনি চাইলে সার্ভিস চার্জ নাও দিতে পারেন বা কম দিতে পারেন। এটা আইনের একটি ধারা যা আমরা অনেকেই জানি না এবং এটা যে কোন পাঁচ তাঁরকা রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে সাধারন রেস্তোরা যেখানে বাড়তি সার্ভিস চার্জ আছে সেখানেই প্রযোজ্য।

এত সব কথা এই কারনে বললাম - প্রজেক্ট হিলসার সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপত্তির কোন কারন আমি দেখি না। আপনি এমন পরিবেশে খেতে গেলে, আপনি ভালো সার্ভিস পেলে তবে, আপনি চাইলে তাদের সার্ভিসের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন। অবশ্য মশা, মাছি ও অন্যান্য পোকামাকড় এই সার্ভিস চার্জ প্রদানের অন্তরায়। সেই হিসাবে আপনি যদি ১০% সার্ভিস চার্জ পুরো দিতে না চান, তাহলে সেটা আপনি না দিতেই পারেন তবে কিছু হলেও আপনাকে দিতে হবে আর সেটা নুন্যতম ৫% বাঞ্চনীয়।

ফাস্ট ইম্প্রেশন ইজ দ্য বেস্ট ইম্প্রেশন বলে একটি কথা প্রচলিত আছে। এই হিসাবে প্রজেক্ট হিলসা মোটামুটি ব্যর্থ। কারন তারা উদ্দেশ্যহীনভাবে ব্যবসা শুরু করেছে। এত বড় একটি প্রজেক্ট এর ম্যানেজমেন্ট আরো পেশাদারিত্বের পরিচয় দিলে ভালো হতো। 'আমরা আশা করি নাই, আমাদের রেস্টুরেন্ট শুরুতেই এত সাড়া ফেলবে, এত লোক আমরা ম্যানেজ করতে পারছি না' - এইগুলো খুবই অপেশাদার এবং দুরদর্শীহীন বক্তব্য। এই ধরনের বক্তব্যে কোন লংটার্ম পরিকল্পনা খুঁজে পাওয়া যায় না। কারন একটি ছোট প্রতিষ্ঠানও নুন্যতম ছয় মাসের ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল অর্থাৎ সকল বিভাগের সকল কর্মচারীদের বেতন ও খরচ মাথায় নিয়ে ব্যবসায় নামে সেখানে প্রজেক্ট হিলসার মত একটি বড় প্রজেক্টে লং টার্ম প্ল্যানিং নাই এটা খুবই আনপ্রফেশনাল ম্যাটার।

একটা বড় ইনভেস্টমেন্ট যদি উদ্দেশ্যহীনভাবে শুরু হয়, তাহলে সেটা কোনভাগেই গ্রহনযোগ্য হয় না। উদ্দেশ্যহীন ইনভেস্টমেন্ট হয় সাধারনত কালো টাকা সাদা করতে। আমি প্রজেক্ট হিলসার বিরুদ্ধে নই। আমি বিশ্বাস করতে চাই, এই রেস্টুরেন্টটি কোনভাবেই সেই উদ্দেশ্যে মাঠে নামে নি। আমি আশা করি, গত দুই মাসের ভুলগুলো তারা দ্রুত আইডেন্টিফাই করবে, প্রয়োজনীয় সংশোধন করবে এবং একটা আদর্শ অভিজাত রেস্টুরেন্ট হিসাবে নিজেদের ইমেজ গড়বে। আর যদি তা না করতে পারে, তাহলে দিন শেষে - এটা একটি বাজে ইনভেস্টমেন্টের উদহারন হিসাবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫০
১৪টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শীত শুরু হয়েছে, দেখা যাক, কে টিকে থাকে?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:০৩



**** কেহ ১ জন আমার পোষ্টটাকে রিফ্রেশ করছে; এসব লোকজন কেন যে ব্লগে আসে কে জানে! ****

সেপ্টেম্বর মাসে একটি টিমের সাথে ফুটবল খেলেছি; এই মাসের শেষেদিকে হয়তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতাস বুঝে ছুইটেন !

লিখেছেন স্প্যানকড, ২১ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১:৪১

ছবি নেট।

হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেনঃ "মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ, তবে বাঙালির ওপর বিশ্বাস রাখা বিপদজনক! " 

আসলেই তাই! খবরে দেখলাম ইকবাল নামের একজন ব্যক্তি পবিত্র কুরআন মুর্তির কাছে রেখে চলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন ভবঘুরে ইকবাল হোসেন জন্য সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ল

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:৩৫



গত বুধবার ভোরে শারদীয় দুর্গাপূজার মহা অষ্টমীর দিন কুমিল্লা শহরের নানুয়া দীঘির উত্তর পাড়ে দর্পণ সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন দেখা যায়। ব্যস আর যায় কোথায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি ও আমার পৃথিবী......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২১ শে অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:৫১

আমি ও আমার পৃথিবী......

আজও খুব ভোরে উঠেছি প্রতিদিনের মতো। আকাশে তখনও আলগোছে লেগে রয়েছে রাত্রির মিহি প্রলেপ। আমার চেনা পাখিরা জেগে ওঠেনি তখনও। মনটা কেমন যেন একটু বিস্বাদে ভরে আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পেডাগোজিকাল ট্রানজিশন- শিশু শিক্ষনে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কি ধরনের উদ্যোগ নেয়া যায়

লিখেছেন শায়মা, ২১ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:৪৪


করোনাকালীন চার দেওয়ালে বন্দী জীবন ও অনলাইনের ক্লাসরুমের মাঝে গত বছর নভেম্বরে BEN Virtual Discussion "শিশুদের নিয়ে সব কথা" একটি টক শো প্রোগ্রাম থেকে ইনভিটেশন এলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×