somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বগালেইকে ভ্যাম্পায়ার। (শেষ পার্ট)

১১ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এখানকার কটেজগুলো সব ই কাঠের তৈরি, দোতালা টাইপ। নিচের অংশে খাবার প্লেইস আর কটেজ মালিকের বাসা। উপরের অংশে ট্যুরিস্টদের জন্য রুম। কিছু কিছু কটেজর মালিক আবার লাগোয়া একটা ঘর তুলে নেয়, থাকার জন্য। সেক্ষেত্রে নিচে থাকে ডাইনিং আর ট্যুরিস্টদের জন্য একটা রুম। আর টয়লেট গুলো থাকে কটেজ থেকে একটু দূরে। পাশের কটেজের মালিক তার কটেজের নিচের অংশেই তার পরিবার নিয়ে থাকতো। গত কাল বেশ রাতে, তার ছোট ছেলে বড় ভাইকে সাথে নিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যায়। তখন বাকি সবাই ঘুমানো। সকালে ওর মা ঘুম থেকে উঠে ওদের না দেখে ডাকাডাকি করে পরে বাইরে এসে যা দেখে সেটা বর্ণনা করার মত নয়। তাঁদের ভাগ্যে শ্রমিকের মতই মৃত্যু জুটেছে। মাথা থেতলানো। গলা থেকে নাভি থেকে ধারালো কিছু দিয়ে এফোর ওফোঁড়। সবচেয়ে ভয়ংকর যেটা বলল, সেটা হইলো দুজনের ই নাকি কলিজা টেনে বের করে নিয়ে গেসে।

এই কথা শুনার পর সবার মুখ ফ্যাঁকাসে হয়ে গেছে। আমি আর রাতুল সবাইকে উপরে রেখে নিচে গেলাম গাইডের খোজে। নিচে গিয়ে দেখি, নিচের রুমের দুই একজন কান্না কাটি করে অবস্থা খারাপ করে ফেলছে। গাইড কে কিভাবে খুজবো! লিটারেলি ঝর হচ্ছে। নিচে বসে থাকতে থাকতে একটু পর গাইড নিজের এসে হাজির। আমি বললাম, দাদা কি অবস্থা? কি মনে হয়? কারা করতে পারে। আমাদের গাইডকে দেখে মনে হইলো না উনি খুব একটা কথা বলার মুডে আছে। বলল, দাদা এই লেইকে আগে অনেক মানুষ মারা গেসে। এখন তেমন একটা মারা যায় না। আমার মনে হয়, লেইকের সেই মানুষখেকো টা এখন উপরে এসে মানুষের কলিজা খাচ্ছে। গাইডের গল্প টা আমার কাছে যুতসই মনে হইলো না। বললাম। আচ্ছা যাওয়ার কি ব্যবস্থা? এমন খুনোখুনোরি জায়গায় তো আর থাকা যায় না? গাইড বলল, দেখছেন কেমন ঝর হচ্ছে? এরমদ্ধে চাইলেই কি যেতে পারবেন? আর্মির লোকেরা কি বলে দেখেন।

আমাদের বাকি মেম্বারদের ডাকলাম। সবাই নিচে ডাইনিং এ বসে কথা বলছি কি করা যায়। নিচের রুমের গেস্টরা ও এসে আমাদের সাথে জয়েন করল। তাঁদের দেখে মনে হচ্ছে তাঁদের ই কেউ মারা গেসে। সবাই আতংকে খাওয়ার কথা ও ভুলে গেসে। দুপুরের খানিক আগে ক্যাপ্টেন সাহেব আসতে মনে হয় একটু সস্তি পেলাম।
ক্যাপ্টেন সাহেব বলল, আমাদের একটা রেইডিং পার্টি চারদিকে সার্চ করছে। আপনারা কোন টেনশন করবেন না। আজ থেকে আমাদের লোকেরা সারা দিনরাত পাহারা দিবে। আর আপনাদের কমলাবাজার কিভাবে দিয়ে আসা যায় সেটা ও দেখতেছি। এমন ঝর তুফানের মধ্যে মনে হয়না আপনারা কেউ যেতে পারবেন। ইন দা মিন টাইম আপনারা একটু ধৈর্য ধরেন।

সকালে কেউ খায় নাই। দুপুরেও কেউ তেমন খেলো না। আমরা আর উপরেও যায় নাই। আড্ডা ও জমলো না। সবার একটাই কথা ঘুরতে এসে না জানি নিজের বাপের কালের একমাত্র সম্পদ, এই জানটাকে হারাই। সারাদিন অঝোরে বৃষ্টি ঝরছে। যেন বৃষ্টি প্রতিজ্ঞা করছে, আমাদেরকে যেতে দিবে না। এই বৃষ্টির মধ্যেই আর্মিদের দৌড়াদৌড়ি, মৃৎ লাশ সৎকারের ব্যবস্থা সবই হয়ে গেল। চারদিকটা এতই নিস্তব্দ যেন পশু পাখি পোকামাকর ও ডাকতে ভুলে গেসে। সন্ধ্যা হতে সবাই একটু কিছু মুখে দিয়েই উপরে চলে আসলাম। আসার আগে আমাদের নিচের রুমের ওদের কে বললাম, চাইলে ওরা আমাদের সাথে থাকতে পারে। অরাও আমার কথায় সায় দিয়ে উপরে আসলো। সৃষ্টি আপু এসেই সবার আগে সবগুলো জানালা ভাল মত লাগিয়ে দিল। কারো মুখ থেকে যেন কথাও বের হচ্ছিলো না। একমাত্র বৃষ্টি পরার শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দই যেন পৃথিবী তে নাই। যে যার মত শুয়ে ঝিমাতে লাগলো।

সকালে গাইড এসে দরজায় পিটানো শুরু করতে সৃষ্টি আপু দরজা খুলে দেয়। আপু মনে হয় রেডি হয়েই ছিলো কখন গেট খুলবে। এত দ্রুততার সাথে গেট খোলা দেখে তাই মনে হইলো। গাইড হরবর করে যা বলল, তার মর্মার্থ এই, গত রাতে দুইজন আর্মি সদস্য খুন হয়েছে। তাঁদের থেকে ও একই ভাবে কলিজা নিয়ে গেসে। গাইড বলল, বলেছিলাম না দাদা লেইকের সেই রাক্ষস টাই উঠে এসে এরকম করছে। আমাদের সবার ও একটু একটু বিশ্বাস হওয়া শুরু করলো হয়ত এই লেইকের নিচে কোন ভ্যাম্পায়র থাকলে ও থাকতে পারে। আমাদের কাররই কিছু বলার ছিলো না। সবার মাথায় এক্টাই চিন্তা কিভাবে এখান থেকে পালানো যায়। কিন্তু আজকেও আবহাওয়া আগের মতই বিরুপ। কিভাবে কি করবো কারো মাথাতেই কিছু আসতেছিলো না।

সারাদিন শুয়ে বসে থাকার পর দুপুরে সবাই খেতে নামলাম। একটা জায়গায় ৫ টা অদ্ভুত মার্ডার হওয়ার পর সেখানে আসলে যে কারই মুখে খাবার রুচবে না, এটাই স্বাভাবিক। সবাই বৃষ্টিকে মুখে যা আসছিল তাই বলে গালি দিচ্ছিলো কারণ এই বৃষ্টির জন্যই কেউ এখান থেকে যেতে পারছে না। ফোনে নেটওয়ার্ক নাই। সবাই এখানে ঢাকা থেকে আসছে, কেউ বাসায় ও যোগাযোগ করতে পারছে না। আমাদের সাথের গ্রুপের একটা আপু বলেই উঠলো আজকে রাত এখানে থাকতে হলে এমনেই মরে যাবো। কোন ভ্যাম্পায়ারের মারতে হবে না। বিকাল হতেই আর্মির লোক এসে বলল, সবাই ব্যাগ গুছান। আজকে আপনারা সবাই আমাদের ক্যাম্পে থাকবেন। এখানে আসলে কি হচ্ছে সেটা না জানার আগ পর্যন্ত এখানে কোন টুরিস্ট কে থাকতে দেয়া যাচ্ছে না। আমরা মনে হয় ৪০ জনের মত টুরিস্ট ছিলাম। সবাই আর্মি ক্যাম্পে গিয়ে উঠলাম। সবাই একসাথে হওয়ার পর মনে হচ্ছে সবার চেহারায় একটু রঙ ফিরে আসছে। রাতে খাবারের সময় ক্যাপ্টেন সাহেব এসে গত কয়দিনের মধ্যে প্রথম সুখবরটা দিলো। আপনারা কাল কমলাবাজার যেতে পারবেন। আমাদের লোকেরা একদম পাহাড়ের নিচ পর্যন্ত দড়ির ব্যবাস্থা করেছে। কষ্ট হলেও আপনারা যেতে পারবেন। খুশি কিংবা ভয়েই হোক সে রাতে কেউ আর ঘুমায় নাই। আমার তখনও কেন জানি বগালেইক থেকে যেতে ইচ্ছা করছিলো না। আমি ছাড়া মনে হয় সবার মনে হয় একটাই ভাবনা, কখন সকাল হবে আর এই নরক থেকে সবাই মুক্তি পাবে।

আজকে সকালে কোন খুনের সংবাদ নাই। এটাই যেন পরম স্বস্তি নিয়ে আসলো সবার কাছে। একটু আলো ফুটতেই সবাই সবার ব্যাগ প্যাক নিয়ে রেডি। কেউ আর এখানে এক মুহূর্ত দেরি করতে রাজি নয় এমন কি তারা নাস্তাও করবে না। আকাশ বাতাস কাপিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে সেদিকে কারো ভ্রুক্ষেপ নেই। সবাই রেডি হতেই, চারজন সেনাবাহিনীর সৈনিক আমাদের কে এসকর্ট করে নিয়ে যাচ্ছে। গত কয়দিনের টানা বৃষ্টিতে মাটিতে পা দেওয়ার আগেই মনে হচ্ছে স্লিপ করে। দড়ি ধরে ও ব্যালেন্স রাখা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে ট্রেকিংর পূর্ব অভিজ্ঞতাও এখানে অচল। অবশেষে ১ ঘ্নটার পথ দীর্ঘ চার ঘন্টা ট্রেকিং করে আমরা কমলা বাজার আসছিলাম। সবার আনন্দ উতসব দেখে মনে হচ্ছিলো টাইটানিক থেকে বেঁচে ফেরা যাত্রি এরা। সবাই রিসার্ভ গাড়ি নিয়েই আসছিলো। কেউ কোন রকম দেড়ি না করেই বান্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করল।
আমরা যখন পর দিন সকাল সাত টায় ঢাকা পৌঁছাইলাম নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গিয়ে ফকফকা আকশ উকি দিচ্ছে।

রাতে ফেবু তে একটা ট্যুর গ্রুপে পোস্ট দেখলাম, অনিবার্য কারণ বশত বগালেইকে আগামি একমাস কোন ট্যুরিস্ট যেতে পারবে না।

একমাস পর...।
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা।
ঘুম থেকে উঠে, আজকের দিনটার কথা ভাবতেই সারা শরীরে একরকম একটা পুলক বয়ে যাচ্ছে। এই দিনটার জন্য অনেক দিনের অপেক্ষা। আর মাত্র একটা শিকার তাহলেই আমি আমার আরাধ্য বস্তু লাভ করবো। তারপর বছরের পর বছর অমরত্ব নিয়ে বেঁচে থাকবো। তখন শুধু আমাদের ভ্যাম্পায়ারদের প্রধান উৎসবের দিন ১৮ ব্ছরের কম বয়েসি কারো রক্ত খেলেই চলবে। কিন্তু তার আগে আমার সব কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। গুরু সূর্যনাথ যদি আমার কাজে খুশি হয়ে, আমাকে স্যাক্রেড রিং দেয় তাহলেই আমি পাবো পরম আরাধ্য অমরত্বের দেখা।
গুরুর প্রতি শ্রদ্ধায় আমার মাথা নুয়ে আসছে। যিনি আমাকে খুজে বের করে দিক্ষা দিয়েছেন। আজকে শেষ শিকার করা হলে গুরুর সাথে দেখা করতে হবে। তখন ই বুঝা যাবে আমি স্যাক্রেড রিং পাবো কি পাবো না। কিন্তু সবকিছুর আগে আমাকে আমার কাজ সঠিক ভাবে সম্পন্ন করতে হবে। কাজের কথা মনে আসতেই একে একে সব কিছু মাথায় এসে ভির করল। কিভাবে গুরুর সাথে পরিচয়, তার সব আদেশ সঠিক ভাবে আমি পালন করেছি। কিন্তু সবচেয়ে যেটা কঠিন ছিলো সেটা হল, কোন আপনজনের কলিজা ভক্ষন। অমরত্ব পাওয়ার কাছে কোন আপনজনকে বলি দেওয়া তো নস্যি। হটাৎ করে ঘড়ির দিকে চোখ যেতেই মনে পড়ে গেলো, রিপুর আসার সময় হয়ে গেছে। আব্বু আম্মু গ্রামের বাড়িতে গেসে। তাঁদের আসতে বেশ দেরি, এই কয়দিন বাসায় আমি একাই থাকবো। রিপুর সাথে আমার ৫ বছরের রিলেশন কখনই ওকে বাসায় আনা হয় নাই। তাই যখন ই ওকে বাসায় আসার কথা বলেছি ও অমনেই মনের সুখে রাজি হয়ে গেছে। রিপু কে আমি সত্যি ই ভালবাসি কিন্তু গুরুর সাথে কারো তুলনা চলে না। গুরুর আদেশ আমাকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। গুরু সূর্যনাথ তান্ত্রিক সারা পৃথিবীর সকল ভ্যাম্পায়রের গুরু। তাই গুরুর কাছ থেকে স্যাক্রেড রিং পেতে ৭ টা কেন আমি হাজারটা মানুষের রক্ত খেতে পারবো। আহারে বেচারি যদি জানতো আজকে ওর কপালে কি আছে!
কলিং বেলের শব্দ হতেই আমার চিন্তায় ছেদ পরলো, কিন্তু তাও ঠোটের কোনে এক চিলতে হাঁসি ঢেউ খেলে গেলো। হাতের ধারালো নখ গুলো আপনা থেকেই বের হওয়া শুরু করেছে....।।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৭
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

» গ্রামের ছবি, মায়া জড়িয়ে আছে যেখানে (মোবাইলগ্রাফী-৩৫)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

গ্রামের তরতাজা ফল দেখলে মনটা খারাপ হয়ে যায়। যখন ভাবি ঢাকায় এসে ফরমালিনে মাখানো ফল খেতে হবে এবঙ বাচ্চাদের খাওয়াতে হবে।



গ্রাম আমার ভালোবাসার জিনিস। গ্রাম ভালোবাসি। গ্রামেই বড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বাবা"

লিখেছেন , ২৫ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২১


ঈশ্বর,
পাহাড়ের কাছ থেকে নিলেন সহস্র বছরের 'কঠিনতম দৃঢ়তা',
গাছের কাছ থেকে নিলেন,গীস্মের তীব্র দাবদাহে নির্মল ছায়াময় 'মহানুভবতা',
শান্ত নদীর কাছ থেকে নিলেন চির-বহমান 'স্থিরতা'
প্রকৃতির কাছ থেকে নিলেন 'সুনির্মিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে

লিখেছেন আরোগ্য, ২৫ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

]



বিশ্বের অন্যতম কিংবদন্তি পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসন সম্বন্ধে নতুন করে বলার কিছুই নেই। পঞ্চাশ বছর বয়সেই পরপারে পাড়ি জমান আর আজ দশ বছর হয়ে গেল। বেশি কিছু বলবো না শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অর্থাৎ দেশে ফিরছি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৫ শে জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩৮



ফ্লাইটের আগে বুকে এক ধরনের শুণ্যতা অনুভব করি, খাবার খাওয়া তো দুরে থাকুক পানিও খেতে পারি না, মনে হয় এটিই আমার জীবনের প্রথম ফ্লাইট! এই হয়তো ফ্লাইট মিস হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম সাধারণ মানুষকে নির্দয় ও বিভক্ত করছে ক্রমেই

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৬ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৫



গত সপ্তাহে, ভারতের ঝাড়খন্ডে এক মুসলিম তরুণকে পিটিয়ে ভয়ংকরভাবে আহত করেছিল কিছু সাধারণ মানুষ; আহত হওয়ার ৪ দিন পর তার মৃত্যু হয়েছে; তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে মটর সাইকেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×