যে জন না বোঝে তারে
জাহাঙ্গীর ফিরোজ
অলখে,খুব ধীরে নিঃশব্দে পতন
অজান্তে অভ্যস্ত দর্পণে বদলে যায় কাল;
চলন্ত ছাদের শীর্ষে উঁকি দেয় চাঁদ!
কেশবিন্যাসে অনভ্যস্ত,তবুও কাঁকই
হিপপকেটের শোভা।অচিরাৎ ঘর্মাক্ত মলিন আননে রুমাল
তবু কখন যে কৃষ্ণকালো অরণ্যে ধবল গাছের সারি
কলোনি বিস্তারে মশগুল।
ফ্যাকো শেষে লেন্সের কল্যাণে দেখা গেল
বাহুমূলে,বক্ষে ও নিম্নাঙ্গব্যাপিয়া
উপনিবেশের দুর্দান্ত প্রতাপ।এজিং নিবারক বিজ্ঞাপন
গ্রাফটিং করা মস্তকের মস্তকের শোভা;
হোভিংয়ের মেয়েছেলে পথপাশে বাকবাক্কুম ছবি
এসব দেখেনি যুবা—সিঁড়ির স্বপনে বিভোর;
চড়াই পথের শিরে চোখ ছিল।
সূর্ষ হেলে,জীবনের ঢালু পথে ক্ষয়
ডাইংয়ের অনুদান ঢেকে রাখে ছাদ
তবুও সে ভেঙেপড়ে ধীরে ধীরে
করপোরেট অর্থনীতি গ্রস করে তেজারতি…
রাতের পূর্বাভাস বিকেলের রোদে
যৌবন শ্যামসম ছিল,রাধিকাও ছিল
গোপিনীরা আশে পাশে…
যে জন না বোঝে তারে ধিক শত ধিক…
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



