somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"কনসার্ট ফর বাংলাদেশ" এবং আমরা

০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে কিছু মহান সংগীতজ্ঞের উদ্যোগের অনুষ্ঠিত হয়েছিল "কনসার্ট ফর বাংলাদেশ"। বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মত শুরু হয়েছিল বিপন্ন মানবতা রক্ষায় সংগীতের অবদানের নতুন ধারা - চ্যারিটি কনসার্ট। পন্ডিত রবিশংকর এবং বিটলসের জর্জ হ্যারিসনের উদ্যোগে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত এই কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন মানবতাবাদী গায়ক বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন,রিংগো স্টার, উস্তাদ আলি আকবর খাঁন, উস্তাদ আল্লারাখা সহ আরো অনেকে।

কোন এক আর্টিকেলে পড়েছিলাম এরিক ক্ল্যাপটন ঐ কনসার্টে আসার কথা ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই শুধু একটি দেশের নিপীড়িত মানুষের জন্য দীর্ঘদিন পর তিনি হাজির হন জনসন্মুখে এবং অংশগ্রহন করেন সেই কনসার্টে । এছাড়াও "বিটলস" ভেংগে যাওয়ার পর হ্যারিসনের এটিই ছিল প্রথম জনসমকক্ষে আসা।

২০০৫ সালে ইউনিসেফ সেই কনসার্টের ডিভিডি বাজারজাত করে এবং এ থেকে সংগৃহীত টাকা ব্যয় করা হবে শিশুদের উন্নয়নের জন্য।

ঐ কনসার্টি মূলত বাংলাদেশি শরণার্থীদের জন্য করা হলেও এর ব্যাপকতা ছড়িয়ে পড়েছিল বহুদূর। নীতিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সমর্থন দিচ্ছিল। সেই সময়ে তুমুল জনপ্রিয় কিছু গায়ক কনসার্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের অবস্থা তুলে ধরছে খোদ মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকেই! সাধারন মানুষকে নাড়া দিয়েছিল সেই কনসার্টটি। সমগ্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত তৈরীতে রেখেছিল বিশেষ ভূমিকা।উল্লেখ্য যে ঐ কনসার্টের সকল টিকিট বিক্রি হয়েছিল।

এদেশের জন্য এতবড় সংগীতজ্ঞদের সেই অবদানকে সরকারীভাবে কোনদিন মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে জানি না। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদেরকে নূন্যতম ধন্যবাদ দেয় যেত। কত অগুরুত্বপূর্ন ব্যক্তি কত পদক পায়, অথচ...বড় অকৃতজ্ঞ আমরা!!!

অবশ্য কি আর বলব? যে দেশে এখন স্বাধীনতাবিরোধী চক্র শক্তিশালী, যে দেশে মুক্তিযোদ্ধারাই নিগৃহীত হন, সেই দেশে হ্য়ত এই আশাটাও দূরাশা।

আমি খুব নগন্য এক মানুষ। কোন কিছু করার ক্ষমতা হয়ত আমার নেই। শুধু ভালবাসা আর শ্রদ্ধাটুকুই দিতে পারি। তা ই দিলাম। হৃদয় উজাড় করা ভালবাসা দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সেই সব মহান সংগীতজ্ঞ এবং কনসার্টে অংশগ্রহনকারী সকলের প্রতি।"যতদিন আমরা বাঁচব, আমাদের হৃদয়ের ভিতর আপনারা থাকবেন।"

আরও অনেক অজানা তথ্যের জন্য ভিজিট করুন নিম্নের সাইট দুটিতে:
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
উইকিপিডিয়া
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭
১৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এসো ঈদের গল্প লিখি..... পড়ি

লিখেছেন অপ্‌সরা, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১১


আরও অনেকের গল্প পড়ার অপেক্ষায়..... স্বপ্নের শঙ্খচিলভাইয়া, নতুন নকিবভাইয়া, প্রবাসীকালোভাইয়া,ওমর খাইয়ামভাইয়া, হুমায়রা হারুন আপুনি, করুনাধারা আপুনি, মেহবুবা আপুনি, রাজীব নূর ভাইয়া, রানার ভাইয়ার গল্প পড়তে চাই, জানতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×