প্রথমত,ক্ষমতা।স্কুলের প্যাসেজ ধরে হেটে যওয়ার সময় তাকে দেখে যেন সহপাঠীরা তাকে দেখে ভয় পায়।নিজের ইচ্ছামতো কাউকে পিটালে যেন কেউ কিছু বলতে সাহস না পায়।এই তো?অনেক ক্ষুদ্র চাওয়া।
কিন্তু শুরু টা কি এভাবেই হওয়া উচিত?এই ছোট্ট শুরু গুলো আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?আর এইসব ক্ষুদে রাজনীতিবিদরা যখন বড় হয়ে সমস্যা আবৃত এই দেশটার হাল ধরে,তখন তাদের কাছ থেকে আমরা কি আশা করতে পারি?
ভেবেছিলাম,দেশের প্রথম সারির ছাত্ররা রাজনীতিতে এলে হয়ত দেশটার কিছু হবে।কিন্তু তারা যে সমাজ বহির্ভূত সন্ত্রাসীদের চেয়েও ভয়ঙ্কর আচরন শুরু করবে,একথা কে ভাবতে পেরেছিল?মানুষ তাহলে কার ওপর ভরসা করে দেশের ভার তুলে দেবে?
দোষটা তাহলে কার?
আমাদের?রাজনীতিবিদদের?নাকি আমাদের পোড়া কপালের??
আকালের এই যুগে কেউ মনে হয় কপালে বিশ্বাস করেন না।
তাহলে কী রাজনীতিবিদদের? যে রাজনীতিবিদরা নীতিগত কারনে
একজন মেয়র ২ দিন লাখ খানেক মানুষকে ভুরিভোজ করানোর টাকাই বা পায় কোথায়?উত্তর আপনারা সবাই জানেন,তাই এ নিয়ে আলোচনা করে সময় নস্ট করতে চাই না।
আমরা সরাসরি সমস্যায় আসতে পারি।সমস্যা হল রাজনীতির মূলে।যে ছেলেটি স্কুলের পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে গাজা-সিগারেটের আড্ডায় সামিল হত,যে ছেলেটি ক্যাম্পাসে আধিপত্য করার নেশায় সহপাঠীর মাথা ফাটাত,সেইতো আজ দেশের মাথা।বিষাক্ত শিকলের গাট ধরে উঠতে উঠতে সেই আজ মন্ত্রী,সেই আজ সাংসদ।দেশের নেতৃত্বে আজ তারাই,যারা কর্ম দিয়ে নয়,সন্ত্রাস দিয়ে ক্ষমতায় থাকে,বুলেট বৃষ্টি দিয়ে আড়াল করতে চায় তাদের কুকর্ম,তাদের দুর্নীতি।
স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত দেশ যতটুকু এগিয়েছে,ততে এই রাজনীতির কোন ভুমিকা আছে কী?আমি বলব,নেই।
বৈঠা-হাল হীন একটা নৌকাকে নদীতে ছেড়ে দিলে যেমন ভাসতে ভাসতে এগি্যে যায়,আমাদের দেশটাও ততটুকুই এগিয়েছে।অথচ,আমাদের যে মেধা,যে প্রাকৃতিক সম্পদ,আমাদের কী আজ ভারত বা মালয়শিয়ার পর্যায়ে থাকা উচিত ছিল না?
এই প্রশ্নের জবাব কে দেবে?এই কু-চক্র থেকেই বা আমাদের কে উদ্ধার করবে??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




