somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোভিড ভাতা- হিসাবে মিলে না

০৮ ই মার্চ, ২০২১ ভোর ৪:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আবারো আমেরিকান সিনেট/কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট বাইডেন এর থেকে প্রস্তাবিত প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার ($২,০০০,০০০,০০০,০০০) এর কোভিড বিল পাশ করছে। টাকাতে এর পরিমান কত হবে??? 169,510,440,000,000 Bangladeshi Taka। এর থেকে প্রতি আমেরিকান পাবেন $১৪০০ ডলার তার মানে যার পরিবারে দুজন বাচ্চা আছে, তারা পাবেন $৫৬০০। কিছুদিন আগেই প্রতি জন পেয়েছিলেন $৬০০ করে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগেও দিয়েছিলেন প্রতি জনে $ ১,২০০ করে। আর কভিড কালীন প্রবলেম এর জন্য ছোট ব্যবসা এর মালিক রা আলাদা ডলার পাবেন। বেকার ভাতা হবে সপ্তাহে $৩০০ ডলার করে। তো দেখা যাচ্ছে সরকার ঘরে বসিয়েই সবাই কে সচ্ছল রাখার দ্বায়িত্ব নিয়েছেন..। এবার এর ভাতার আয়তায় আমেরিকার ৯০ শতাংশ জনগন এই ভাতা পাবেন। ফ্যামিলি আয় বছরে $১৬০,০০০ এর নীচে হলেই সেই ফ্যামিলি পাবেন এই সহায়তা।

কিন্তু এই ডলার আসবে কোথা থেকে? আমেরিকার সরকার এর ঋন অলরেডি ২০ ট্রিলিয়ন ডলার এর উপর...আরো ২ ট্রিলিয়ন ঋন নিতে হবে এই ডলার জনগন দেওয়ার জন্য। সামান্য অর্থনীতির জ্ঞান দিয়ে এটা বুঝি যে, এভাবে মানি সাপ্লাই বাড়ালে (কোন ইকনিমিক এক্টিভিটি ছাড়া), যে ইনফ্লেশন হবে, তাতে এই ধরনের সাহায্য এর আর কোন কার্যকারিতা থাকবে না।

নতুন ধরনের ইকনোমিক মডেল দেখা যাচ্ছে, যেখানে সরকারগুলি 'বায়বীয়' ভাবে টাকা তৈরী করে জনগন কে দিচ্ছেন (জাপান অনেক দিন থেকেই করে আসছে)। সাদা কাগজে সরকার (অর্থ মন্ত্রানালয়) লিখে (I owe you), আর এই কাগজ (ট্রেজারী বিল), আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ ই কিনে নিচ্ছে। অনেকটা সরকার এর এক পকেট থেকে টাকা আরেক পকেটে স্হানান্তর হচ্ছে। কেননা যখন এই বিল এর মেয়াদ শেষ হবে, রিজার্ভ টাকা টা আবার সরকার এর অর্থ মন্ত্রানয়তে হস্তান্তর করে। অনেকটা টাকা প্রিন্ট করার মতই....

কিন্তু আমার প্রশ্ন হল...এভাবেই যদি দেশ চলতে পারে, তাহলে ইকনমিক এক্টিভিটি এর দরকার কোথায়?? সরকার কি আনলিমিডেট ভাবে এভাবে টাকা 'ধার' করে জনগন কে দিতে পারে??? শাস্ত্রীয় ইকনোমিক মডেল কি ফেইল?????
ব্লগে যারা অর্থনীতি তে অভিজ্ঞ, তারা কি একটু জ্ঞান দিবেন ...কেন আমেরিকাতে কোন ইকনমিক এক্টিভিটি ছাড়াই এত মানি সাপ্লাই হওয়ার পরও কেন বাজারে ইনফ্লেশন দেখা যাচ্ছে না??
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০২১ ভোর ৪:৫৪
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা এবং গর্জিয়াস প্রকাশনা উৎসব

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:১৭


পহেলা মে বিকেলে একটি আমন্ত্রণ ছিল। অনুষ্ঠানটি ছিল বই প্রকাশনার। এই আয়োজনটি শুরু হয়েছিল বলা যায় এক বছর আগে। যখন একটি লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছিল। লেখাটি ছিল বিদেশের জীবনযাপনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪



কথা হচ্ছিলো একজন আর্ট সমঝদার মানুষের সাথে। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, জীবিতবস্থায় আমাদের দেশে আর্টিস্টদের দাম দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের নামকরা অনেক চিত্র শিল্পী ছিলেন, যারা জীবিতবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ মারা যাবার পর আবার পৃথিবীতে আসবে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০



আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×