somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গেটিসবার্গের বিখ্যাত সেই ভাষণ

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এই মহাদেশে সাতাশি বছর আগে আমাদের পিতৃপুরুষেরা একটি নতুন জাতির পত্তন করেছিলেন। যে জাতি দীক্ষিত স্বাধীনতার মন্ত্রে এবং সকল মানুষ সমান এই নীতিতে উত্সর্গীকৃত। এখন আমরা এক বিরাট গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। যে যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পরীক্ষা করছি যে, এই নীতিতে দীক্ষিত এবং উত্সর্গীকৃত ওই জাতি বা অন্য যে কোনো জাতি দীর্ঘকাল টিকে থাকতে পারে কিনা। সেই যুদ্ধেরই এক মহান দিনে আমরা মিলিত হয়েছি। এই জাতি যাতে বেঁচে থাকতে পারে সেই জন্য যারা এখানে জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, তাদেরই এক অন্তিম আশ্রয়স্থলের একাংশকে উৎসর্গের উদ্দেশ্যে আমরা এখানে মিলিত হয়েছি। এই কার্য সম্পাদন করা আমাদের পক্ষে সর্বতোভাবে যথাযথ ও উপযুক্ত।কিন্তু বৃহত্তম পরিপ্রেক্ষিতে বিবেচনা করলে প্রকৃতপক্ষে আমরা এই ভূমি উৎসর্গ করতে পারি না, পবিত্র করতে পারি না, অথবা মহিমময় করতে পারি না। যে জীবিত ও মৃত ব্যক্তিরা এখানে সংগ্রাম করেছেন, তারাই এই ভূমিকে পবিত্র করেছেন। সেই পবিত্রতার হ্রাস বৃদ্ধি করা আমাদের ক্ষমতাতীত। আমরা এখানে যা বলি, পৃথিবী সেদিকে দৃষ্টি দেবে অতি অল্প অথবা তা বেশিদিন স্মরণ রাখবে না। কিন্তু তাদের বীর সন্তানদের এখানকার কার্যকলাপ কখনো বিস্মৃত হবে না।বরং, তাদের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমরা যারা বেঁচে আছি, আমাদের উৎসর্গীকৃত হওয়া উচিত। এই সম্মানিত মৃত ব্যক্তিরা, যারা তাদের নিষ্ঠার জন্য চরম মূল্য দিয়ে গিয়েছেন, তাদের দৃষ্টান্ত দেখে আমাদের নিষ্ঠা আরো বৃদ্ধি করা উচিত। এখানে আজ আমরা এমন দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করব, যেন তাদের জীবনদান ব্যর্থ না হয়; যেন এই জাতি বিধাতার কৃপায় স্বাধীনতার নব জন্ম লাভ করে এবং জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা পরিচালিত সরকার ও জনগণের জন্য গঠিত সরকার যেন কখনো পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত না হয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৫১
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫২



আমি কবিতা লিখতে পারি না।
আসলে আমি কোনো কিছুই সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে পারি না। আমার লেখা মানেই এলোমেলো এবং অগোছালো বিশ্রী রকম। মাঝে মাঝে লোভ হয়, কবিতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেরেশতা; মহান আল্লাহর মহিমান্বিত ও বিস্ময়কর এক সৃষ্টি

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

ফেরেশতা; মহান আল্লাহর মহিমান্বিত ও বিস্ময়কর এক সৃষ্টি

ছবি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

ফেরেশতা বা মালাইকা হলেন মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার অসাধারণ ও বিশেষ এক সৃষ্টি। তাঁরা নূরের তৈরি, অদৃশ্য, শক্তিশালী... ...বাকিটুকু পড়ুন

“মনে রাখিস”: খুন হওয়া পরিবারগুলির মুখে কয়েক লক্ষ টাকা গুঁজে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্র নয়

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৮

এ বছর আমি ঈদ করার চেষ্টা করেছি অনেক। ফিলিস্তিনের মুখগুলি এখন আর আগের মতো বিরক্ত করে না। অ্যালগরিদম সরিয়ে রাখে; ইরানের মুখগুলি মিডিয়ার রাজনীতিতে সামনে আসে কম। তবে ঈদের শুরুতেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার অফার পেয়েছিলাম, কিন্তু সায় দেইনি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫



অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‍আমরা যখন সরকারের দায়িত্বে ছিলাম, শুরুর দিকে আমাদের বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন, যাদের আসলে ডিপ স্টেট বলা হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৮



সূরাঃ ২ বাকারা, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমোদের সেই রবের ইবাদত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা মোত্তাকী হও।

সূরাঃ ২... ...বাকিটুকু পড়ুন

×