somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখবেন কি?

১০ ই মে, ২০১৬ রাত ৮:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমানে ভারতীয় ভিসার জন্য দরখাস্ত জমা দেওয়া , বিশ্ব জয় করার চেয়েও কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কারন এখানে কোন নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন নেই। সবই চলে কাউন্টারে যারা জমা নেয় তাদের মেজাজ মর্জি মতো। তারা যা ইচ্ছা করে সেই রকম সাপোর্টিং কাগজ চায়। এক জনের কাছে এক এক রকম।অথরিটির কোন আদেশের কপি তাদের কাছে নেই বলে মনে হয়। না দিতে পারলে এত খারাপ আচরণ করে মনে হয় যেন তারা যেন কি হয়ে গেছে আর যারা দরখাস্ত জমা দিতে গেছে তারা আসামী। ন্যুরতম ভদ্র আচরন করে না। এর সাথে আছে গ্রুপ ৪ এর দারোয়ান।এরা সবই আমাদের দেশের ছেলেমেয়ে।
আগে থেকেই এখানে সকালে এক নিয়ম তো বিকালে আর এক নিয়ম চলতো্ ইদানিং তা আরও বেশী হয়েছে।
ই টোকেনে তারিখ নিয়ে তো ব্যবসা পুরোদমে চলছে এখন নতুন ব্যাবসা শুরু হয়েছে ভিসা প্রসসিং ফিস নিয়ে। আমরা জানি টাকা জমা নেওয়া হয় কোন বিষয়ের চূড়ান্ত ধাপ। সব ইনভেস্টিগেশন শেষে টাকা জমা নেয়। এখানেও আগে তাই ছিল। এখন আগেই ৬০০ টাকা জমা দিতে হয়।তারপর শুরু হয় ঐ কর্মচারীদের ইন্টারভিউ নামের দৌরাত্ম।
ওদের খুশী করা আর বদমেজাজী স্বামীকে খুশী করা এক কথা। এ প্রসংগে একটা গল্ মনে হলো।
এক স্বামী বাড়ীতে ফিরে কোন না কোন অজুহাতে প্রতিদিন বউ পেটাতো। যে দিন সব কাজ ঠিকঠাক হোতা, সেদিন বলতো কুকুরকে ভাত দিয়েছিস? না দিলে পেটানো শুর হতো।
এক দিন বউ বেচারী সব কাজ ঠিক করে কুকুরকেও ভাত দিল। জানে আজ সে মার খাবে না। শেষে তার স্বামী সব জেনে বলে এই কুকুরকে বিছানা দিয়েছিস? কেন দিস নি? মার শুরু করে দিল।
এদের অবস্থা অনেকটা এ রকম। এ কাগজের ফটোকপি দিলেন কেন? মূলটা দেন আর মূলটা দিলে বলে ফটো কপি দেন। ওটা দেন নি কেন আজ আর জমা দেওয়া হবে না যান, কাগজ নিয়ে আসুন। আর ঢাকা শহরে ফিরে এসে আর জমা দেওয়া সম্ভব না।
আপনার গেল ই টোকেনের ৩০০০ টাকা আর প্রসেসিংন এর ৬০০ টাকা। এই ৬০০ টাকা হলো স্টেট ব্যাংকের ব্যবসা।
হাই কমিশন একটু নজরদারি করলে এটা এড়ানো যায়। কোন ভিসার জন্য কিকি সাপোটিং কাগজ লাগবে তার তালিকা গেটে দিয়ে দিতে পারে আর পারে নেটে দিতে।
আর আমাদের দেশর কি কোন সংশ্লিষ্ট বিভাগ নেই এগুলো থেকে জনসাধারনকে একটু পরিত্রাণ করবার?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০১৬ রাত ৮:২১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাহমান কলমের সাহায্যে কোরআন ও বাইয়ান শিক্ষা দিয়ে থাকেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:১০



সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যোগেন্দ্রনাথ মন্ডলঃযাঁর হাত ধরে পাকিস্তানের জন্ম

লিখেছেন কিরকুট, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭



দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের ভূমিকা একদিকে যুগান্তকারী, অন্যদিকে গভীরভাবে বিতর্কিত। যোগেন্দ্রনাথ মন্ডল সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মপ্রক্রিয়ায় তিনি ছিলেন একেবারে কেন্দ্রীয় চরিত্র। অথচ কয়েক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি অসভ্য জাতির রাজনীতি!

লিখেছেন শেরজা তপন, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২১


সাল ২০০৮। ব্লগারদের দারুণ সমাগম আর চরম জোশ। ব্লগে ঝড় তুলে দুনিয়া পাল্টে দেওয়ার স্বপ্ন তখন সবার।
বিএনপি আর জামায়াত জোট তখন ভীষণ কোণঠাসা। কেউ একজন মুখ ফসকে ওদের পক্ষে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মাছে ভাতে বাঙালি - যায় না আর বলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০৫


মাছে ভাতে আমরা ছিলাম বাঙালি,
উনুন ঘরে থাকতো, রঙবাহারী মাছের ডালি
মলা ছিল -:ঢেলা ছিল, ছিল মাছ চেলা,
মাছে ভাতে ছিলাম বাঙালি মেয়েবেলা।

কই ছিল পুকুর ভরা, শিং ছিল ডোবায়
জলে হাঁটলেই মাছেরা - ছুঁয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃস্বঙ্গ এক গাংচিল এর জীবনাবসান

লিখেছেন নীল-দর্পণ, ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৯

বিয়ের পর পর যখন সৌদি আরব গিয়েছিলাম নতুন বউ হিসেবে দারুন ওয়েলকাম পেয়েছিলাম যা কল্পনার বাইরে। ১০ দিনে মক্কা-মদিনা-তায়েফ-মক্কা জিয়ারাহ, ঘোরাফেরা এবং টুকটাক শপিং শেষে মক্কা থেকে জেদ্দা গাড়ীতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×