somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কেন ইহুদিরা এত সফল?

০৯ ই জুন, ২০২১ সকাল ১১:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের বাংলাদেশে একটিও ইহুদি নেই। কিছু খ্রিষ্টান আছেন বটে, তবে সেটাও সংখ্যায় খুবই কম। কাজেই আমাদেরকে যখন কেউ বলে, "ইহুদি খ্রিষ্টানরা ষড়যন্ত্র করে আমাদের মুসলমানদের দাবিয়ে রেখেছে," সেই সাথে ওরা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে বাস্তবেই বিশ্বের নেতৃত্ব এখন ইহুদি-খ্রিষ্টানদের হাতেই। এবং বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে সাত বিলিয়ন মানুষের পৃথিবীতে মাত্র চৌদ্দ মিলিয়ন ইহুদি, বিশ্বের আর অন্যান্য যেকোন জাতির তুলনায় যারা সংখ্যায় অতি নগন্য, অথচ তারাই এই দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে। তারপরে আমরা দেখি আমাদের অতীতের ইতিহাস। এর ফলে কিছু চিন্তাভাবনা না করেই ধরে নেই, "হুজুর যা বলেছেন তাই সত্য, আমাদের এই দুরবস্থার পেছনে দায়ী শুধু ইহুদি নাসারা ষড়যন্ত্র!"

ছোটবেলায় যখন করার কিছুই ছিল না তখন স্টারপ্লাসে একতা কাপুরের সিরিয়াল দেখতাম। তখন দেখতাম বিরানি খান্দান হোক কিংবা আগারওয়াল খান্দান কিংবা বাসু খান্দান - সব খান্দানকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে কেউ না কেউ লিপ্ত থাকতো। আমাদেরও ভাবখানা এমনই, যেন ইহুদি নাসারারা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে করতেই নিজেদের দিন রাত কাটিয়ে দেয়। ওদের আর কোনই কাজ নেই।
অথচ বাস্তবতা অতি সহজ সরল। তুলে ধরছি। যদি ভুল পান, তাহলে প্রমান করেন। যদিও আমি নিশ্চিত কোন ভুল পাবেন না। কারন আমি আউল ফাউল অসত্য বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতে পছন্দ করি না।

প্রথমত, ইহুদিদের এই চরম সাফল্যের পেছনে তিনটি প্রধান কারন আছে। প্রথমটি, শিক্ষা। শিক্ষার ব্যাপারে ওরা আপোষহীন। তিনবছর বয়স থেকেই একটা ইহুদি শিশুকে ওদের আলিফ বা তা সা শেখানো শুরু হয়ে যায়। শেখানো হয় ইহুদি হালাকা (দ্বীনি শিক্ষা), ইহুদি ধর্মের আইন কানুন, ধর্মীয় নীতি ইত্যাদি। ওদের ধর্ম সম্পর্কে জানতে গেলে বিস্মিত হয়ে যাবেন ইসলামের সাথে মিল দেখে। একদিন ওদের কিছু আচার আচরণ রীতি নীতি নিয়ে আলাদা পোস্ট দিব। আপাতত ওদের সাফল্যের রহস্য ফাঁস করা যাক।
তা ওদের প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরুই হয় ধর্মীয় শিক্ষার মধ্য দিয়ে। একই সাথে চলে সাধারণ শিক্ষা। যে কারনে আমরা দেখতে পাই, জাতিগতভাবে ইহুদিদের একষট্টি ভাগেরও বেশি ছেলেমেয়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। বিশ্বের অন্যান্য জাতির মধ্যে যে সংখ্যা মাত্র চৌদ্দভাগ বা তারও কম। উচ্চশিক্ষার (পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন) হারের দিক দিয়ে বিশ্বের সব জাতির তুলনায় মুসলিম এবং হিন্দুরাই সবচেয়ে নিচে অবস্থান করছে। এখন আপনারাই বলেন, এই জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার প্রয়োজন আছে? এই ধরণের উক্তি করা, ও এই ধরণের উক্তি বিশ্বাস করাটাইতো প্রমান করে আমাদের শিক্ষাদীক্ষার অবস্থা কতটা করুন।
যাই হোক, ইহুদিদের "শিক্ষা" ইহুদিদের ধর্মেরই একটি অঙ্গ। ওদের শরিয়ার নিয়ম হচ্ছে, একজন পিতাকে অবশ্যই তাঁর পুত্রকে এমনভাবে শিক্ষিত করতে হবে যেন সে নিজের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে। একে ওরা "ট্রেড" বলে, যার মানে "চাকরি/কাজ/জীবিকা।" সেটা ডাক্তার বানাতে পারেন, বিজ্ঞানী বানাতে পারেন, ব্যবসায়ীও বানাতে পারেন। এটিই ওদের সফলতার দ্বিতীয় প্রধান কারন। যে যার জীবিকার ব্যপারে শৈশব থেকেই শিক্ষিত হয়ে গড়ে উঠে।
এখন আমরা আমাদের দিকে একটু তাকাই। যেহেতু আমাদের তিন ধর্মেরই আল্লাহ/ঈশ্বর/গড এক, কাজেই নির্দেশও একই হবার কথা, নাকি? তা কুরআনের প্রথম নাযিলকৃত বাণীর মধ্য দিয়ে আল্লাহ সেই নির্দেশনাই দিয়েছেন। "পড়!" ভাল করে লক্ষ্য করুন, প্রথম নাযিলকৃত আয়াতগুলোর মধ্যে আল্লাহ দুইবার পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একটি, যা আল্লাহ শিখাবেন, মানে কুরআনের শিক্ষা। এবং দ্বিতীয়টি কলমের মাধ্যমে যে শিক্ষা প্রচার হয়েছে, মানে সাধারণ বিদ্যা। অতি সহজ সরল নির্দেশ। মুসলমানের বাচ্চা হয়ে জন্মালে অবশ্যই পড়ালেখা করতে হবে! কিন্তু না, তুই তারপরেও তোর প্রভুর নির্দেশ অমান্য করে পড়ালেখা বাদ দিয়ে মূর্খের কথা শুনে মেনে নিজেতো ডুবছিস, সাথে গোটা জাতিকেও ডুবাচ্ছিস। আমাদের মূর্খতা কোন পর্যায়ে গেছে সেটা সামান্য মুখ খুললেই বেরিয়ে আসে। "নীল আর্মস্ট্রং চাঁদে গিয়ে আজান শুনেছিলেন" "ঈমানদারদের করোনা হবেনা" "মাস্ক পরা লাগবে না" "করোনা টিকা নিলে ঈমান ধ্বংস হয়ে যাবে" ইত্যাদি ইত্যাদি যাবতীয় কথাবার্তা আমাদের তথাকথিত "আলেমদের" মুখ থেকেই বেরিয়েছে। আমাদের ধ্বংসের পেছনে ইহুদি নাসারা ষড়যন্ত্রের কিছু নেই। ওরা ওদের প্রভুর নির্দেশ মানছে, আমরা মানছি না, এই যা। ভাল করে লক্ষ্য করুন, মিথ্যা না বলা, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা, বর্ণবাদবিরোধী কার্যক্রম, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ইত্যাদি ইত্যাদি সবই কুরআনের নির্দেশ। একই নির্দেশ তাওরাতেও আছে, বাইবেলেও আছে। এখন বিশ্বের দিকে চোখ ফেরান। কারা মানছে আর কারা মানছে না? "আমি মুসলিম" বললেই আমি মুসলমান হয়ে গেলাম? অন্যের দিকে দোষ চাপানোর আগে চিন্তা ভাবনা করতে থাকেন।

এখন আসা যাক ওদের সফলতার তৃতীয় ও শেষ কারনে। সেটি হচ্ছে ঐক্য, আর বিজনেসের ভাষায় বলতে হলে নেটওয়ার্কিং। দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে ওদের কোন নিজস্ব দেশ নেই, গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছে ওরা। তারপরেও এক ইহুদি আরেক ইহুদিকে ভাইয়ের মতন ভালবাসে। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখেছে বছরের পর বছর। শতাব্দীর পর শতাব্দী। ওদের নেটওয়ার্ক এতটাই শক্তিশালী যে ইউরোপের ইহুদীর সাথে যোগাযোগ আছে আমেরিকান ইহুদীর, এবং সাউথ আমেরিকান ইহুদীর, এবং আরব ইহুদীর। এইটা ফেসবুক পূর্ববর্তী যুগের কথা। যখন যোগাযোগের মাধ্যম ছিল চিঠিপত্র। ওরা ঠিকই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করেনি। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কোন ইহুদি কোন নতুন দেশে গেলে ঠিকই খুঁজে অন্যান্য ইহুদিদের বের করে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন করে। ইহুদিরাই প্রথম জাতি যারা গ্লোবাল নেটওয়ার্কিং সৃষ্টি করেছে। এখন দয়া করে একটু নিজেদের আল্লাহ এবং নবীর নির্দেশগুলির কথা স্মরণ করুন। বদরের এবং ওহুদের যুদ্ধে আল্লাহ চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন একতাবদ্ধ থাকলে কি হয় এবং বিচ্ছিন্ন হলে কি হয়। তারপরেও আমাদের আক্কেল আসেনাই, আক্কেল এখনও আসেনা। ভবিষ্যতেও আসবে না।
ইহুদি ধর্মানুযায়ী, এক ইহুদি আরেক ইহুদীর দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত। যেকারনে পৃথিবীতে একটাও গৃহহীন বা ফকির ইহুদীর দেখা আপনি পাবেন না। ওরা ঠিকই একজন আরেকজনকে টেনে তুলে আনে। শুনেছি নিউইয়র্কে ইহুদিদের যাকাত নাকি এইভাবে দেয়া হয় যে সমস্ত কমিউনিটির যাকাত এক জায়গায় সংগ্রহ করা হয়। যে নিঃস্ব, যার যাকাতের প্রয়োজন হয়, তাঁকে বিরাট অংকের টাকা দিয়ে দেয়া হয়। এর ফলে রাতারাতি সে মিলিওনেয়ার হয়ে যায়, এবং পরের বছরেই সে নিজেই যাকাত দিয়ে অন্যকে উঠিয়ে দেয়।
মুসলিমদেরও একই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন। আমাদের দৌড় "যাকাতের কাপড়" হিসেবে সস্তা ফালতু ত্যানা বিলি করা পর্যন্তই।
মুসলিমদের মতই ইহুদিদেরও সুদ খাওয়া হারাম। তবে ইহুদিরা সেই নিয়ম শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে। এর মানে হচ্ছে, এক ইহুদি আরেক ইহুদিকে ঋণ দিলে সুদ নিতে পারবে না। ওরা কট্টরভাবে এই নিয়ম মেনে চলে। আর আমাদের অবস্থা? হাহাহা। ব্যাংকের কথা নাই বা বললাম। আপনি সুদ ছাড়া ঋণ দেন, আপন আত্মীয়কেই দেন। মেরে দিবে। সততা বলে একটা বস্তু যে আছে, সেটা আমরা জানিই না। আর আমরা দাবি করি সব ইহুদি নাসারা ষড়যন্ত্র!
নেটওয়ার্কিং বিষয়ে ইহুদিদের বাস্তব উদাহরণ দেই। হলোকাস্টের পরে আমেরিকার নিউ জার্সিতে আশ্রয় নেয়া একদল ইহুদিকে তাঁদের কমিউনিটির নেতা (রেবাই) ঘোষণা/নির্দেশ দেন প্রতিটা পরিবার যেন আলাদা আলাদা জীবিকা বেছে নেন। ফলে কেউ নাপিত হয়ে গেলেন, কেউ হলেন মুচি, কেউ ডাক্তার, কেউ দোকানদার, কেউ বাবুর্চি। এবং ওরা নিজেরাই নিজেদের ব্যবসায়ে একেকজন কাস্টমার হয়ে গেলেন। একে অন্যের উপর নির্ভরশীল, এবং কেউই অন্য কোথাও যান না। আমি যদি ইহুদি একাউন্ট্যান্ট হই, তবে একাউন্টিং সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যা নিয়ে অন্যান্য ইহুদিরা আমার কাছেই আসবেন, এবং আমি অসুস্থ হলে কেবল ইহুদি ডাক্তারের কাছেই যাব, খেতে হলে কেবল ইহুদি রেস্টুরেন্টেই যাব, এবং চুল কাটতে হলে ইহুদি সেলুনে। সেই সাথে বাইরের কাস্টমারতো আছেই। এর ফলে যা ঘটছে তা হচ্ছে, বাইরের কমিউনিটি থেকে ইহুদিদের কাছে টাকা আসছে ঠিকই, কিন্তু ওদের কমিউনিটি থেকে সেই টাকা সহজে বেরুচ্ছে না। এবং মাত্র কয়েক বছরেই এই কমিউনিটি ধনী হয়ে গেল। একই ঘটনা গোটা বিশ্বজুড়ে যেখানে যেখানে ইহুদি আছে, সব জায়গাতেই ঘটছে।
আর আমাদের অবস্থা? বাঙালি দোকানে পেঁয়াজের দাম পাউন্ডে দশ পয়সা বেশি, আমরা চলে যাই ইন্ডিয়ান দোকানে। আর পহেলা বৈশাখ বা অন্যান্য যেকোন প্রোগ্রামে স্পন্সর প্রয়োজন হলে এই বাঙালি ব্যবসায়ীদের কাছেই গিয়ে নির্লজ্জের মতন হাত পাতি। ইন্ডিয়ানরা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের বৈশাখ টইশাখ বা অন্য কোন অনুষ্ঠানেই পয়সা খরচের আগ্রহ দেখায় না। আর ওরা ওদের বাজার ওদের দোকান ছাড়া করেও না। ফলে আমাদের পয়সা ওদের পকেটে যাচ্ছে ঠিকই, আমাদের কাছে আসছে না। আমাদের কমিউনিটির পয়সা আমাদের মাঝে না রেখে আমরা ইন্ডিয়ান, চাইনিজ, আমেরিকানদের দিয়ে দিচ্ছি। বাঙালি বাদ দিয়ে মুসলিমদের কথা চিন্তা করলেও ঘটনা একই ঘটছে। ইসমাইলি (আগাখানি) কমিউনিটি ছাড়া আর কোন মুসলিমদের মাঝেই এই ঐক্য দেখা যায় না। যে কারনে ইসমাইলিদের সবসময়েই দেখবেন ধনী, পয়সাওয়ালা। ফকির মিসকিন যা পাবেন সবই "সুন্নি" মুসলমান। আর আমরা আউরাই "ষড়যন্ত্র থিওরি!"
তাহলে এখন বুঝলেনতো, কেন ইহুদিরা এত সফল? ১. শিক্ষা ২. চাকরি/কাজ এবং ৩. ঐক্য। সেই সাথে ওরা ওদের ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে। কাউকে ঠকায় না, কাস্টমারকে খাসির মাংস বলে কুকুরের মাংস খাওয়ায় না, ঈদের সময়ে বখশিশের নামে জোর করে টাকা আদায় করেনা, ঘুষ দুর্নীতি করেনা, ভাংতি পাঁচ টাকার বদলে লজেন্স ধরিয়ে দেয়না। এই বিষয়গুলোতে ফোকাস করুন, আপনিও সফল হবেন। আল্লাহ নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছেন, মেনে চলেন, ঠিক যেভাবে ওরা মানছে। কেউ ষড়যন্ত্র করে তখন আপনাকে দাবাতে পারবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:০৪
১৪টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×