somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

''একটি রাজ কন্যার গল্প''

০৮ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ১২:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
''একটি রাজ কন্যার গল্প''



আস্সালামু আলাইকুম, আংকেল/আন্টি!!!

আমি আফরিন হোসেন । বাবা আমাকে আদর করে রাজকন্যা বলেই ডাকে, আমার বয়স এখন ৭ বছর। আমি এখন অনেক বড় হয়ে গেছি, আগের মত কথা বলার সময় তেমন তুতলে যাইনা। তাছাড়া পৃথিবীর বাস্তবতা টা কি তাও কিছুটা বুজতে শিখেছি। শুধু পৃথিবী টা দেখতে কেমন হয় তাই এখনো জানা হয় নি। শুধু জানা হয় নি আমার বাবা টা দেখতে কেমন, শুধু জানা হয়নি আমার আম্মু টা দেখতে কেমন!!

জানেন! ইদানিং আমার বাবা টার কি যেন হয়েছে শুধু কান্না করে আর আমার থেকে দূরে সরে থাকে। আমি আমার বাবা টা কে অনেক ভালোবাসি, অনেক অনেক অনেক ভালোবাসি বাবা টা কে। বাবাও আমাকে অনেক ভালোবাসে আমাকে অনেক আদর করে কিছু হলেই বাবা আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমো খায়। আর আমার তো বাবা কে ছাড়া রাতে ঘুম ই হয় না। কিন্তু!!!...

বাবা টা না কয়েক মাস যাবৎ অনেক পচাঁ হয়ে গেছে। আগের মত আমাকে আদর করে না, আমার সাথে খেলতেও আসে না, আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমোও খায় না বাবা টা সত্যি ই অনেক পচাঁ...আচ্ছা আপনারাই বলেন আমি চোখে দেখতে পাই না এইটা কি আমার দোষ! এইটা মোটেও আমার দোষ না!! তাহলে কেন বাবা টা আমার সাথে এমন করে আমার থেকে দূরে দূরে থাকে কেন?

আফরিনের বাবা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। সমান্য চাকুরী দিয়ে তিনি অনেক দুর এগিয়েছেন কিন্তু সফল হতে পারেননি। তাই হয়তো আফরিন এর বাবা টা এমন হয়ে গিয়েছে যে কিনা তার রাজ কন্যার কাছে আসার সাহস টুকুও হারিয়ে ফেলেছে।
কেননা-
২০০৯ সালে যখন আফরিন এর বয়স দেড় বছর তখনই চোখে ক্যান্সার (Retino Blastoma) ধরা পড়ে। সেই থেকে চিকিৎসা শুরু হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া হয়। অবশেষে ইন্ডিয়ার সংকর নেত্রালয়ের (Dr. Vikas Khetan) তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করানো হয়। ২০১০ সালের জানুয়ারী থেকে ২০১৪ পর্যন্ত জমি বিক্রয় করে ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণ করে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু কিচ্ছু লাভ হয়নি। বাম চোখটি তুলে সেখানে পাথর বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডান চোখটিও যায় যায় অবস্থা। সেটি ভালো রাখতে আরো ২০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।

না আর কিছু বলতে পারছি না আমাকে মাফ করবেন। বাবা আর মেয়ের এই বিচ্ছেদময় অবস্থান আর কল্পনা করা যায় না আর ভাবা যায় না মেয়ের থেকে বাবার পালিয়ে চোখের জল লুকানোর অবাধ্য চেষ্টা।
আচ্ছা আপনার রাজ কন্যা টি ভালো আছে তো? আপনার রাজ কন্যার থেকে তো আপনাকে দূরে পালাতে হয় না, তাই না? সত্যিই আল্লাহ তোমার যত খেলা তা গরীব অসহায় রাজ কন্যাদের বেলা।

যাই হোক আল্লাহর কাছে অসংখ্য শুক্রিয়া যে আমার আপনার আমাদের রাজ কন্যারা ভালোই আছেন। এখন শুধু দেখার বিষয় আফরিন রাজ কন্যাটির জন্য আমরা কি করতে পারি। আমাদের কত টি বিবেক এগিয়ে আসে এই বাবা-মেয়ের অসহায়ত্ব কে দূর করতে।।

আফরিনকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ
বিকাশ- আফরিনের বাবা
01750256607 (Personal)
01794013834 (Personal)
01757401623 (Personal)
01867200010 (Personal)
01738906050 (Personal)
01992319905 (Personal)

দেশের বিভিন্ন জেলায় গঠিত টিম মেম্বাররা যে ফান্ড কালেকশন করেছেন তা শুধু 01816656455 (Personal) (ইভেন্ট হোস্ট মুন্না) এই নাম্বারে বিকাশ করবেন। এতে বিভিন্ন জেলার ক্যাম্পেইনের নির্দিষ্ট হিসাব থাকবে।

ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং নং- 018672000107(Personal)
ব্যাংক হিসাব :
আমজাদ হোসেন
সঞ্চয়ী হিসাব নং- 100151556
সোনালী ব্যাংক, মেহেরপুর।
যোগাযোগ করতে পারেন:
মোঃ আমজাদ হোসেন
প্রধান শিক্ষক
কুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,
মেহেরপুর।
মোবাইল:- 01757401623

যেকোন তথ্যে যোগাযোগ-
01757401623 (আফরিনের বাবা)
01990903990 (আনন্দ)
01950284855 (মুন্না)
01875215481 (ফিরোজ)

জেলাসমূহের টিম লিডারের নাম ও নাম্বারের তালিকাঃ

১) ঢাকা- তৃষা ( 01794013834 )
২) সাভার- রাশিব আহমেদ ( 01680564392)
৩) নারায়নগঞ্জ- মেঘ (01943105717)
৪) গাজীপুর- মুক্তাদির ( 01686035331)
৫) কুমিল্লা (বিভাগ)- মাহাবুব (01839637539)
৬) চট্টগ্রাম (বিভাগ)- জুয়েল (01828407330)
৭) বরিশাল- শাহাদাত হোসেন (01797841166)
৮) সিলেট- মুন্না ( 01767547576)
৯) মেহেরপুর- মিরাজ ( 01715-544344)
১০)সিরাজগঞ্জ- Sinthiya Ahmed (সঙ্গত কারনে নাম্বার প্রকাশ করা হলো না। যাদের লাগবে তারা আইডিতে নক দিন)
১১) বগুড়া- Sinthiya Ahmed (সঙ্গত কারনে নাম্বার প্রকাশ করা হলো না। যাদের লাগবে তারা আইডিতে নক দিন)
১২) ময়মনসিংহ- তানভীর ( 01981896053)
১৩) সুনামগঞ্জ- সুজন (01686841806)
১৪) মৌলভীবাজার- তানজীম জয় (01931452241)
১৫) কুষ্টিয়া- সাকিব ( 01740197767)
১৬) নোয়াখালী- ফিরোজ ( 01875215481) ১৭) রামগড়- সৃজন (01794526758)
১৮) টাঙ্গাইল- সায়েম (01764991618)
১৯)রংপুর - সায়েম সাদিদ (01715-544344
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ১:০১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্য ৭-গ্রেডভিত্তিক ন্যায়সংগত সরকারি বেতন ও প্রশাসনিক সংস্কার একটি প্রস্তাবিত নীতিপত্র

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


ন্যায়সংগত পারিশ্রমিক, বেতন বৈষম্য হ্রাস, মেধার মূল্যায়ন এবং দক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি সমন্বিত প্রস্তাব

বাংলাদেশের সরকারি বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ২০টি গ্রেডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ যখন মানুষটা চলে যায়

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩




স্ত্রী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মানুষের মাথায় কী কী চিন্তা আসে আমি জানি না। কেউ হয়তো প্রথমে রাগ করে। কেউ ভেঙে পড়ে। কেউ সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২


নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ অদৃশ্য পাতায় লেখা ছিল যে

লিখেছেন সামিয়া, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২১



আমি একটা বায়িং হাউসে চাকরি করতাম। তখন জীবনটা খুব সাধারণ ছিল। সকালবেলা অফিস, সারাদিন কাজের চাপ, সন্ধ্যায় বাসায় ফেরা। ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়ে নিয়ে তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×