somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিচারের রায় শুনে এরা বাকরুদ্ধ

১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এখন এরা বোবা
মুজিব হত্যার বিচারের পরও এরা বোবা ছি্ল।
যুদ্ধাপরাধীদের ফাসি হওয়ার পর এরা সুধু বাকরুদ্ধ না মুর্ছা গেছিল।

যুক্তফ্রন্ট এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া জনগণকে প্রথমদিকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল, নতুন ধরনের রাজনীতি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল।
আমিও খুসি ছিলাম আওয়ামীদের চ্যালেঞ্জ করার মত মুক্তিযুদ্ধ পক্ষের একটি শক্তি গড়ে উঠছে ..
কিন্তু দিন শেষে দেখাগেল লেজুরবৃত্তি প্রতিযোগিতা শুরু হয়েগেছে। শুরু না হুমরি খেয়ে পরছে
কিন্তু ক্ষমতার মোহে যাঁরা নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দেয়, তাঁদের আদর্শ নিয়েই কি প্রশ্ন ওঠে না।
এদের হাতে পড়ে এই রাষ্ট্র কি পুনরায় আফগান হবে? না এরা পাকিদের বাফার স্টেটে পরিণত করতে বদ্ধ পরিকর।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা বিচারের রায় শুনে এরা বাকরুদ্ধ।


বিদেশী হত্যা, ব্লগার হত্যা, তাবেলা হত্যা, হলি আর্টিজান হামলা ইত্যাদি দেখে বোঝা গেছিল তারা একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা (বিম্পি-জামাতের বিদেশী খ্যাদানো) বাস্তবায়ন করছিল। ভয় দেখিয়ে বিদেশী খ্যাদাও, মেট্ররেল, জাইকা টিম, ইটালিয়ান ইনভেষ্টার গ্রুপ হত্যা করে আতঙ্ক শৃষ্টি করে বাংলাদেশকে দেউলিয়া ভিকিরিদের দেশ বানিয়ে সরকার পরিবর্তন।
কথিত আইএস জঙ্গি (নব্য জেএমবি) আইএস নিউজ প্রচারক ইসরাইলি রিটা কার্জ ও বিম্পি-জামাট ভাই ভাই। এসব ২০১৬ তেই প্রমান হয়েছিল।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা রায়ে আরো নিশ্চিত হল হরকত-মুফতি, বিম্পি-জামাট, জেনারেল, ব্রিগেডিয়ার, মাজেদ ভাট, এনএসআই আইএসাই পাকিস্তান, হাফেজ মৌলানারা সবাই ভাই ভাই।

রাষ্ট্রিয় এনএসআই-ডিজিএফআই-এসবি'র মতো সংস্থা জড়িত ছিল দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায়। এদের সাথে আইএসআই'এর যোগসূত্রের প্রমাণও সুষ্পষ্ট। যুদ্ধপোরাধের দন্ড ফাঁসিতে মৃত্যুবরনকারী মন্ত্রী নিজামী এই মামলাও ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত। ২১শে অগাস্টের হত্যাযজ্ঞে স্বরাষ্ট প্রতিমন্ত্রীর ফাঁসির রায় হইছে।
এইগুলার হোতা তারেক। তাকে বাঁচাইতে গিয়ে তাঁর মা খালেদা সাক্ষী-সবুত-আলামত সরিয়ে তদন্ত ভিন্ন খতে নিয়েছে। তারক সরকারের কোন পদে ছিলনা, অতচ খালেদা রাষ্ট্রযন্ত্র-সরকার-দল সর্বোপরি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়-দায়িত্ব সব তাঁর কুলাঙ্গার পোলারে দিয়া নাকে তেল দিয়া ঘুমাইতেছিল।
রাষ্ট্র যেন আবার তারেক-মামুনের মতো লোকের পকেটজাত হয় সেটার জন্য উম্মাদ হয়ে গেছে কামাল-মান্না-মইনুল-বদুরা ।
তারেককে নেতা মেনেই তারা সব মিটিং করছে,

দুঃখজনক হলেও সত্যি, এটা না হলে আবার নির্বাচন পক্ষপাতের দোষে দুষ্টু হয়ে যাবে সুশীল-বাম-সুজন- যুক্তফ্রন্ট। এদের কাছে তারেক তাই 'নিষ্পাপ'।

সকল জঙ্গি হামলা, কশাই, খুনে, মানুষ পোড়ানোর মামলা-মোকাদ্দমা উঠিয়ে দিয়ে এই সকল লোমহর্ষক ঘটনাবলীর সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের ছেড়ে দিলে নাকি হবে–লেভেল প্লেইং ফিল্ড।

ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্না এবং সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর তাঁরা প্রত্যেকেই প্রতিবাদ করেছিলেন। এদের একজন ঘটনাস্থল বঙ্গবন্ধু এভিন্যুতে ছিলেন। তাঁর শরীরেও স্প্রিন্টার লেগেছিল। এরা সবাই বলেছিলেন, এক হাসিনা হতার জন্য ২৭ জন হত্যা, এটা জঘন্য হত্যা ঘটনা। এর সুষ্ঠু বিচার হওয়া প্রয়োজন। অথচ ঘটনাচক্রে আজ গ্রেনেড হামলার বিচার শেষে রায়ের দিন এরা নীরব বাকরুদ্ধ।

যেই বিএনপি-জামাতের নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটেছিল সেই তাদের অনুকম্পার অপেক্ষায় এরা। সন্ত্রাসের রক্ত রঞ্জিত হাতে সেই বিএনপি-জামাতের সঙ্গেই হাত মেলাতে উদগ্রীব

আজ বুধবার রায়ের পর ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বলেন, এই রায় নিয়ে আমি এখন মন্তব্য করতে পারবো না। আমি রায় পড়িনি।’ অথচ এই কামাল হোসেনই হামলার পরের দিন ২২ আগস্ট এক বিবৃতিতে ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছিলেন।



এখন এরা বোবা
মুজিব হত্যার বিচারের পরও এরা বোবা ছি্ল।
যুদ্ধাপরাধীদের ফাসি হওয়ার পর এরা সুধু বাকরুদ্ধ না মুর্ছা গেছিল।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:১৫
১২টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অবশেষে শেষ হলো! কিন্তু তিনি ফিরবেন কবে?

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ২০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৫

আমি সর্ব প্রথম আগ্রহ নিয়ে ফুটবল ওয়ার্ল্ডকাপ দেখেছিলাম ১৯৯৮ তে। তখন আমি ক্লাস ৮এর ছাত্র।



আমার বড় ভাইয়ের তখন ফ্রান্সে যাবার কথা আমার আম্মার এক আত্মীয়ার বরের ব্যবসা ছিলো ফ্রান্সে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অহনার কীর্তিকলাপ, কিংবা পাগলামি, কিংবা ভালোবাসা

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:২১

অহনা খুব জ্বালাতন করতো, অর্থাৎ খুব জ্বালাত,
বা বিরক্ত করতো আমাকে, যেমন, হঠাৎ হঠাৎ মাঝরাতে
মোবাইলে কল করে বলতো, ‘তুই যে ঘুমিয়েছিস, ঘুমানোর
আগে কি আমার কথা ভেবেছিস? বল, কতবার ভেবেছিস?
তাহলে একবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

FIFA বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর ফাইনাল খেলা নিয়ে আমার সামান্য কিছু কথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:২৮

গতকালের FIFA বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর ফাইনাল খেলায় মেসি অত্যন্ত নিষ্প্রভ ছিলেন। দর্শকদের তাকে মাঠে খুঁজতে হয়েছে, তিনি তার চিরাচরিত স্বভাব অনুযায়ী এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে, মাঠের সর্বকোণে বল... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেতনা, ৭১ , পাকিস্তান ঘৃনা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০৫


যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভিয়েতনাম দুটো দেশের অর্থনৈতিক যাত্রা শুরু হয় প্রায় একই সময়ে কিন্তু তুলনামূলক ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে ভালো ছিল। বাংলাদেশে ছিল অনেক ভারী... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকে আমার মন ভালো নেই

লিখেছেন সামিয়া, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৯



দুঃখের সময়ে নানান মানুষের কথা মনে পড়ে। খুব কাছের মানুষের কথা মনে পড়ে আবার অনেক দূরের মানুষের কথাও মনে পড়ে। রক্তের আপন মানুষের কথা তো মনে পড়েই তবু একদিন কীভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×