বর্তমান সরকারের কঠোর পদক্ষেপ এবং সুদক্ষ নেতৃত্বের ফলে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ। প্রথম ধাপে মাটি পরীক্ষা বা সয়েল টেস্টের কাজ অনেক দূর এগিয়ে চলছে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে মূলত ১২টি ট্রায়াল পাইলিং বা পরীক্ষামূলক মূল ভিত্তির কাজ করা হবে। এ কাজটির জন্যই মাটি পরীক্ষা করা হয়েছে।। একই সঙ্গে চ্যানেলও লাগবে। যেসব স্থানে ট্রায়াল পাইলিং বা মূল ভিত্তি হবে সেগুলোয় পানি থাকতে হবে। এজন্য ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে চ্যানেল করা হচ্ছে। দুটি ট্রায়াল পাইলের মাটি পরীক্ষার কাজ এরই মধ্যে শেষ। ১২টি ট্রায়াল পাইলিং হ্যামারও তৈরি করা হচ্ছে সিঙ্গাপুরে। মাটি পরীক্ষা ও চ্যানেল তৈরির কাজ শেষ হওয়ার আগেই এসব হ্যামার পদ্মাপাড়ে পৌঁছে যাবে। ট্রায়াল পাইলিং বা পরীক্ষামূলক মূল ভিত্তির কাজ শেষ হওয়ার পর পরই শুরু হবে পদ্মা সেতুর মূল পাইলিং বা মূল ভিত্তির কাজ। স্টিলের তৈরি ১০ ফুট ব্যাসার্ধের এই পাইলিং করা হবে হ্যামারের সাহায্যে। তিন হাজার টন ওজনের এই হ্যামার তৈরি হচ্ছে জার্মানিতে। তৈরিতে সময় লাগে ১০ মাস। শিগ্রই এই হ্যামার আসবে পদ্মাপাড়ে। তার পরই শুরু হবে মূল ভিত্তি নির্মাণ। অর্থাৎ সাব-স্ট্রাকচার (পানির নিচের স্ট্রাকচার) তৈরির কাজ। নির্মাণ হবে ৪১টি কলাম। থাকবে ২৪০টি স্টিল পাইল। আর নদীর দুই পাড় মাওয়া ও জাজিরা অংশে থাকবে ২৪টি কংক্রিটের পাইল বা মূল ভিত্তি, যার ওপর দাঁড়িয়ে থাকবে প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুটি। এরপর তৃতীয় ধাপে শুরু হবে সেতুর ওপরের মূল কাঠামো তৈরির কাজ। একে বলা হয় সুপার স্ট্রাকচার। তৃতীয় ধাপের এই কাজের জন্য সব যন্ত্রাংশ তৈরি হচ্ছে চীনে। স্টিলের এই যন্ত্রাংশ দিয়ে পদ্মা সেতু কনস্ট্রাকশন এলাকায় তৈরি করা হবে জালি। নাট-বল্টু লাগিয়ে এখানে ফিটিং করা হবে। তারপর বসানো হবে সেতুর ওপরের অংশে। বর্তমান সরকার ও জনগনের এটাই প্রত্যাশা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরেই পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া যাবে।
বহুল আলোচিত দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলাদেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের পদ্মাসেতু স্বপ্নের বাধ ভেঙ্গে ২০১৮ সালের মধ্যেই খুলে দেওয়ার জন্য সকল কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সরকার (পর্ব-২)
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
রম্য: পর্নের সেকাল একাল!
গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন
জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন
শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....
এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
উচ্চবংশীয় ছাগল!

এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।