somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বাধীনতা মানে হিন্দি গানে বাংলা ড্যান্স

২৪ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস।ছোটবেলায় এই দিনটার অপেক্ষায় থাকতাম।যখন স্কুলে পড়তাম তখন দেখতাম মার্চ মাস আসলেই আমাদের স্কুলে খেলা ধুলা সহ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের রিহার্সেল শুরু হয়ে যেত।সবাই প্রস্তুতি নিত কে কোন খেলায় নাম দিবে,কে কোন কবিতা-গান গাইবে।আমি একটু লাজুক ছিলাম যার কারনে খেলাধুলা কিম্বা গানের অনুষ্ঠানে কখনই নাম লেখাতাম না।তবে সবার গান শুনতাম।আর পরে সারাদিন সেই সব গান গুন গুন করে গাইতাম।এই পদ্মা এই মেঘনা,সূর্যদয়ে তুমি সূর্যঅস্তেও তুমি,এই পৃথিবীর পরে কত ফুল ফোটে আর ঝরে..আরও কত গান।গজলও গাওয়া হত।এই সুন্দরও ফুল এই সুন্দরও ফল,ও রহমান তুমি আমায় রহম কর,মাগো তুমি আমার আগে যেও না গো চলে...।
কেরাত পাঠ,কবিতা আবৃতি,গজল,গান আর সব শেষে থাকতো নাচ।আমার একটা মামাতো বোন শুকনো পাতায় নূপুর পায়ে..এই গানে নাচতো খুব ভাল লাগত।তার নাচ আজও মনে পড়ে খুব।আরও নাচ হত,খুচুর খুচুর করতে গিয়ে হাত কেটে ফেলেছি আমি এক পাকা রাধুনী হয়েছি..,দোল দোল দোলনী রাঙা মাথায় চিরুনি হাট থেকে এনে দেব মান তুমি করনা...এমন সব মিষ্টি গানে।
স্কুলের সেই সব স্বাধীনতার অনুষ্ঠানের রেস মনের মাঝে গেথে থাকতো অনেক দিন।সেই সব দিনের কথা মনে হলে এখনও মনের মধ্যে খুশির ঝিলিক দেখতে পায়। তারপর আস্তে আস্তে দেখলাম স্বাধীনতার অনুষ্ঠানে হিন্দি গান বাজিয়ে ছেলে মেয়েরা বাজে নিত্য করছে।ধুমা চালে ধুমা চালে ধুম...
স্কুলের শিক্ষকরা কেমন বুঝি না,পালন করছে স্বাধীনতা অনুষ্ঠান সেই অনুষ্ঠানে হিন্দি গান বাজিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নাচার অনুমতি দেয় কি ভাবে?
এখন স্বাধীনতার মানে আমার মনে হয় হিন্দি গানে বাংলা ড্যান্স তা না হলে এ সব অপসংষ্কৃতি আমাদের দেশে চলে কি করে।
এবার স্বাধীনতা দীবসে খেয়াল রাখবেন দেখবেন আপনার আশে পাশের কোন স্কুলে হিন্দি গানে বাংলা ড্যান্স হচ্ছে কিনা,হলে কয়েক জন বন্ধু নিয়ে সেখানে যান এবং স্যারেদের কাছে এর প্রতিবাদ করুন।কারন স্কুলে স্যারেরা অনুমতি না দিলে তো আর ছাত্র-ছাত্রীরা এসব করছে না।
আমাদের স্বাধীনতার সত্য মানেটা বুঝতে হবে এবং সেই সত্য মানেটা বুকে ধারন করে এগিয়ে যেতে হবে সামনে।
সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের অগ্রিম শুভেচ্ছা রইল।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:৫৬
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্য ৭-গ্রেডভিত্তিক ন্যায়সংগত সরকারি বেতন ও প্রশাসনিক সংস্কার একটি প্রস্তাবিত নীতিপত্র

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


ন্যায়সংগত পারিশ্রমিক, বেতন বৈষম্য হ্রাস, মেধার মূল্যায়ন এবং দক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি সমন্বিত প্রস্তাব

বাংলাদেশের সরকারি বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ২০টি গ্রেডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ যখন মানুষটা চলে যায়

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩




স্ত্রী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মানুষের মাথায় কী কী চিন্তা আসে আমি জানি না। কেউ হয়তো প্রথমে রাগ করে। কেউ ভেঙে পড়ে। কেউ সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২


নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ অদৃশ্য পাতায় লেখা ছিল যে

লিখেছেন সামিয়া, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২১



আমি একটা বায়িং হাউসে চাকরি করতাম। তখন জীবনটা খুব সাধারণ ছিল। সকালবেলা অফিস, সারাদিন কাজের চাপ, সন্ধ্যায় বাসায় ফেরা। ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়ে নিয়ে তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×