somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“থার্টফাষ্ট নাইট”

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চলেগেলো ২০১৫, আগমন ২০১৬, প্রতিটা বছরই এভাবে কেটে যায় ।শুখে আর দুখে কাটুক কারোর জীবন থেমে থাকেনা।বছরের শেষ রাত এবং পরবর্তী বছরের প্রথম দিন হিসেবে সকলেই ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ রাতে একটু আনন্দ ফুর্তি করে থাকে,এই রাতটাকে একটু আলাদা ভাবে উদযাপন করে থাকে।যাকে এক কথায় বলা হয় “থার্টি ফাষ্ট নাইট”। ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ তাই বলা হয় থার্টি ফাষ্ট নাইট এটা একটি গানিতিক হিসাব।যে মাষে ৩১ তারিখ আছে তাকেই থার্টি ফাষ্ট নাইট বলা যায়।কিন্তু বছরে আরো তিনটি ৩১ তারিখ থাকলেও আমরা তাকে ““থার্টি ফাষ্ট নাইট”” বলে ডাকিনা।কারন উদযাপনের ধরনে একটু ভিন্নতা থাকার কারনে শুধু ৩১ ডিসেম্বর কেই থার্টি ফাষ্ট নাইট বলা হয়।এই রাতের উদযাপনের ধরন একটু ভিন্ন। লক্ষ কোটি টাকা খরচ করে আনন্দ ফুর্তি করলেও যদি সেখানে একজন ললনার অস্তিত্ব না থাকে তাহলে এই রাতটাকে মাটি মনে হয়।আজকের এই রাতের আনন্দ মানেই ললনা ভোগ। যারা আতস বাজিতেই সিমাবদ্ধ থাকে তারা আফসোস করে ““সালার কপালে নাইরে,রাতটাই মাটি”” বলে। সোহরাওয়ার্দির গেইটে শ্লিলতা হানির প্রতিবাদে যেই পুরুষ আর নারীর কন্ঠস্বর বলিষ্ট আওয়াজ দেয়,যেই নারি দাবি করে নারী স্বাধিনতার,নির্ভয়ে রাস্তায় চলতে পারার স্বাধিনতার,দাবি করে সমান অধিকারের, আজ সেই নারীই নির্দিধায় সেচ্ছায় বিলিয়ে দিবে নিজেকে, আর সেই পুরুষ তার অমৃত সুধা পান করবে তৃপ্তি সহকারে।আহারে শান্তি ..অাজ তার কোন ভয় নেয় ভয় করেনা সে যুবকের হুঙ্কার,কারণ আজ সে প্রস্তুত হয়েই এসেছে.। যেই নারী প্রতিবাদ করে শ্লীলতা হানির বিরুদ্ধে সেই নারি আজ বিলিয়ে দিবে নিজেকে, অথচ আজ তার শ্লীলতা হানি হয়না।এখন সত্য কথা বলতেই হয়..। আজ আমার মনে পড়ে সেই যুবকদের কথা যারা শোহরাওয়ার্দির গেইটে পহেলা বৈশাখে বীর দর্পে যুদ্ধে নেমে পরেছিল। আমি বলব আজ তোমরা আবার জেগে উঠো যুদ্ধ চালিয়ে যাও সারা বছর।দমন কর সেই রাজাকার দেরকে যার গোপনে পানি খায় আর প্রকাশ্যে বিচার দাবি করে ।ভালবেসে একজনকে বিলিয়ে দেয়া আর বিচার চেয়ে বলিষ্ঠ কন্ঠে ঘৃনা প্রকাশ করার এই নাটকের অভিনেতা অভিনেত্রী দের তোমরাই পারবে দমন করতে।“““জয় বাংলা””
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্য ৭-গ্রেডভিত্তিক ন্যায়সংগত সরকারি বেতন ও প্রশাসনিক সংস্কার একটি প্রস্তাবিত নীতিপত্র

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


ন্যায়সংগত পারিশ্রমিক, বেতন বৈষম্য হ্রাস, মেধার মূল্যায়ন এবং দক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি সমন্বিত প্রস্তাব

বাংলাদেশের সরকারি বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ২০টি গ্রেডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ যখন মানুষটা চলে যায়

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩




স্ত্রী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মানুষের মাথায় কী কী চিন্তা আসে আমি জানি না। কেউ হয়তো প্রথমে রাগ করে। কেউ ভেঙে পড়ে। কেউ সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২


নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ অদৃশ্য পাতায় লেখা ছিল যে

লিখেছেন সামিয়া, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২১



আমি একটা বায়িং হাউসে চাকরি করতাম। তখন জীবনটা খুব সাধারণ ছিল। সকালবেলা অফিস, সারাদিন কাজের চাপ, সন্ধ্যায় বাসায় ফেরা। ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়ে নিয়ে তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×