আমার নিজের ক্ষেত্রে উত্তরটা ভেবে প্রথমে মনে হয় যেখানে দুটোই থাকে সেইরকম জায়গা সবচে ভালো লাগে। যেমনটা পেয়েছিলাম মালয়শিয়ায়। তবে একটা পছন্দ করতে হলে হয়তো করবো পাহাড়।
পাহাড়ের প্রতি দূর্বলতা আবার টের পেলাম দার্জিলিংয়ে এসে। খুব অল্প সময়ে কোলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি হয়ে দার্জিলিংয়ে সব মিলিয়ে থাকলাম মাত্র দেড়দিন আর এক রাত। তাতেই কি মায়া পড়ে গ্যালো! ধ্যাত্তুরি এই ফিরে যাওয়া।
এখন লিখছি সিলিগুড়ি থেকে। ছোট্ট শহর। মানুষ জনের মুখের ভাষা অনেকটা পূর্ব বাঙ্গলার মতো কানে বাজলো। গেছি, খাইছি শুনলাম চায়ের দোকানে। দার্জিলিংয়ে এখনো অনেক শীত। সর্বনিম্ন ছিলো মাত্র 3 ডিগ্রি। প্রচন্ড কুয়াশায় কাঞ্চনজংঘা নিজেকে রহস্যে মুড়েই রাখলো, দেখা দেয় নি। আফসোস নেই। অনেকগুলো তিব্বতি বৌদ্ধ মন্দিরে ঘুড়ে বেড়ানোতো হলো। গেরুয়া পোষাকের বৌদ্ধ ভিক্ষুদের দর্শন হলো ঢের।
কলকাতায় ফিরে পাগলা চক্কর দেওয়া বাকি আছে। পাগলা চক্কর হলো একটা কোলকেতিয়া টার্ম, নতুন শেখা অনেকগুলোর মধ্যে একটা। এর মানে হলো উদ্দেশ্যবিহীন টো টো করে ঘুরে বেড়ানো। শুনেছি দক্ষিন ও উত্তর কোলকাতার ফ্লেভারের মধ্যে তফাৎ আছে। পাগলা চক্করে সেটা বোঝার চেষ্টা থাকবে।
বাকি আছে শেষদিনে বইমেলা ধরে কিছু বই কেনা। বাকি আছে কলেজ স্ট্রিটের পৃথিবী বিখ্যাত বইয়ের পাড়ায় ঢু মাড়া। আর কিছু মানুষজনের সাথে দেখা সাক্ষাৎটাও টুডু লিস্ট দখল করে আছে। । সিলিগুড়ি, ভারত।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


