somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভুলে ভরা ডাইরি

০১ লা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিজের কিছু কথা: আমার জীবনে যাদের আমি পছন্দ করেছি বা ভালবেসেছি, কেন জানি তাদের জন্য আমি কোনদিন কিছু করতে পারিনি। এই ব্লগেও তেমনি, যাদের পছন্দ করি তাদের ব্লগে তেমন কোন কমেন্ট করা হয়ে ওঠেনা। যেমন, রাশেদ, রাগ ইমন আপু, মানবী আপু, মানুষ, শরফু ভাই, বিহংগ, সুমন, উদাসী, কালপুরুষদা, মুকুল ভাই এবং আরও অনেকে। আমার এই লেখাটুকু তাদের উৎসরর্গ করলাম।

আর মানু আমার কোবতে প্যারডি করে আমার লগে যুদ্ধ ঘোষনা করছে। মানু রেডি থাইকো প্যারোডি আইতেছে। আমি এখন বদনা ফেলে কলম হাতে।

-------------------------------------------------


সেই প্রথম যখন স্বপ্ন দেখতে শিখি
তখন থেকেই অনেক কৃপণ আমি,
বুভূক্ষের মত সজ্ঞয় করেছি স্বপ্ন
বিন্দু বিন্দু ভালবাসায়।
একটি প্রজাপতি কিনবো বলে।

কখনো শালিকে ঠোঁট থেকে
ভালবাসা করেছি চুরি, কখনো
হেমন্তের কুয়াশা ভেজা ঘাস থেকে
ভালবাসা তুলে নিয়েছি পরম মমতায়।
অনেক কৃপণ ছিলাম আমি।

তারপর একদিন তার পায়ে
দিয়েছিলাম তুলে অর্ঘ থালা,
যেটুকু ছিল মোর সজ্ঞয়
আমার চোখের জল মুছে।
সেদিনি নিঃশব হয়েছিলাম আমি।



এই পর্যন্ত পড়ে ডাইরিটা বন্ধ করে দিল পরী। চোখটা কেমন যেন ঝাপসা হয়ে আসে। এই ডাইরিটা তার কাছে একটা অভিশাপের মত মনে হয়, তবুও এটা আগলে আছে অনেকদিন হয়ে গেল। অথচ একদিন এই ডাইরিটার প্রতিটি পাতায় তার স্বপ্নের রংগুলো রঙধনু হয়ে খেলা করতো। ডাইরিটা নীলের। পরী প্রতিমুহূর্তে নিজের সাথে যুদ্ধ করে নিজেকে ফিরে পাবার, তবুও জীবনে কিছু ঘটনা থাকে, যত দিন যায় তার স্মৃতিটা তত আপন হতে থাকে, আবার কিছু ঘটনা থাকে, যা এক সময় অনেক কষ্টের কারন হলেও সেই স্মৃতি আর স্মৃতি থাকে না, হয়ে যায় ম্লান, অর্থহীন।
পরীর আজ নীলের কথা ভীষন মনে পড়ছে। নীল নামটা ছদ্দনাম, তবুও পরী ওকে নীল বলেই ডাকতো। ওর একান্ত আপন; যে নীলের মতই অনেক রং নিয়ে এসেছিল ওর জীবনে, আবার সেই রং নিয়ে চলে গেছে পৃথিবী ছেড়ে। পরীর প্রতি নীলের ভালবাসায় কোন খাদ ছিল না, তাই পরী আজও ওর লেখা কবিতা গুলো পরম মমতায় আঁকরে ধরে আছে। নীল এই কবিতাটি লেখার সময় বলেছিল, “আমি সুর তুলে দিলাম, আর তুমি এই গান সারাজীবন গাইবে, কি পারবে তো?’’ পরী খুব হেসেছিল সেদিন। আজ নীলকে খুব বলতে ইচ্ছে করে, তারবিহীন তানপুরায় ওর এই গান গাইতে যে খুব কষ্ট হয়, খুব কষ্ট।
তবুও কোন পরন্ত বিকেলে পরী নিজের অজান্তেই গুনগুন করে ওঠে...

আমার স্বপ্নটুকু কেড়ে নিয়ে
আজ স্বপ্নলোকে তুমি,
আমার চোখে তাইতো আজও
মেঘের বনভূমি।

আজও কোন বর্ষারাতে
যখন স্মৃতিরা ভর করে,
মেঘ গুলে বৃষ্টি হয়ে
আমার চোখে ঝরে।

যতটুকু দিয়ে গেছো
পরম অবহেলে,
অনেক যত্নে সেই টুকুই
নিয়েছি বুকে তুলে।

হঠাৎ কোথায় হারিয়ে গেলো
আমার অবুঝ সুখের আশা,
আকাশেই তাই ছড়িয়ে দিলাম
আকাশের মত ভালবাসা।


(আপনার কইলে আরোও চলবে না হলে এই পর্যন্তই শেষ)
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৬
৫১টি মন্তব্য ০টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এসো ঈদের গল্প লিখি..... পড়ি

লিখেছেন অপ্‌সরা, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১১


আরও অনেকের গল্প পড়ার অপেক্ষায়..... স্বপ্নের শঙ্খচিলভাইয়া, নতুন নকিবভাইয়া, প্রবাসীকালোভাইয়া,ওমর খাইয়ামভাইয়া, হুমায়রা হারুন আপুনি, করুনাধারা আপুনি, মেহবুবা আপুনি, রাজীব নূর ভাইয়া, রানার ভাইয়ার গল্প পড়তে চাই, জানতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×