somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নয়া পাঠক
আমি চেষ্টা করি নতুন কিছু শেখার, ভালো কিছু করার, আর নিজে যা জানি তা অন্যকে উদারভাবে শেখানোর যদি কেউ শিখতে চায়।

সুখ পাখির পরশ!

৩০ শে জুলাই, ২০২৪ রাত ৮:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এক দেশে ছিল এক অতি অহংকারী স্বৈরাচার, তার নাম ছিল রাজা দুর্বিনীত। দুর্বিনীত নিজের শক্তি আর ক্ষমতা নিয়ে এতটাই মত্ত ছিল যে, সে জনগণের কোন কথাই শুনত না। নিজের ইচ্ছামতো আইন বানাত, জনগণের উপর অত্যাচার করত, আর নিজেকে সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করত।

একদিন রাজ্যে একটি ছোট্ট পাখি এসে বসলো। পাখিটি ছিল খুবই মিষ্টি আর বুদ্ধিমতী। সে গাছে গাছে ঘুরে মিষ্টি মধুর গান গাইত। রাজ্যের সবাই পাখিটিকে খুব ভালোবাসত, কিন্তু রাজা দুর্বিনীত পাখিটিকে সহ্য করতে পারত না। তার মনে হিংসা হলো, যে পাখিটি তার থেকেও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

রাজা আদেশ দিল পাখিটিকে ধরে আনতে। সৈন্যরা পাখিটিকে ধরে নিয়ে এলো রাজার সামনে। দুর্বিনীত পাখিটিকে বলল, "তুমি কেন আমার রাজ্যে এসে গান গেয়ে আমার থেকে বেশি জনপ্রিয় হতে চাও?"

পাখিটি হেসে বলল, "রাজা, আমি তো শুধু গান গাই। তাতে কারো ক্ষতি তো হয় না। আপনি যদি মানুষের মনের কথা শুনতেন, তাদের ভালোবাসতেন, তবে আপনিও জনপ্রিয় হতেন।"

রাজা পাখিটির কথা শুনে আরও রাগান্বিত হলো। সে পাখিটিকে শাস্তি দিতে চাইল, কিন্তু পাখিটি মিষ্টি সুরে গাইতে শুরু করল। পাখির সুরে এক ধরনের যাদু ছিল, যা রাজা দুর্বিনীতের হৃদয়কে কোমল করে দিল। সে ধীরে ধীরে বুঝতে পারল, সত্যিকারের ক্ষমতা মানে মানুষের ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা অর্জন করা।

পাখির গান শুনে রাজা দুর্বিনীত তার ভুল বুঝতে পারল। সে তার অহংকার ত্যাগ করল এবং জনগণের ভালোমন্দ দেখার প্রতিজ্ঞা করল। ধীরে ধীরে রাজ্যের মানুষ রাজার পরিবর্তন লক্ষ্য করল এবং তাকে আবার ভালোবাসতে শুরু করল।

সেই দিন থেকে রাজা দুর্বিনীত তার রাজ্যকে সুখী ও শান্তিতে পূর্ণ করল। পাখিটি তার সাথে থেকে সবসময় তাকে সঠিক পথ দেখাত। আর রাজ্যে শান্তি আর সমৃদ্ধি ফিরে এল।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০২৪ রাত ৮:৩৩
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা কি রাজধানী ঢাকাকে মেরে ফেলছি ?

লিখেছেন এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৯

ঢাকাকে সব কিছুর কেন্দ্র বানিয়ে ঢাকার মাথায় আমরা যে দুর্বহ বোঝা তুলে দিচ্ছি তার ভার কি ঢাকা বইতে পারবে? আমরা যদি খুব চেনা কিছু দেশের দিকে তাকাই তাহলে দেখবো রাজধানী... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোয়াইট হাউজে বঙ্গবন্ধু - "I want to survive"

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২৬




জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শেষ করে অক্টোবরের ১ তারিখে ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজে এলেন বঙ্গবন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশে তরুন সমাজের মাঝে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার : অশনী সংকেত

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৫১


২০২৬ সালের ২৫ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ অবৈধ মাদক গ্রহণে আসক্ত/জড়িত, এবং এই সংখ্যা একটি গবেষণার
ভিত্তিতে উল্লেখ করেন। তিনি নতুন synthetic ও semi-synthetic... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির মূল্যায়নে বঙ্গবন্ধু কিংবা আওয়ামিলীগের অবদান শূণ্য। মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অবদান জামাতের॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৬



বিএনপি করার পূর্ব শর্ত কি? ইতিহাস বিচারে দেখা যায়, পার্ক মার্কিন প্রেসক্রিপশনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মিথ্যুক হতে হবে। আর সাথে রাজাকার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড হলে তো কথাই নাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২১

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?



জাতিসংঘে বিশ্বের সকল দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান হয়ে গেল ।
সেখানে শাসক, স্বৈর-শাসক ও গনতন্ত্রর বক্ততারা এক হয়েছিলেন । কিন্ত কোন ভালো সিদ্বান্ত
নিতে পেরেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×