somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন একবার ভেবে দেখি!

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমরা প্রায়ই বলি 'এই দেশের কিচ্ছু হবেনা'। হ্যাঁ, সামাজিক, রাজনৈতিক অরাজকতা, রাজনৈতিকদের দেদার দুর্নীতি তাদের মুখ থেকে এই হতাশ বাক্যটা বের করতে বাধ্য করে। তারপরেও...আমাদের চারপাশের অনেক অনিয়ম, উশৃঙ্খলতা, নেতিবাচকতার অন্ধকারের মধ্যেও কেউ কেউ আলোর দিকে চোখ রেখে হাঁটছে। সমাজের অসংখ্য অনাসৃষ্টির দায় নিজেদের নরম কাঁধে তুলে নিয়ে সেগুলো থেকেই সুন্দর কিছু সৃষ্টি করতে চাইছে। কি করছে তারা?

কিছু কিছু ছেলে মেয়ে প্রাণ বাজি রেখে দুঃস্থর জন্য রক্ত সংগ্রহ করছে।
কার কোথায় টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ আছে সেটা নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ছে ভিক্ষুকের মতন। অন্যকে সাহায্য করতে চেয়ে 'টাকা মেরে ড্রাগ খায়' জাতিয় অপবাদকেও পরোয়া না করে।
কিছু কিছু ছেলে মেয়ে দৌড়াচ্ছে রাস্তায় কাগজ কুড়িয়ে সল্যুশনে নেশা করে জীবন নষ্ট করা শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায়।
যেখানেই একটু জায়গা পাচ্ছে 'কচি কচি বাচ্চাদের হাতে বই ধরিয়ে দিয়ে তাদের অক্ষর জ্ঞান দিচ্ছে।

সামাজিক ওয়েব সাইটটাকে শুধুমাত্র আড্ডার জায়গা না বানিয়ে অন্যের হিতের জন্য আন্তরিক ভাবে কাজ করতে চাইছে। একের পর এক পোস্ট দিয়ে তারা তাদের সহযোগিতা করবার জন্য অনুরোধ করে যাচ্ছে সহযোগিতা করবার এড্রেস/নম্বর সহ।
সেই সব পোস্ট কমেন্টে
শাবাশি
স্যালুট
এগিয়ে যাও
মাশাল্লাহ টাইপের প্রশংসা বাক্য আর 'সাথে আছি'র আশ্বাস বাণী ছাড়া আর কিছুই হচ্ছে না। লক্ষ লক্ষের মধ্যে হাতে গোনা কজনই এগিয়ে আসছেন তাদের সহযোগিতায়। এরা সেই খড়কুটোকে আঁকড়ে ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে ধৈর্য ধরে।
ওদের ধৈর্যকে সালাম।

----------
আমরা যারা নেট/ফেসবুক ইউজ করি তাদের অবশ্যই একটা সেলফোন একটা কম্পিউটার অবশ্যই আছে। সেগুলো চালাতে কিছু খরচ হয় অবশ্যই? আমরা যারা দেড়-দিন অন্তর অন্তর বন্ধুদের সাথে হ্যাং আউটের ছবি দেই সামনে মুখরোচক খাবার সামনে রেখে, বা শপিং এ গিয়ে সেলফি দেই, বা দুই ঠোঁটের মাঝে দশ টাকা দামের সিগারেট রেখে হেভি ভাবের ছবি আপ দেই, তাদের পক্ষে কি সারা মাসে নিদেন ১০০/২০০ টাকা বাঁচানো কি খুব বেশি কষ্টকর?

বন্ধুদের সাথে হ্যাং আউটের সময় ১০০ টাকা বাঁচানো যায় এমন খাবার অর্ডার দেওয়া যায়। শপিং এ গিয়ে ৬০০ টাকার লিপস্টিক এর জায়গায় ৫০০ টাকায় কেনা যায়। সারা দিনে দশটা সিগারেটের জায়গায় ৯টা পোড়ানো যায়...

আমি জাস্ট দুই তিনটা উদাহরণ দিলাম। আরও অনেক উপায়ে আমরা মাসে ১০০/২০০ টাকা বাঁচিয়ে এই পাগল ছেলেমেয়েগুলোকে সাহায্য করতে পারি চাইলেই।

আমরা কি তা করি?
কেন করিনা সেটাও কি কখনো ভাবি?

আসুন একবার ভেবে দেখি-

//
কথাগুলো ফেবুতে বলা। আমার এক আপা বলেছিলেন ক বছর আগে। আমি প্রতি বছর এখনো এটা শেয়ার করি। বলি। কিন্তু কেউ ভাবে বলে মনে হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৩
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছুটিরদিন বিকেলে বইমেলায়

লিখেছেন তারেক_মাহমুদ, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২৪




গত কয়েকদিন ধরেই বইমেলায় যাওয়ার কথা ভাবছিলাম, অবশেষে ছুটিরদিনে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম মেলায় যাওয়ার। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় বইমেলায় উপচে পড়া ভিড়। বিশাল লাইন দেখে বেশ বিরক্তি নিয়েই মেলায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গরুর দুধের চেয়ে মূত্রের দাম বেশি কলকাতায়! দৈনিক আনন্দবাজার

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২৩



ছবি: দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত

গরুর দুধের চেয়ে মূত্রের দাম বেশি কলকাতায়! দৈনিক আনন্দবাজার

বহুদিন আগের কথা, ‘পঞ্চগব্য’ নামে একটি পুজো-উপাচারের নাম শুনেছিলুম। হয়তো অনেকেরই ইহা জানা থাকিবে। মুসলিমরা সবাই না জানিলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল মাহমুদকে নিয়ে সাধারন মানুষ যা ভাবছেন

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩০



১। কবি আল মাহমুদ মারা গেছেন। প্রকাশ্যে শোক করতে লজ্জা লাগলে অন্তত মনে মনে শোক করুন। কেননা তিনি এদেশের বিশুদ্ধতম কাব্য প্রতিভা ছিলেন।

২। আল মাহমুদ সরকার বিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯ (বইমেলার ১৫তম দিনে ব্লগারদের উপস্থিতির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।)  

লিখেছেন সৈয়দ তাজুল ইসলাম, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১২


ক্যামেরার সামনে আছেন ভাই কাল্পনিক_ভালবাসা, নজরবন্দির কারিগর অগ্নি সারথি, ব্লগারদের প্রিয় সঙ্গি নীল সাধু সৈয়দ তারেক ভাই



বায়স্কোপে অটোগ্রাফ দিচ্ছেন কাওসার ভাই, পাশে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের বই আমাদের বইমেলা

লিখেছেন সামিয়া, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫১

মেলায় ঢুকেই যে কথাটি মনে হলো সেটা হচ্ছে আরে আমরা আমরাই তো!!!! প্রত্যেক ব্লগারদের মেলায় অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতন, প্রায় প্রত্যেকেরই নতুন বই বের হয়েছে এবং একক বই বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×