
বিএনপি সরকার দেশে ক্ষমতায় আসতে না আসতেই দেশে প্রতারকের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
প্রতারক সব আমলেই ছিলো। কিন্তু বিএনপির আমলে যেন প্রতারকের উৎসব শুরু হচ্ছে। দেশে বেড়ে গেছে মারামারি। ধর্ষন। বলাৎকার। অন্যায়-অত্যাচারত- অবিচার। বেড়েছে চুরী, ছিনতাই। চাঁদাবাজি তো আছেই। মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে। মানুষকে রসি দিয়ে বেধে পিটানো হচ্ছে। একদল লোক আগ্রহ নিয়ে মাইর দেওয়া দেখছে, ভিডিও করছে। সেইসব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। জামাতের লোকজন আজেবাজে বকছে। যা মন চায় তা-ই বলছে। ওদের থামানোর কেউ নেই। অবশ্য শেখ হাসিনা ওদের থামিয়ে রাখতে পেরেছিলেন। তারেক জিয়া পারবেন না। ধীরে ধীরে জামাত ভয়ংকর হচ্ছে। এরা খারাপের দিক থেকে ৭১ কে ছাড়িয়ে যাবে। প্রতিটা মাদ্রসায় বলাৎকার বেড়েছে এটা তার একটা নমুনা মাত্র।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় হুটহাট আওয়ামীলীগের মিছিল হচ্ছে।
অবাক বিষয় হচ্ছে মিছিলে লোকজনের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন। অবশ্যই ফিরবেন। তারপর সমীকরন বদলে যাবে। মনে রাখা দরকার- শেখ হাসিনা দেশ স্বাধীন হওয়ার বহু বছর পর রাজাকারদের বিচার করেছেন, তার বাবার হত্যাকারীদের বিচার করেছেন। জুলাই আন্দোলন নামে যারা ৩২ নম্বর ভেঙ্গেছে, শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙ্গেছে, জ্বলাও পোড়াও করেছে- তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবেই। এই বিচার আওয়ামীলীগই করবে। আজ সংসদে রাজাকাররা বসে আছে। টেবিল চাপড়াচ্ছে। কি দূর্ভাগ্য আমাদের। দেশের একদম দরিদ্র শ্রেনীরা এখন সাহস দেখাচ্ছে। একজন রিকশা চালক পর্যন্ত বলছে, শেখ হাসিনার আমলটাই ভালো ছিলো। আমরা শেখ হাসিনাকে চাই। ফিরে আসুক শেখের বেটি। তার জন্য জীবন দিবো।
আমাদের দেশে রাজনীতি খুবই জটিল এবং নোংরা।
গায়িকা মমতাজ যদি রাজনীতিতে না আসতেন তাহলে তাকে এখন কারাগারে থাকতে হতো না। ব্যারিস্টার সুমন সাহেব যদি রাজনীতিতে না আসতেন, তাহলে এখন তাকে কারাগারে থাকতে হতো না। এমনই কি ক্রিকেটার মাশরাফি বা সাকিব যদি রাজনীতি করতে না আসতেন, তাহলে এখন তাদের পালিয়ে থাকতে হতো না। অর্থ্যাত আমাদের দেশে যা-ই করো, রাজনীতি করো না। রাজনীতি করলে কারাগারে যেতেই হবে। হাস্যকর সব মামলা হয় (অবশ্যই মিথ্যা মামলা) যেতে হয় কারাগারে। শেখ মুজিবকে জেলে থাকতে হয়েছে। এখন শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকেও বন্ধী থাকতে হবে। অথচ শেখ হাসিনা কোনো খুনও করেননি, দূর্নীতিও করেননি। আজকে যারা রাজনীতি করছে- সারজিস, হাসনাত থেকে শুরু করে বিএনপি জামাতের লোকজন, ক্ষমতা চলে গেলেই তাদেরও কারাগারে যেতে হবে। হবেই। দেরী হোক যায়নি সময়।
ছাগল গুলোর কি অদ্ভুত নাম- জুলাই যোদ্ধা।
আবার গর্ব করে বলে- আমরা জুলাই যোদ্ধা। ছাগল গুলো কার সাথে যুদ্ধ করলো? যুদ্ধে তাদের অস্ত্র কি ছিলো? একটা রাজনৈতিক দলের কর্মীদের সাথে কতিপয় ছাত্রনামধারীরা ধাওয়া পালটা ধাওয়া করেছে। এটা তো যুদ্ধ হতে পারে না। এটা আমেরিকান ক্যু। এক ধরনের প্রতারনা। দেশের সাথে। দেশের মানুষের সাথে। আসল যুদ্ধ হয়েছিলো ১৯৭১ এ। বরং এরা (জুলাই যোদ্ধা) দেশের ক্ষতি করেছে, অফিস আদালতে আগুন দিয়েছে, জ্বালাও পোড়াও করেছে, থানায় আগুন দিয়েছে, পুলিশ হত্যা করে যাত্রাবাড়িতে রসি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। পুলিশের অস্ত্র লুট করেছে। নিজের দেশের মানুষ হত্যা করে এবং লুটপাট করে, ক্ষতি করে তারা কিভাবে নিজেদের যোদ্ধা বলছে? চুরি, আবার সিনাজুরি! কি অদ্ভুত একটা দেশে বাস করি। হাসিনা চাইলে এদের ধ্বংস করে দিতে পারতো। কিন্তু এইসব কথিত জুলাই যোদ্ধাদের অর্থ্যাত মগজহীণদের ব্যবহার করা হয়েছে।
হাদি নামের এক লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
বলা হচ্ছে সে শহীদ? সে শহীদ হয় কি করে? দেশের জন্য তার তো কোনো অবদান নেই। আওয়ামীলীগ চলে যাওয়ার পর সে ঢাকা ৮ আসন থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলো। কে বা কারা তাকে গুলি করে হত্যা (এভাবে হত্যা করা মোটেও উচিৎ হয় নাই) করে। বাঙ্গালিরা সারা জীবন করে মিথ্যার সাথে বেসাতি। মানুষ ঠকায়, প্রতারনা করে। অথচ হাদির জানাজায় যাওয়ার জন্য পুরো ঢাকা শহর জ্যাম করে ফেলেছে। হাদি আসলে এমন কেউ না। অতি সাধারন একজন। জুলাই অরাজকতার সময়- আসল যোদ্ধা হলো- জুলাইয়ের পুলিশেরা। দেশের জন্য তারা জীবন দিয়েছে। আগুনে পুড়ে মরেছে। যারা পুলিশ হত্যা করেছে, থানায় আগুন দিয়েছে, শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙ্গেছে, ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দিয়েছে- এদের বিচার করা খুব জরুরী। নইলে জামাত শিবির আর রাজাকারের নাতিপুতিরা দেশে অরাজকতা করবে। হত্যা করবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




