পিক সামিটে জি পিএস রিডিংএ ( কিছু) বিভ্রাট :
জিপিএস - এ কো-অরডিনেট বেশ একুরেট দেখালেও উচ্চতা প্রায়ই পুরাপুরি ঠিক দেখায় না । তাই বিশ্বের পাহাড় - পর্বত মাপার ক্ষেত্রে কখনই এটার উপর পুরোপুরি নির্ভর করা হয় না । বিশেষ করে সঠিক উচ্চতা মাপার ক্ষেত্রে এটা বেশ 'কম নির্ভরযোগ্য' একটা উপায় । তবে এতে করে মোটামুটি উচ্চতা সম্পর্কে বেশ ভাল একটা ধারণা পাওয়া যায় ।
জিপিএস এ কোন স্হানে যাওয়ার পর রিডিং স্ট্যাবেল হতেও বেশ খানিকটা সময় নেয় । আর স্ট্যাবেল অবস্হায়-ও কিছুটা উঠা নামা করে । এই অবস্হার একটা লম্বা সময় রিডিং দেখলে প্রকৃত উচ্চতার একাট ধারণা পাওয়া যায় । এই রিডিং গুলো সবিস্তারে আবার গিপিএক্স ফাইলে সংরক্ষিত থাকে । সেটাকে টেক্সট হিসেবে পড়ে নিলে কিছু ডেটা আপনি এমনিতেই বাদ দিটে পারবেন । যেমন যেসব ডেটা স্টাবেল ডেটা থেকে খুব বেশী ফ্লাকচুয়েট করছে । সেগুলো । একটা ভাল স্ট্যাটিসটিকাল প্রসেস খুব নির্ভরযোগ্য ফলাফল নিয়ে আসটে পারবে ।
উচ্চতা মাপার জন্য সঠিক ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হচ্ছে ত্রিকোনমিত্রিক পদ্ধতি । আমাদের দেশের পাহাড় মাপা-মাপির জন্য যা খুব দরকার হয়ে পরেছে । তবে এগুলোর যন্ত্রপাতিগুলো বেশ দামী । ট্রেকার - ট্রাভেলারদের হাতে আপাতত নেই । তাই জিপিএস ডিভাইসগুলোই এখন শেষ ভরষা ।
এগুলো কি আসলেই কোন কাজের না ? এগুলো তাহলে ব্যবহার হয় কেন ? আসল কথা হচ্ছে এগুলো খুবই কাজের , তবে উচ্চতা মাপার কাজটা এর মুল কাজ না । এ থেকে খুবই সঠিক ভাবে আপনি অক্ষাংশ - দ্রাঘিমাংশ জানতে পারবেন , আর তা দিয়ে অচেনা পথে নিজেই পথ বের করে চলতে পারবেন। আপনার আগে কেউ কোন স্হানে গেলে তার কো-অর্ডিনেট জানা থাকলে - আপনি-ও সে জায়গায় পৌছে নিশ্চত হতে পারবেন একই স্হানে পৌছেছেন কি না ।
তাই কোন পিকের সামিট এভিডেন্স হিসেবে এটা খুবই কাজের একটা জিনিষ । এছাড়া ১০০ ভাগ সঠিক উচ্চতা নে মেপেও কোন পাহাড়টা কার থেকে উচু বা নীচু সেটা বলে দেওয়া যায় । যেমন সাকাহা ফং দেশের একমাত্র পাহাড় যেখানে ৩৪০০ ফুটের বেশী রিডিং আসে । কেওক্রডং তাজিংডং - এ এগুলোর রিডিং কয়েকশ ফুট কম আসে। তাই নিশ্চত ভাবেই বলে দেওয়া যায় 'সাকা' কেও - তাজিং থেকে উচু ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


