একেই বলে ক্ষমতা। অবশেষে বিএনপি একসময়ের স্বৈরাচার এরশাদকে মামলাগুলো থেকে রেহাই দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে আয়কর সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা থেকে বৃহস্পতিবার খালাস দেয়া হলো কুখ্যাত এই সাবেক সেনাপ্রধানকে। অথচ বিএনপি নিজেই মামলা গুলো দায়ের করেছে।
জোটে নেয়ার শর্ত হিসেবে এরশাদের মামলাগুলো বাদ দেয়ার উদ্যেগ নিয়েছে বিএনপি। কারন গোয়েন্দা সংস্থা গুলো নাকি রিপোর্ট দিয়েছে চার দলীয় জোট অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে 100 র বেশি আসন পাবেনা। আর নির্বাচন কমিশন সহায়তা করলে তা সর্বোচ্চ 120 হতে পারে।
এরপরই বেগম জিয়া ও তার ছেলে এরশাদের দ্্বারস্থ হন। ওদিকে জেএমবির সঙ্গে জামায়াতের যোগাযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক চাপে জামায়াতকে আর জোটে রাখতে উৎসাহী নয় বিএনপি।
এ কারনেই তাড়াহুড়োর শেষ নেই বিএনপির মধ্যে। খালেদা - এরশাদ বৈঠকের পর, এরশাদ -তারেক বৈঠক। সর্বশেষ বুধবার রাতে এরশাদ-দুলু এবং তারেকের সঙ্গে জাতীয় পার্টির তিন এমপির বৈঠকের পর মামলা থেকে এরশাদের খালাসের সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। দিনের আলোতেই বাস্তবায়ন হয় এ ষড়যন্ত্রের।
কিন্তু এর মাধ্যমেই বিএনপি 90 সালের তার নিজের অর্জনকেও গলাটিপে হত্যার উদ্যেগ নিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
আমাদের প্রশ্ন হলো আমাদের সব সোনালী সাফল্যগুলো কি এভাবেই একে একে হারিয়ে যাবে ? পতনের মাত্র 15 বছরের মধ্যেই আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে পতিত স্বৈরাচার ?
তাহলে 1982-90এ এতো রক্তের দায় কার ?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


