বিএনপি দাবি করে তারা মুক্তিযোদ্ধার দল। কিন্তু কাজ করে ঠিক উল্টো। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা বলে, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, স্মৃতিসৌধে গিয়ে পুস্পমাল্য অর্পণ করে, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে এনে নাগরিকত্ব দেয়, রাজাকারদের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা দেয়, মন্ত্রী বানায়, যুদ্ধাপরাধীদের সাথে আঁতাত করে তাদের বিচারকে বাধাগ্রস্থ করার চক্রান্ত করে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে, জাতির পিতাকে অস্বীকার করে। তাহলে বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল হয় কিভাবে? বিএনপি সৃষ্টি থেকে এখন পর্যন্ত যা কিছু করেছে, সব কর্মকান্ডই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী। সবশেষে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত যখন তারা ক্ষমতায় ছিল, তারা বাংলাদেশকে প্রায় পাকিস্তানী কায়দায় তালেবানী জঙ্গীবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করে ফেলেছিল। তারপরও আমরা কি বিএনপিকে মুক্তিযোদ্ধাদের দল বলবো? বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসাবে বাংলাদেশে রাজনীতি করুক, সেটা আমরা চাই। কিন্তু পাকিস্তানী আইএসআই এর সৃষ্টি বিএনপি কখনোই সেটা করবে না। তাহলে শুধু মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা, আর কাজে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপতৎপরতা, এসব চলবে কতোদিন? স্বাধীনতার ৪৪ বছর চলে যাচ্ছে। তারপরও আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে। বাস্তবতা হলো, বিএনপি যতোদিন রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবে, ততোদিন মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে কোন ঐক্যমত প্রতিষ্ঠা হবে না। বিএনপির কাজই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা, সুতরাং তারা অতীতের কর্মকান্ডের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা মেনে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সমুন্নত রাখার রাজনীতি করা বিএনপির পক্ষে কখনোই সম্ভব হবে না। আর সেকারণেই আমরা বিএনপির উচ্ছেদ চাই। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপতৎপরতা চালিয়ে যাওযাকে রাজনীতি বলে না, এটা চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র। চক্রান্তকারী, ষড়যন্ত্রকারীদের এ দেশ থেকে উচ্ছেদ করতে হবে। বিএনপি-জামাতের স্বাধীনতাবিরোধী অপতৎপরতা উচ্ছেদ করে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত যখন বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা বাংলাদেশকে প্রায় পাকিস্তানী কায়দায় তালেবানী জঙ্গীবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
রম্য: পর্নের সেকাল একাল!
গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন
জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন
শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....
এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
উচ্চবংশীয় ছাগল!

এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।