somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ত্রিমাত্রিক ও শক্তিশালী নৌবাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সময়ের পরিক্রমায় ছোট্ট নৌবাহিনী আজ একটি মর্যাদাশীল নৌবাহিনীতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্ধিত সমুদ্রসীমা ও সমুদ্র সম্পদ রক্ষায় এ বাহিনীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ইতোমধ্যেই নৌবাহিনীকে একটি কার্যকর ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। বাংলাদেশ এখন আধুনিক যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখন ‘বায়ার নেভি’ থেকে ‘বিল্ডার নেভিতে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ভারত থেকে সংগৃহীত দুটি পেট্রোলক্রাফট ‘পদ্মা’ ও ‘পলাশ’ এবং ৪৯ জন নাবিক নিয়ে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটিসমূহ একযোগে কমিশন্ড করেন এবং বিএনএস ঈশা খাঁকে প্রথম ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেন। নৌবাহিনী এখন একটি মর্যাদাশীল বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সুপরিচিতি লাভ করেছে। মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সমুদ্র এলাকার বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে সুরাহা হয়েছে। ন্যায্যতার ভিত্তিতে আমরা ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারে সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছি। বর্তমান সরকারের আমলে অতি স্বল্প সময়ে ১৬টি জাহাজ সংযোজিত হয়েছে। দুটি হেলিকপ্টার ও দুটি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। ইতোমধ্যে দুটি সাবমেরিন সংযোজনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ২০১৬ সালের মধ্যেই নৌবাহিনীতে সাবমেরিন সংযোজিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একটি শক্তিশালী নৌবাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে অত্যাধুনিক দুটি করভেট গণচীনে নির্মাণাধীন রয়েছে। আগামী বছর এগুলো নৌবহরে যুক্ত হবে। নৌবাহিনীর দক্ষ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড ও নারায়ণগঞ্জ ডক ইয়ার্ড এ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসে নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মাণ করা হচ্ছে অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×