একজন নিগরো মেয়ে ফ্রেঞ্চকে নিজের ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় । নিজেকে ফ্রাঞ্চের অধিবাসী মনে করে । কিন্তু জন্মভূমি আফ্রিকা (সম্ভবত, কারণ আমি সঠিক sicher (sure) না, তবে জন্মভূমি ফ্রাঞ্চ হলেও হতে পারে । বাবা-মা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে অস্ট্রিয়ায় । ইচ্ছে করেই হয়ত বিচ্ছিন্ন হয়েছে । 5 বছর বয়সে অস্ট্রিয়ার মাটিতে পা রাখে । ভাইয়ের সাথে থাকত । আচার আচরণ ভাইয়ের পছন্দ না হওয়ায় বোনকে রাস্তায় নামিয়ে দেয় । শেষ পর্যন্ত সরকারী তরুণ-তরুণী সাহায্য কেন্দ্রে গিয়ে সাহায্য চেলে তাকে থাকার জায়গা দেওয়া হয় । বিনামূল্যের হাজারো লিস্ট আসে । এখন ভালই আছে ।
একটি ছোট ফোটফুটে শিশু চায়, তাকে নিয়ে একটি নিজস্ব ঘরে নিয়ে ঘরকন্না করতে চায় । তবে অবশ্যই স্বামীকে ঘরে চায় না । মাতৃভাষা তার মুঙ্গালা কিংবা মাঙ্গালা এরকমই কিছু হবে । নিজেকে খৃস্টান বলে দাবী করে কিন্তু ...
যাই হোক, বাবা তাকে দেখতে আসে প্রায়ই কিন্তু সেই সাথে সাথে যাওয়ার কথাও বলে কিন্তু সে যেতে চায় না, বরং না করে । বিনিময়ে বাবার কাছ থেকে র্ভতসনা পায় আর ডুকরে ডুকরে কাদেঁ । ব্যাপারটাও অদ্ভুত হয়ত কোন একটি লুক্কায়িত বিষয় আছে । ধরা যায় না, সত্যি ঘটনাটা । আড্ডা দেয়, ঘুরে বেড়ায়, প্রায়ই ভাইয়ের সাথে দেখা হয়, যদিও এদের মধ্যে বনিবনা হয় না, কিন্তু রক্তের টান তাদের মধ্যে রয়েছে ।সুযোগ পেলে ভাই বোনে উড়াল দেয় বিভিন্ন দেশ ঘুরতে, ইউরোপের সব দেশেই যাবার ইচ্ছা আছে, দেখতে, ঘুরতে, আনন্দ করতে, মজা করতে । অথার্ত জীবনটাকে উপভোগ করতে । এখন পর্যন্ত মনের মত কোন জীবন সঙ্গী খুজেঁ পাই নি, কিন্তু সেই রকম খোজঁও করছে না, তবে সুযোগ পেলে ফিরিয়ে দিবে না ।
তারঁ মধ্যে কোমলতা আছে আর যা থাকা দরকার সবই আছে কিন্তু পিতা কিংবা মাতার সুখ নেই অথার্ত পিতা মাতার আদর তার ভাগ্যে খুব কমই জুটেছে বিশেষ করে পিতার আদর । ভাই থেকেও মাঝে মাঝে থাকে না ।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


