চারিদিকের সব অন্যায় আচরণ নিজেকে আঘাত করে অহরহ, তবুও নিজের মার্জিত,শিক্ষিত রূপকে প্রতিনিয়ত যেন ভুলতে বসেছি, কেমন নিষ্পৃহ ,শীতল হয়ে পড়ছি দিনকে দিন । পরিবেশকে পরিবর্তন করার সেই অহর্নিশ আবেগ লোপ পাচ্ছে । অহরহ নিজের হাতেই বলি হচ্ছে নিজের আদর্শ । এতটা শান্ত,নির্লিপ্ত থাকতে চাইলে জীবনের পথ থেকে একবারে সরে যাওয়াও ভালো ।। নিশ্চুপ, স্থবির এই সত্তা জগতের আর কিইবা ভালো করবে, শুধু শুধুই ডেবিট বাড়াবে ।
মনে পড়ে কলেজ জীবনের কথা । 2য় বর্ষে আমরা লাকি ছিলাম, মজা করে পড়ানো এক টিচার পেয়েছিলাম...... স্যার খুব গল্প করে পড়াতেন । ক্লাসের মাঝখানে একদিন আমাদের একজনের উপর খুব রেগে গিয়ে বললেন - "..... তুই নষ্ট হয়ে গেছিস - পঁচে গেছিস, তোর গা দিয়ে গন্ধ বেরোচ্ছে .....ইত্যাদি ইত্যাদি ...." --- ছেলেটি বাংলা ক্লাসে বসে ফিজিক্সের ব্যবহারিক শীট তৈরী করছিলো, তাতেই স্যারের এই কঠিন ঝাড়ি ।--- বলাইবাহুল্য স্যারের এই ব্যতিক্রম ঝাড়ি তখন আমাদের বেশ আনন্দ দিয়েছিলো ।। মনে হয় এটা স্যারের কমন ঝাড়ি ছিলো ।
আজ কেনো জানি স্যারের এ ঝাড়িটা প্রায়ই মনে পড়ে । মনে হয় হয়তবা নষ্ট হয়ে যাচ্ছি ....পঁচে যাচ্ছি .... । নিজেই নিজেকে বলি " তুই নষ্ট হয়ে গেছিস - পঁচে গেছিস " ।।
এতটা আঘাত, কটুক্তি আর অপমান সয়েও মনটা সেই নির্লিপ্তই থেকে যায় । হা হা হা সবকিছুই মনে হচ্ছে পুরা ফ্লপ ।।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


