somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জমে একেবারে ক্ষীর (০২)

২৪ শে জুন, ২০১৯ রাত ৩:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


তারিখ: ৭ আষাঢ় ১৪২৬ বাংলা
দ্বিতীয় পর্ব
লুন্ঠিত হওয়ার জন্য হাত-মুখ ধুয়ে ধোঁয়াদার পারফিউম লাগিয়ে রওয়ানা হলাম লেক পার্কের দিকে। পার্কে আসার পর দেখি মহারাণী কানে হেডফোন গুজে বসে গান শুনতেছে। কাছে গিয়ে লম্বা করে সালাম দিলাম,আসসালামু আলাইকুম। ওনি গালের উপর টোল ফেলে মিষ্টি হাসি দিয়ে সালামের জবাব দিলেন, অলাইকুমুস সালাম। পাশে বসতে দিলেন অবশ্য ডিসটেন্স রেখে। আসার পথে সাথে করে নিয়ে আসা বাদামপর ঠোংগা সামনে রেখে বললাম,তোমার জন্য। তুমি করেই সম্মোধন করলাম,আমি আবার আপনি বলে বেশিদূর যেতে পারি না। আমার ৫ টাকার বাদাম দেখে মহারাণীর কপালে ভাঁজ,প্রশ্ন করে বসলেন,এত কনজুস আপনি? কিভাবে প্রেম করবেন আমার সাথে? আমি বললাম প্রেম করার জন্য টাকা লাগে আগে জানতাম না। আমার জানামতে প্রেম করার জন্য লাগে একটি খাঁটি মন। মহারাণী কপাল কুচকে বললেন, আচ্ছা তাই নাকি? ঠিক আছে আমাকে নিয়ে আপনার অনূভূতি কি? আমার ভিতর এমন কি দেখে আপনি প্রেমে পড়লেন এ ব্যাপারে কাল লিখিত আকারে চিরকুট প্রেরণ করবেন চৌধুরী বাড়ীর ঠিকানায়। আমি মনে মনে বলছি,এখন প্রেম প্রকাশ করার জন্য লিখতে হবে চিরকুট,হতে হবে কবি? আনাড়ী লেখকের দ্বারা চিরকুট লিখা কি আদৌ সম্ভব? মেঘলা আমার মুখের কাল বৈশাখী ঝড়ের ছাপ দেখে ঝাড়ি মেরেই বলছে এতো ভাবাভাবির কি আছে?? যা পারবেন তাইয়ি লিখবেন। এসব আলাপ চারিতার মাঝে মেঘলা হঠাৎ করেই বমি করে সাদা রঙয়ের টি শার্ট হলুদ রঙে রাঙিয়ে দিলো আমায়। আমি তার এমন কার্যকলাপে বলতে লাগলাম,আয় হায়! কি হলো আপনার? খুব অসুস্হ ফিল করতেছেন নাকি? ডাক্তারের কাছে যেতে হবে? আরে নাহ ! আমি পারফিউমের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারি না। আপনি আমাকে ইমপ্রেস করার জন্য পুরো এক বোতল পারফিউম মেখে এসেছেন। পরেরবার থেকে আর পারফিউম না লাগালেই শ্রেয়।আমি ভিতরে ভিতরে ভয়ে সংকীত হলাম। মহারাণীর এমন কর্মে চিন্তায় পড়ে গেলাম। কার পাল্লায় পড়লাম,পারফিউমের ঘ্রানে যে বমি করে। নাকি অন্য কোন সমস্যা?

মাথায় পানি ঢেলে মেঘলাকে চৌধুরীর সাহেবের বাড়ীতে দিয়ে এসে চিন্তায় পড়ে গেলাম? সন্দেহ দূর করার জন্য আম্মুকে জিগ্যেস করলাম,মায়ের কাছে গিয়ে লাজুক হয়ে বললাম,আচ্ছা মা,মেয়েদের কি পারফিউম বা আতরের ঘ্রাণে বমি হতে পারে? আম্মু আমার প্রাণে চেয়ে বললো? কি হয়েছে? হঠাৎ এমন প্রশ্ন কেন? আম্মুকে সরাসরি বললাম,আমার এক মেয়ে বন্ধু পারফিউমের ঘ্রাণ সহ্য করতে পারে না? পারফিউমের ঘ্রাণে নাকি তার বমি হয়! প্রশ্নের উত্তরে আম্মু বলছে হতে পারে! মেয়েরা অনেক কিছুর ঘ্রান সহ্য করতে পারেনা। যেমন: সিগাারেটের ধোয়া,গাড়ির টায়াল পোড়া গন্ধ,ইত্যাদি গন্ধে তাদের বমি হয়। আম্মু থেকে আরো জানলাম আমার ফুফাতো ভাইয়ের বউও নাকি একি সমস্যায় আক্রান্ত। সন্দেহ দূর হলো আমার। আম্মু হয়তো কিছুটা বুঝে গেছে কোন বিষয়ে আলোচনা করছি। আম্মু খুব আগ্রহের সহিত বললেন,তা তোমার ঐ মেয়ে বন্ধুকে বাসায় নিয়ে আসিও একদিন। আমি মাথা নাড়িয়ে চলে আসলাম।
মনে মনে ভাবতে লাগলাম,ভালবাসায় কোন সন্দেহ রাখা যাবেনা। এতে সমূহ বিপদ। আমাদের এলাকার পোষ্ট মাষ্টার হতে সরকারী একটি হলুদ খাম কিনলাম,রাতে চেয়ালে বসে চিরকুট লিখা শুরু করলাম। চার লাইন লিখি,তিন লাইন কাটি!
সারারাত কাগজ কলম নিয়ে বসে থাকার পরেও ৩/৪ লাইনের বেশি লিখতে পারলাম না। কিভাবে লিখবো? আমি কি চিঠি লিখার কবি? চিরকুট লিখার দক্ষ কারিগর তো মেয়েরাই,তারা ইনিয়ে বিনিয়ে অনেক কিছু লিখতে পারে। অনেক আনন্দ আর কষ্টগুলোকে ৩/৪ পূষ্ঠায় সীমাবদ্ধ করে লিখতে পারে।
এক দিস্তা কাগজ নষ্ট করেও চিরকুট লিখা হচ্ছে না।

খুব গভীরভাবে বুঝতে পেরেছি আগে যখন তথ্য প্রযুক্তি ছিলোনা,তখনকার প্রেমিক-প্রেমিকারা কত সুন্দর করে সুখ আর বেদনার কথা তুলে ধরতো কবিতা আকারে চিঠির মাধ্যমে। বর্তমান যমানায় ইন্টারনেটের ছোয়া পেয়ে মানুষ আর আগের মত বইয়ি পড়েনা পড়ে ফেসবুক। চিরকুট লিখা সময় কই? যাই হোক ,
এই সময়ে মহাবিপদের সম্মুখীন আমি। কে উদ্ধার করবে এই অধমকে? এসব ভাবতে ভাবতে ঐ রাতে আর চিরকুট লিখা হলোনা। চিরকুটে লিখার বিদ্যা অর্জন করতে আমার কলেজের বাংলা সাহিত্যিক বিভাগের সবার প্রিয় মেডামের দারস্হ হলাম। মেডামের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি,তবে কোনো কথা মুখ দিয়ে ভের হচ্ছেনা ভয়ে!
বুকটা দুরুদুরু,কপালে ঘামের জল। কি করে বলি,আর কোথা থেকে যে শুরু করি? আবার
এমন প্রশ্নে হয়তো মেডাম রেগে বেগে নাগিন ছোবল দিলেও দিতে পারে? পায়ের স্যান্ডেল খুলে বলবে,দূর হ শয়তান? মেডামের কাছ থেকে প্রেম বিদ্যা শিখতে আসছে বেটা অশিক্ষিত।
নানারকম চিন্তায় জর্জরিত বালক ভাবনার সাগরের নাবিক।মেডাম আমাকে দেখে নরম গলায় বললেন? কিছু বলবা? নাকি বোকার মত দাঁড়িয়েই থাকবা?
আমি ভাবনার ঘোর থেকে বাস্তবে বেরিয়ে মেডামকে অকপটে জিগ্যাস করলাম,মেম চিরকুট কিভাবে লিখে? যদি চিরকুটের প্রাপক প্রেয়সী হয়? মেডাম একটু মুচকি হেসে হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন আমার দিকে? অনার্স ৩য় বর্ষের একজন ছাত্র তুমি? আর তুমি এমন প্রশ্ন করছো? আমার মনে হয় তুমি নতুন প্রেমে পড়েছে? এই বয়সে প্রেমে পড়াটাই স্বাভাবিক। আমিও এ বিষয়ে তেমন অভিজ্ঞ নই,তবে কিছু ধারণা দিতে পারি। তুমি কি কখনো রাজমিস্ত্রিকে কাঠের উপর পেরেক মারতে দেখেছো? আমার উত্তর নিশ্চই দেখেছি মেডাম।
যদি তুমি দেখেই থাকো,তাহলে তোমার বুঝতে বাকী নেই,কাঠের উপর পেরেক মারার রহস্য হলো,কাঠামো মজবুত করা।
চিরকুটও তেমন, তুমি কলম দিয়ে আঘাত করবে কাগজে,এমন কিছু কথা জুড়ে দিবা চিরকুটের পাতায়,যা মজুবত হয়ে পেরেক গাঁথবে প্রাপকের মনে।
মেডাম থেকে সাহস আর প্রেরণা নিয়ে আসলাম। খুব সাহসী মনোবল নিয়ে আজ লিখবো অমর চিঠি।

চিন্তা-ভাবনা প্রাণ ফ্রুটিকা জুসের মত একবারে পিউর।
মুখ ফসকে আজ সব সত্য ভের হবে চিরকুটে। চিরকুটের হেডলাইন টানলাম।
চিরকুট:২০
তারিখ:৭ আষাঢ় ১৪২৬ বাংলা।
প্রিয় ফারজানা আক্তার মেঘলা,
পত্রারম্ভে জানাই আষাঢ়ের ঘন ঘন মেঘলাময় আকাশে শঙ্খচিলের নিরাপদ নীড়ে ফেরার শুভেচ্ছা। আষাঢ়ের বর্ষণে সিপ্ত প্রকৃতিরঞ্জন! আহ্ কি দারুণ বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় তোমায় লিখছি। আজ থেকে তিন যুগ পর যখন আমায় কোন কারণে মনে করবে,তখন এ চিরকুটের প্রতিটি লাইনে তুমি আমায় অনূভুব করতে পারবে।
তোমাকে নিয়ে আমার কি অনুভূতি জানতে চেয়েছিলে? বলছি শোন মনযোগ দিয়ে,
তোমাকে নিয়ে মনের ভাঁজে অনেক অনুভূতি আর কিছু অপ্রকাশিত কথা! তোমাকে নিয়ে ইদানিংকালে আমার ভাবনার শেষ নেই। আকাশের যেমন কোন পরিধি নেই,ঠিক তেমনি তোমাকে নিয়ে আমার ভাবনা আর অনুভূতির কোন সীমানা নেই।
এতোদিন পর এসে মনে হলো,আমার পছন্দের কাউকে পেয়েছি। মনের কথাকেই বিশ্বাসে পরিণত করেছি,কারন মন তো আর মিথ্যা বলেনা।
তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম নীল রঙয়ের পোশাকে। প্রথম দেখাতেই বিধ্বস্ত হয়েছি আমি,হয়েছি মন লেনা-দেনার শহরে কুপোকাত। দীপ্ত হৃদয়ে সিল-ছাপ্পরের মত লেগে আছে তোমার চেহারা।
মনে হয় সারাক্ষণয়ি আমার চারপাশে তোমার গাওয়া মোরেডি গান বাজে। আমাকে দেখে সবাই বুঝে নেয়,বালক প্রেমে পড়ছে। রাস্তা-ঘাটে অলিতে গলিতে সব জায়গাতেই তোমার ভাবনায় বিভোর আমি।

কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবির একটি গান,
এখন তো সময় ভালোবাসার,
এ দুটি হৃদয় কাছে আসার,
তুমি যে একা আমিও যে একা,
লাগে যে ভালো,
ও প্রিয়।
মনিরুজ্জামান মনির স্যারের কথা সুরকার রুনা লায়লা মেডাম আর আগুনের কন্ঠে গাওয়া এ গানটি কি যে আনন্দের বলে বুঝানো যাবেনা। একেবারে জমে ক্ষীর ক্ষীর,মধু চুই চুই ভাব। সময় হলে একদিন তোমার ভারি মিষ্টি কন্ঠে শুনে নিবো। অবশ্য এ গানটি একসময়ে বিরক্ত লাগতো।
তোমায় নিয়ে আমার ভালবাসা এখন রহস্যময় মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। সে ভালবাসার গভীরতা মাপা সম্ভব ভালবাসা দিয়ে।
আমার স্পর্শ অনুভূতি কুড়াবে তুমি চিঠির বাকশৈলীতে। কেমন হবে বাকী গল্প সেটা হয়তো তোমার আমার মিলনে বলে দিবে। গতকালের হালকা রোদে লেক পার্কে বসে তোমার সাথে কথোপকথন বেশ ভালো লেগেছিলো। তোমার বমির হলুদ রঙে রাঙানো আমার টি শার্ট। ইচ্ছেকৃত ভাবে আমার গায়ের উপর বমি করেছিলে কিনা তা জানিনা।তবে কোন সন তারিখে যখন এটা মনে করে তুমি হয়তো হাসবে! মনে মনে বলবে বেচারা সেদিন কিছুই বলেনি আমায়। আমার কিন্তু খুব ইচ্ছে করে সারাজীবনের জন্য তোমার হাতটা ধরে পাশাপাশি হাটতে। তুমি হয়তো কুলষিত মুখের আয়নায় বিরক্তি উন্মোচন করবে আমার প্রস্তাবে। আমার মনের শহরে ভালবাসার বাণিজ্যিক সম্পর্ক তোমার পরিপাটি শহরে।
তুমি আরো জানতে চেয়েছো আমার মাঝে এমন কি আছে যে আমাকে ভালবাসতে চাও?
সাদামাটা উত্তরে বলছি ওহে প্রিয়,তোমার চুলগুলো ভালো লাগে,তোমার চোখ অসম্ভব রকম প্রিয় আর তোমার হাসির সময় থুতনির পাশে ভাঁজ পড়ার দৃশ্য ভালো লাগে। তোমার গানের সুরে সর্বদাই মোহিত-বিমোহিত হই আমি। নবীন বরণে তোমার গাওয়া গানটি রের্কড করে রোজ একবার করে শুনি। বিরক্তি আসেনা বারংবার শুনেও।
গভীর থেকে গভীরে নানারকম ভালো লাগায় গ্রাসিত হয়েছি তোমার নেশায়।
তোমার কথাগুলো কান দিয়ে খাই,মন দিয়ে হজম করি।
আমার এই নিরেট সত্যগুলো চাঁদকে সাক্ষী বানিয়েছে।
আমি তোমার হাসির কারণ হতে চাই,তোমার চোখ বাঁকানো হাসি দেখতে চাই। মনের কথাগুলো অপ্রকাশের যন্ত্রণা আমি সহ্য করতে পারছিলাম না,তাই চিরকুটে লিখে তোমায় জানান দিলাম। অবশ্য এটা তোমারি আবদার ছিলো। তুমি আমার পথঘাট সহজ করে দিয়েছো।
সরাসরি যা বলা যায় না,তা চিরকুটে অকপটে বলা যায়।
তুমি নামক শহরে আমি নামক অস্তিত্বটা ধূলোর মত,চোখের ঘুমকে ছুটি দিয়েছি আজ তোমায় নিয়ে কবিতা লিখবো বলে। কি কবিতা লিখবো? ভাবতে ভাবতে আরো দুই ঘন্টা জাগ্রত হয়ে রইলাম। কবিতা লিখা আর পাহাড় জয় করা একি কথা। হাজার চেষ্টা করে তোমাকে কয়েকটি লাইন উৎসর্গ করলাম।

তোমার আমার প্রেম কাহিনী,
গানের সুরে বাজলো নবীনবরণে,
তোমার গলার মিষ্টি সুরে!
সেইনা প্রেমের মালা গেঁথে,
সমুদ্রতটের কিনারা ঘেষে,
নাবিকের সুরে যায় যে দূরে।

জোনাক হয়ে জ্বলছে টিপটিপ আলো,
আঁধার রাতের হাসনাহেনা বাগানে,
প্রেম হয়ে ঝরছে রঙ যত ,
তোমার ভালবাসার উঠোনে,
মিষ্টি বোলে যাচ্ছে ভেসে দূরে।

নদীর স্রোত কাব্য হয়ে যায় বহে,
তোমার বুকে প্রেম কাহিনী,
আমার শহর করেছো রঙিন,
মহাকালের শূন্যতার স্রোতের তোড়ে।


চিরকুটের ভিতর কয়েকটি তাজা বকুল কলি দিলাম। শুকিয়ে গেলেও ঘ্রাণ ছড়াবে। এ ঘ্রাণ তোমাকে আহত করবেনা। ডাক বিভাগের কর্মরত বিলুপ্ত ডাকপিয়ন আবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহন করবে আমার চিঠির মাধ্যমে। চিরকুটের জবাব চিরকুটে চাই।
ইতি: তোমার আনাড়ী লেখক।

নোট:বিজ্ঞ ও মাননীয় পাঠকগণ,মেঘলার রান্না করা খাবারের স্বাদ আগামী পর্বে নিতে পারবেন। এ পর্বে আর গল্পটি শেষ করতে পারলাম না। স্মৃতিচারণ একটু বড় হওয়ার কারণে। ভুল ত্রুটি থাকলে ধরিয়ে দিবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাহি না : পুুণ্যময় মুহররমের শিক্ষা

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭



কৈফিয়ত:
দশ মুহররম গত হয়ে চলে গেছে আমাদের থেকে। মুহররমের আজ ১৪ তারিখ। হ্যাঁ, সময় পেরিয়ে যাওয়ার কিছুটা পরেই দিচ্ছি এই পোস্ট। পোস্ট লিখে রেখেছিলাম আগেই। কিছুটা ব্যস্ততার জন্য কম্পিউটারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অটোপসি

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩২

যে পাহাড়ে যাব যাব করে মনে মনে ব্যাগ গুছিয়েছি অন্তত চব্বিশবার-
একবার অটোপসি টেবিলে শুয়ে নেই-
পাহাড়, ঝর্ণা, জংগলের গাছ, গাছের বুড়ো শিকড়- শেকড়ের কোটরে পাখির বাসা;
সবকিছু বেরিয়ে আসবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরব গাঁথা আমাদের ইতিহাস : ঘটনাপঞ্জি ও জানা অজানা তথ্য। [১]

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮


আমার এ পোষ্টটি সবার ভালো না ও লাগতে পারে । যাদের মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের স্বাধীনতার গৌরবগাঁথা সর্ম্পকে বিন্দু মাত্র শ্রদ্ধাবোধ বা আগ্রহ নাই তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকার পথে পথে- ১৪ (ছবি ব্লগ)

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩



ঢাকা শহরের মানুষ গুলো ঘর থেকে বাইরে বের হলেই হিংস্র হয়ে যায়। অমানবিক হয়ে যায়। একজন দায়িত্বশীল পিতা, যার সংসারের প্রতি অগাধ মায়া। সন্তনাদের প্রতি সীমাহীন ভালোবাসা- সে-ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রলীগ নিয়ে শেখ হাসিনার খোঁড়া সমাধান!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৫



Student League News

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, ছাত্র রাজনীতির দরকার ছিলো না; ছাত্ররা ছাত্র, এরা রাজনীতিবিদ নয়, এরা ইন্জিনিয়ার নয়, এরা ডাক্তার নয়, এরা প্রফেশালে নয়, এরা শুধুমাত্র ছাত্র;... ...বাকিটুকু পড়ুন

×