somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

খালেদ সাইফুল্লা
কবে আসবে তুমি ভালোবাসা...আমারও পেতে ইচ্ছে করে তোমার স্পর্শ..ইচ্ছে হয় ভোরের শিশির হয়ে হারিয়ে যাই...মনের জমে থাকা কষ্টগুলো তোমায় বলতে ইচ্ছে হয়...ইচ্ছে হয় তোমার হাতটি ধরে অজানা কে পাড়ি দিতে,বলনা কবে আসবে??

নায়লা আর উদাসীন এর বাসর রাতের গল্প ।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবিপুর ঘটকালিতে উদাসীন এর সাথে নায়লার বিয়ে হয়ে গেল অবশেষে । নায়লাকে ব্ল্যাক একখানা মেইল করে সেখানে ইমোশন এর বাপদাদার ১৪ গোস্ঠী উদ্ধার করে দিয়েছে ছবি আপু । অবশেষে বিয়ে করতে হয়েছে শুটকি ব্যাপারী উদাসীন কে। সে যাই হোক , তারপর আসুন বাসর রাতের কথায় । কি করল উদাসীন আর নায়লা সেটা জানা যাক ।

----- সেদিন ছিল বৃষ্টিভেজা রাত। উদাসীন আরো বেশি উদাস উদাস হয়ে গেল। নায়লা কে পেয়ে তার মাথা ঠিক নেই , মাথায় যে কবিতাটা প্রথম ঘাঁ দিল সেটা বলতে থাকল -----

আজি এই ঘন বরষায় পাতায় পাতায় হিয়া
তুমি না করিলে কে করিত শুটকি ব্যাপারিকে বিয়া ।

নায়লা বলল , আ্যাই দেখ আজেবাজে কবিতা বন্ধ কর বুঝলে , সকালে উঠে আমার জন্য ব্রেকফাস্ট কি শুটকি দিয়ে বানাবে? ঐসব তুমি খাবে আমাকে বাইরে থেকে পাউরুটি এনে দিয়ে যাবে নাইলে আমি কিছু খাবইনা

উদাসীন বলল আচ্ছা তা হবেখন এখন রোমান্স এর সময় এসো কাছে আসো রোমান্চিত হই একটু । দুজনে দুজনার চোখের তারায় হারিয়ে যাই । এই কথা শুনে গা জ্বলে গেল নায়লার , ভাবল মনে মনে বেটা বিয়ের আগে তো একগাদা মেয়ের সাথে টাংকি মেরে এসেছিস এখন আবার আসছে রোমান্স করতে. নায়লা বলল টপিক চেন্জ কর আমি রোমান্স কম বুঝি ঐসব হবেনা আর চোখের তারায় কেমনে হারায় শুনি ? শোন কালথেকে উদাসীন নামটা চেন্জ করে ফেলবে বুঝলে? তোমাকে সবাই উদা মুদা ডাকে খুবই অড ব্যাপার আমার মোটেও ভালো লাগেনা.আর শোন লুন্গি পড়ে আমার সাথে ঘুমোতে আসবে না তাহলে তুমি মেঝেতে ঘুমাবে আমি উপরে নাহলে কিন্তু আমি থাকবইনা বলে দিলাম।

উদাসীনতা কমিয়ে চল নাহলে আমার সাথে আমি তোমাকে রাখব না আর আমি যা বলব তাই করবে ।

ও হ্যা আরেকটা কথা তুমি নাকি বেশ এডাল্ট কোবতে লিখছ আজকাল কালকেই সব উনুনে দিয়ে আমি আলুভাজি রানব বের করে রাখবে ।
উদাসীন মহা ঝামেলায় আছে , বাসর রাতে এত রুলস ? সারাজীবন তো নষ্টের কোঠায় কি হবে এখন ? মনে হয় ছবি আপাকেই কল দিতে হবে ......

ছবিপুর বাসায় রিং -ক্রিং ক্রিং

ছবিপু তখন তেলাপোকার (দুলাভাই) সাথে রোমান্স এ বিজি আর রোমান্স এর সময় তেলাপোকা ডিসটার্ব সহ্যই করতে পারেনা। ছবিপুকে এক ধমক দিয়ে বলল এত রাইতে কেডায় ফোন দিসে তোরে angry , আপু বলল দাড়াও দেখি কি সমস্যা ।

ছবিপু : হ্যালো কি হইসে উদা তোমার বাসর রাইত পালন না কইরা এত রাইতে আমার বাসরঘর ভান্গতেছ কেনো হ্যা?

উদা: আরে ছবিপা মহাবিপদ এযে আমার বাসায় স্যান্ডি পাঠাইলেন আপনি , ঘটকালি তো করছেন আপনে আপনের বইন তো আমারে কচুগাছে ফাঁসি দিবার ব্যবস্থা করছে তারপর উদা সব খুলে বলল।

ছবিপু : সব কিছু শুনে ছবিপু কইল একটাই সমাধান আছে মাইয়া পটাও বাসর রাইত পালন কর সব ঠান্ডা হইয়া যাইব ।আমারে কল দিলে লাভ নাই বউ তোমার তুমি এখন যা মনচায় কর আমি রাখি আমার রোমান্স এ বাধাঁ দিবানা আর বুঝছ

এইবার উদাসীন পড়ল মহা বিপদে কি করা যায় , এই বাসর রাইতেই এত বিপদ , উদা প্ল্যান আটিঁতে লাগিত।

বারান্দায় অনক্ষন চুপচাপ । এইদিকে বউ উসখুস করে করে অস্থির মনে এক সন্দেহের দোলা দুলছে এত রাতে কাকে ফোন করে এই বেটা আর মনে মনে বলে তুই যতই উদাসীন ভাব দেখাস তুই যাতে মাতাল তালে ঠিক আমি ঠিকই বুঝতে পেরেছি । এই ভেবে নায়লা উদা কে ডাক দিল এই কই তুমি শুনছ ?

ঘরে এসো আমার না কেমন ভয় ভয় কচ্চে গোঁ

উদাসীন মিস্টি মধুর কন্ঠ শুনে ঘরের ফাঁদে পা দিল তারপর বারান্দার দরজা এঁটে ঘরে এল হাসিমুখে ।
কিহ, কি বললে তোমার ভয় কচ্চে , কে তোমাকে ভয় দেখায় , কার এত্তবড় সাহস শুনি ।এসো আমার কাছে এসো একটা চুম্বন দিয়ে দেই ভয় একদম করবেনা আর। এই বলে উদাসীন একটা চুম্বন দিল আর নায়লা আতঁকে উঠে বলল তুমি আজও শুটকির গুদামে গিয়েছিলে তোমার সারা শরীরে শুটকির গন্ধ খবরদার কাছে আসবে না একদম । এইকথা শুনে উদাসীন কিছু মনে না করে বিরাট হাসি হেসে জামাকাপড় চেন্জ করে এলো। নায়লা বানু কিছুটা শান্ত হল ।উদা নায়লার জন্য দুলাইন কোবতে আবৃতি করল

''হঠাত সে ফিরে চাইল কি?
উঠিয়ে নেকাব গোলাপ ঠোঁটের মৌনতা ভাঙ্গল কি?''

এই কথা শুনে নায়লা লজ্জা পেয়ে হেসে ফেলল আর উদাসীন মৌনসম্মতিক্রমে গোলাপী লিপিস্টিক খেতে গেল কিন্তু হায় একি এইবার নায়লা এক চিৎকার দিয়ে বিছানা থেকে নেমে গেল . '' তুমি আঁজকে শুটকি খেয়ে দাঁত ও মাজোনি '' এই বলে নায়লা সোফায় ঘুমিয়ে পড়ল রাগ করে আর উদাসীন মুখকালো করে বসে বসে পালন করলো তার বাসর রজনী.



সেজন্য আজও উদাসীন উদাসীন কারন বিবির মনে আসীন হওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয়নি কোনদিন ।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৩
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘Ripe Age’ এবং নিঃসঙ্গতাবোধ

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৪

(চিন্তাসূত্রঃ হঠাৎ পাওয়া একটি চমৎকার ভিডিও ক্লিপ এবং অতঃপরের ভাবনা। ভিডিও লিঙ্কঃ Click This Link

জানিনা, এটা কোন ‘AI content’ কিনা, তবে ৯৯ বছরের পার্থক্যে থাকা এই বৃদ্ধা এবং শিশুটির... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রের ভুলের মূল্য কি তবে শিশুদের জীবন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৪


যেকোনো দেশে শিক্ষিত নাগরিককে রাষ্ট্রের সম্পদ মনে করা হয়। তাদের জ্ঞান, বুদ্ধি আর অভিজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র উপকৃত হবে, এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক সময় চিত্রটা যেন উল্টো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনতে ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত আবেদন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৬


শ্রদ্ধেয় ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত নিবেদন,
ব্লগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা দীর্ঘদিন ধরেই মনে জমে আছে। কথাগুলো কোনো অভিযোগ হিসেবে নয়, বরং একজন সাধারণ ব্লগার ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে কোন 'জঙ্গী' নেই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২৫

'জং' শব্দটার অর্থ 'যুদ্ধ'। এভাবে, জঙ্গী কথাটার অর্থ দাঁড়ায় - যোদ্ধা বা যুদ্ধ করেন। যে কোন যুদ্ধই প্রাণহানি ডেকে আনে। আগের কালে, রাজারা যুদ্ধ করে দেশ জয় করতেন। তাঁদের অণ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×