somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাগটা থামাও, ক্রোধটা নামাও- আত্ম সম্বরণ বা ক্রোধ নিয়ন্ত্রনের সুফল এবং লিমিট ক্রসিং এর কুফল

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সহজ ভাষায় রাগ বা ক্রোধ এই শব্দ দু'টি বা একজন রাগান্বিত বা ক্রোধান্বিত ব্যাক্তির চেহারা মনে আসলেই, আমাদের চোখে ভাসে গুরু গম্ভীর থমথমে কোনো মুখ বা রাগে ফোঁস ফোঁস করে নিশ্বাস পড়া একটা চেহারা অথবা পুরাই এলো মেলো চুলের পাগলা জগাই টাইপ ধেই ধেই করে নেচে চলা মানে রাগে পাগল বা অপ্রকৃতস্ত চেহারার কোনো মানুষকে।

একটু বিশদভাবে বললে, ক্রোধ বা রাগ বলতে আমরা বুঝি, মানুষ ও প্রাণীকুলের মধ্যে একধরনের সহজাত অনুভুতি। মানুষ যখন নৈরাশ্য, অসন্তুষ্টি, অপছন্দ বা কোনরূপ সমালোচনার সন্মুক্ষীণ হয় বা কোন ভয় বা ভীতিকর অবস্থায় পড়ে তখন রাগের সৃষ্টি হয় । এ অবস্থায় মানুষ উত্তেজিত হয়ে নিজ বা অপরের জন্য অনেক সময় ক্ষতিকর কাজ করে বসে।

অনেকে রেগে যাওয়াটাকে জীবনের খুব স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে মেনে নিতে প্রস্তুত কিন্তু এটাকে অন্য কোনো আবেগজনিত দুর্বলতা বলে স্বীকার করতে রাজী নয়। যেমন কারও আচরণে মানসিকভাবে আহত বোধ করলে আমরা সরাসরি সেটার প্রতিকার করার চেষ্টা না করে ক্রোধান্বিত বোধ করি। একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত রাগ মেনে নেয়া গেলেও মাত্রাবিহীন রাগারাগি কারও কাম্য নয়। অতিরিক্ত ক্রোধ স্বাস্থ্য হানিকর।

কখন বুঝবো রাগ সীমা অতিক্রম বা লিমিট ক্রস করে তা ক্ষতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে-
ক্রোধের কারণে বন্ধুবান্ধব যখন এড়িয়ে চলে।
চাকরি বিপণ্ন হয়।
আশপাশের মানুষ রাগী হিসেবে ভয় পেতে শুরু করে।
পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক বিনষ্ট হয়।
অকারন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে মানষিক হতাশা, বিষন্নতার মত সমস্যাগুলি সৃ্ষ্টি হয়।
ক্রোধ বা রাগের কারণে সাধারণ সমস্যাগুলি সুষ্ঠভাবে সমাধানে বুদ্ধিহারা হয়ে ভয়ংকর কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়তে হয়।
ক্রোধ বা রাগের কারনে সংহিস কর্মকান্ডমূলক আচরণ দেখা দেয়।


প্রেমিক/প্রেমিকা একে অন্যকে ছেড়ে চলে যায়।


স্ত্রী, পুত্র বাড়ি ছেড়ে চলে যায় (স্বামীরা অবশ্য খুব একটা যায়না, গেলেও কিছু পরে ফিরে আসে:D
রেগে যাবার বিশেষ কারনগুলো-
মানুষ যখন কোন কারনে দুঃখ পায় বা একাকীত্বে ভোগে তখন একেকজন একেকভাবে তার প্রতিক্রিয়া, অভিব্যক্তি বা রাগকে প্রকাশ করে। রাগ মানুষের শরীরে একধরনের এডরিনালাইন হরমোন নিঃসরন করে যার ফলে পেশীসমূহে উত্তেজনা, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি ও ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায়। অর্থনৈতিক সমস্যা-সংকট ও ঝগড়া বিবাদ, ভয়, মাদকাসক্তি, যুদ্ধ ইত্যাদি বিষয় মানসিক চাপ বাড়ায় যা কিনা রাগ বা ক্রোধের সৃষ্টি করে।

মানুষের জীবনে রাগ অতি স্বাভাবিক এক অনুভুতি তবে সমস্যা তখনই যখন মানুষ তা যথাযথ ভাবে নিয়ন্ত্রন ও পরিচালিত করতে পারেনা। রাগ একটি সমস্যা নয় বরং সমস্যা হলো তাকে সঠিকভাবে পরিচালনা বা মোকাবেলা করতে না পারার অক্ষমতা। একজন ব্যাক্তি ততখানি সফল বা বুদ্ধিমান যতখানি সুচারুরূপে তিনি জীবনের নানা সমস্যাগুলি ঠান্ডা মাথায় সমাধান করতে পারেন।

অসংযত ক্রোধান্মত্ত আচরনের পিছে বংশগত কারণ-
রাগারাগি কি শুধুই স্নায়ুবিক প্রতিক্রিয়া নাকি এর পেছনে বংশগত কারণও রয়েছে? এ ব্যাপারে দু তরফেই নানা রকম যুক্তি প্রমাণ রয়েছে। কারও বাবা-দাদা রাগী হলে তাদের উত্তরপুরুষদের মধ্যেও এর ছাপ পাওয়া যায়, পূর্বপুরুষরা মেজাজি ছিলেন বিধায় এটাকে অনেকে সহজভাবে মেনে নেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। কিন্তু এর পেছনে আসলেই বংশগতি বা ক্রোমোজোমের ভূমিকা আছে কি না, তা আজ পর্যন্ত জানা যায়নি। বিজ্ঞানীরা এখনও ক্রোধের জন্য দায়ী কোন জিন শনাক্ত কিংবা চিহ্নিত করেননি।

তবে অনেকের মধ্যে হঠাৎ হঠাৎ প্রচণ্ড রাগে ফেটে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়। এটাকে অনেকে ‘অকস্মাৎ ক্রোধ বিস্ফোরণ’ নামে উল্লেখ করে থাকেন। এ ধরনের প্রচণ্ড রাগের প্রকাশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আশপাশের মূল্যবান জিনিসপত্র ভাঙচুর করে, এমনকি অন্যদের ওপর শারীরিক আক্রমণও করতে পারে। এটাকে রোগ হিসেবে গণ্য করলেও এর কোন কারণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।


একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি দু’জন ব্যক্তির মধ্যে একজন রেগে যায় অথচ অপর জন কেন ক্রোধান্বিত হয় না? অন্যান্য সাধারণ অনুভূতির মতো এখানে একই ঘটনা ঘটে। একটি ঘটনা কার মনে কীরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, সেটাই রেগে যাওয়া কিংবা না যাওয়ার নিয়ামক। ঘটনাটি যদি ব্যক্তিকে আহত করে কিংবা বেদনার্ত করে তোলে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয় রাগের মাধ্যমে। কিন্তু একই ঘটনা আরেকজনের মনে কোন রেখাপাত করে না কিংবা কোন রকম অনুভুতির সৃষ্টি করে না। তিনি থাকেন নির্বিকার, সুতরাং তার কোন রাগ হয় না।

ক্রোধ পারস্পরিক সম্পর্ক বিনষ্ট করে-
ক্রোধান্বিত ব্যক্তি অপরের জন্য বিপজ্জনক হতে পারেন এবং ক্রোধের আগুনে প্রজ্জ্বলিত ব্যক্তির সঙ্গে অন্যদের সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। আজকাল যত নারী কিংবা শিশু নির্যাতনের ঘটনা আমরা দেখতে পাই, তার অধিকাংশের মূলেই রয়েছে ক্রোধ কিংবা রাগ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ ক্রোধ কিংবা আক্রোশ পুরুষের। সব সময় ক্রোধে ফুঁসতে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে অন্যদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। কারণ রাগী ব্যক্তির সামনে কেউ মুখ খোলে না, কিংবা যুক্তি তর্কে লিপ্ত হতে চায় না। এটা পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক নয়।

ক্রোধ বা রাগ প্রশমনের সবচেয়ে ভাল উপায়-
রাগ মানুষের এক সহজাত আবেগ। যখন মানুষের চাওয়া, পাওয়া তার নিজের মতো করে এগুয় না তখন তার মধ্যে একধরনের নৈরাশ্য সৃষ্টি হয়। তাই বলে এই না যে আমাদের মনের মত করেই পৃথিবী সব সময় চলবে, আর তার বাত্যায় হলেই আমরা ক্রোধে পাগল হয়ে গালাগালি, মারামারি করবো অথবা বন্ধু হয়ে আরেক বন্ধুর পিঠে ছুরি বসিয়ে দেবো। সদা ও সর্বদা মনে রাখতে হবে আমার ইমোশন দিয়ে পৃথিবী চলবেনা।

সে ক্ষেত্রে স্ব-সচেতনতাআত্মসংযমই রাগ প্রশমনের ভাল উপায়। আমরা কোন কিছু বলার বা করার পূর্বে যদি তা একটু উপলদ্ধি করতে পারি বা একটু ভেবে নিয়ে কথা বলি তখন রাগ বা ক্ষোভ প্রশমন অনেকটা সহজ হয়।

রাগের মাথায় উত্তেজনা বশত কিছু না করে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করতে হবে। রাগের যথার্থ কারণ আছে কি না তা ভাবতে হবে এবং বিষয়টির ঠিক-বেঠিক দিক নিয়ে বিশ্লেষণ করতে হবে। ক্রোধান্বিত মস্তিষ্কে এত কিছু ভাবা যায় না। অতএব সমাধান হচ্ছে- সময় নেয়া। মনে রাখতে হবে আজকে যে কারনে রাগ হচ্ছে, আগামীকাল তা নাও থাকতে পারে। কিন্তু রাগের মাথায় যে মানসিক কিংবা শারীরিক আঘাত অপরকে করা হয় সেটা কিন্তু তার পক্ষে ভুলে যাওয়া কঠিন। এজন্য রাগের প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করার পরিবর্তে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে নিরিবিলি কোথাও ঘটনার বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাই সঠিক উপায়।

রেগে গিয়ে কেউ কেউ থালা-বাসন কিংবা ফুলদানি ভাঙে এমন প্রতিক্রিয়াও আশপাশের মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে। এজন্য রেগে গেলে মাইন্ড ডাইভার্টের জন্য কোনো আনন্দদায়ক কাজে নিজেকে আটকে ফেলা উচিৎ।
টিভি দেখা, খেলতে যাওয়া, ব্লগপ্রেমীরা ব্লগ পড়া বা লেখা এ ধরনের ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে খুব সুন্দরভাবে রাগ কমাতে পারে।রাগার অধিকার সবারই আছে, কিন্তু রাগের বশে কাউকে মানষিক ও শাররিক আঘাত করার অধিকার কারও নেই।


অনেক সময় না রাগার জন্য হরেকরকম কসরৎ করেও আমরা ক্রোধ সংবরণ করতে পারি না। এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হয় যে আমরা রেগে যেতে বাধ্য হই এবং হতাশ হয়ে পড়ি। এ রকম পরিস্থিতিতে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন আত্মবিশ্লেষণ। রাগের কারণে হতাশা আসলে ক্রোধ আরও বেড়ে যায়। অতএব হতাশা গ্রাস করার আগেই রাগের কারণ বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অনেকের রেগে যাওয়া একটি অভ্যাসে পরিণত হয়, বলা যায় রেগে যাওয়া একটি নেশা হয়ে যায়। ভয়ংকর হলেও সত্য যে সেসব মানুষ রাগলে তাদের মস্তিষ্কে স্বস্তিদায়ক এন্ডোর্ফিন নিঃসরিত হয়। এজন্য তারা রেগে যাওয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে পারেন না। কিন্তু আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে, রাগের মাথায় কিছু করলে তার ফল কখনই ভালো হয় না।

রাগ প্রশমনের বা দমনের জন্য পেশাদার লোকের সহায়তা-
মানুষের জীবনে উত্থান পতনের সাথে সাথে একধরনের মনোস্তাত্বিক চাপ সৃষ্টি হয়। কোন কোন চাপ ক্ষণস্থায়ী কোনটা বা একটু দীর্ঘস্থায়ী হয়। সময়ের সাথে সাথে প্রাকৃতিকভাবে কিছু কিছু মানসিক ক্ষত সেরে উঠে বা ব্যাক্তি আত্নসংযমবলে নিজেই তা সামলে নেয়। তবে যখন মানুষ ব্যার্থ হয় বা এই মনস্তাত্বিক সমস্যা বলে জীবনে অন্যান্য সাধারণ কর্মকান্ডে খাপ খাওয়াতে পারেনা বা বিভিন্ন বাঁধার সন্মুখীন হয় তখন ঔষধের সহায়তা নেয়ার প্রয়োজন।

মানুষের মনোস্তাত্বিক চাপ বয়স, পেশা ও স্থান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। এ সমস্যাটি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের আরো অধিক জনসচেতনতা দরকার। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের দেশের মানুষের মাঝে এ বিষয়ে ধারণা, প্রশিক্ষন বা উপযুক্ত পদক্ষেপ কম। আমাদের এ ব্যাপারে প্রশিক্ষিত লোকবলও কম রয়েছে।তাছাড়া অতিরিক্ত বা সংযমহীন রাগ বা ক্রোধও যে একটি মনস্তাত্বিক সমস্যা এ বিষয়ে আমাদের দেশের ৯০% মানুষেরই অজ্ঞতা রয়েছে।

সহিংসতার সাথে ক্রোধ বা রাগের সম্পর্ক-
ক্রোধ বা রাগের বশবর্তী হয়ে কোন ব্যক্তি বিশেষ সহিংস বা উশৃংখল হয়ে উঠতে পারে। আমরা নিউজপেপার খুললে প্রায় প্রতিদিনই দেখতে পাই স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন বা বন্ধুর হাতে বন্ধুর মৃত্যু, এমনকি অতি প্রিয় সন্তানও ক্রোধ বা রাগের বশবর্তী হয়ে খুন করে ফেলে জন্মদাত্রী মা বা জন্মদাতা বাবাকে।


ক্রোধোন্মত্ততা থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার জন্য স্ব-সচেতনতাটাই সবচাইতে জরুরী। ব্যাক্তিকে মনে রাখতে হবে তার বয়স, যোগ্যতা, পেশা, জ্ঞান, গরিমা, পারিবারিক শিক্ষা, স্টাটাস, সবকিছুর সাথে অতঃপ্রোতঃভাবে জড়িয়ে আছে তার রাগ বহিপ্রকাশের মাধ্যম বা পথটি। এটি ব্যাক্তির ব্যাক্তিত্বকে চরমভাবে প্রভাবান্বিত করে। ক্রোধউন্মাদ ব্যাক্তি বা রাগে পাগল বা অন্ধ হয়ে অপ্রকৃতস্থ কাজ কর্ম করে ফেলা মানুষটি নিজেকে যতই ভালোমানুষ দাবী করুন না কেনো সমাজে ও পরিবারে তাকে সকলেএকটু হলেও হেয় চোখেই দেখে থাকে। ব্যাক্তি তার নিজের অজান্তেই আশেপাশের মানুষের কাছে নেতিবাচক বা অপছন্দনীয় ব্যাক্তি হিসাবে পরিগনিত হয়।

প্রার্থনা, যোগ ব্যায়ামবা মেডিটেশনের মত নানাবিদ উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে ক্রোধ বা রাগকে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রনে নেয়া যায়।
সাধারণভাবে মনে করা হয় যে, আমরা ক্ষোভ ভুলে যেতে পারি, সময়ের সাথে সাথে ক্ষোভ এমনিতেই দূর হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তব অবস্থা তা নয়। পৃথিবীতে অনেকেই আছেন যারা ২০/৩০/৪০ বছর ধরে ক্ষোভের বোঝা বয়ে বেড়ায়। এই জমাকৃত ক্ষোভই বহু রোগ বা ক্ষতিকর আসক্তির মূল হিসেবে কাজ করে।


ক্ষোভ অনুভব করলে দ্রুত তা প্রকাশ করে ফেলাটাই শ্রেয়। তা না করে ক্ষোভ থাকলে জটিলতার বা মানসিক উত্তেজনার সৃষ্টি হবে। তাই বলে এই না আমি রাগী তাই রেগে গেলে হিতাহিত হারাই ও যাচ্ছেতাই কান্ড ঘটিয়ে ফেলি ।যে কোন সময়ই অনুভূতির প্রকাশে সংযত থাকতে হবে। সুযোগ বুঝে রাগ উৎপাদনকারী ব্যক্তিকে আক্রমণাত্মক কথা বলে চুপসে দেওয়াটা খুব সহজ কিন্তু সেটা করা বড় ভুল।তাই বলে চুপচাপ সব হজমও করতে হবে তাও না বরং এভাবে বলা যেতে পারে আমরা আমাদের মতপার্থক্য নিয়ে আলোচনা করতে পারি বা কথা বলতে পারি, অথবা দেখো তোমার এ বিষয়টি আমার একদম পছন্দ না, এই বিষয়টি নিয়ে আমি খুব কষ্ট পাচ্ছি, এ নিয়ে একটু খোলামেলা আলাপ করাই ভাল বা একটু কথা বলা মনে হয় ভালো হবে।উদ্দেশ্য হবে উত্তেজনার উপশম করা, কাউকে দমন করা নয়।

আলোচনাকালে কাউকে অভিযুক্ত করাটা বোকামী।অপর ব্যক্তিকে আক্রমণ না করেও ক্ষোভের কারণ ব্যাখ্যা করা যায়। সরাসরি অভিযোগ না করে রাগ বা ক্ষোভের কারণ বর্ণনায় আমি বা আমরা শব্দটি ব্যবহার করেও অপর ব্যক্তিকে রাগের কারণ বলা সম্ভব ও সেটাই অধিক ফলপ্রসু। তুমি আমাকে ক্ষেপিয়েছো না বলে, যখন এই ধরনের কিছু ঘটে তখন আমি ক্ষুব্ধ হই এভাবে বলা যেতে পারে। এতে সরাসরি দোষারোপ করা হয়না , আবার পুরো কথা বলাও হয়ে যায়। যে কোন আলোচনায় এভাবে বক্তব্য রাখলে বক্তব্য বলিষ্ঠ অবস্থানে থাকে।

আর আমার বুদ্ধি যা অনেকক্ষেত্রেই পরীক্ষিত ফলপ্রসু যদি মুখে না বলা যায় তো পুরো ঘটনার ও ক্ষোভের বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে চিঠি লিখে ফেলা যেতে পারে। সে চিঠি কোনোদিন ডাকে না পাঠানো হলেও লেখার মধ্য দিয়েই সেই ক্ষোভ বেরিয়ে যাবে। ( এই বুদ্ধি আমার বিশেষ পছন্দ :))

হাস্যরসের উপাদান বা রসবোধ মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী ঘটনা থেকে খানিকটা দূরে সরিয়ে রাখতে পারবে। ঘটনার ভেতরই ঘুরপাক খেয়ে কৌতুকের কিছু উপাদান পাওয়া যেতে পারে। রাগ তরল করার জন্য রসবোধ যে কোনো পরিস্থিতি থেকেই খুঁজে বের করা যায়। হা হা আমি তো ঝগড়ার সময় ব্যাবহার করা নিজের বা অপরের উদ্ভট বিদঘুটে সব শব্দচয়ন ভেবেই হেসে কুটোপাটি হই। অথবা পড়তে বসি কোনো কৌতুকের বই। বা দেখে ফেলি মজার কার্টুন বা মিঃ বিন।

চিন্তার গণ্ডি বাড়াতে হবে। কোনো কোনো চিন্তা নিজের মাঝে ক্ষোভ জাগাতে পারে। বিক্ষুব্ধ করতে পারে। প্রথমে চিন্তাগুলোর জটিল গিঁট থেকে বিকল্প চিন্তার পথ বের করে নিতে হবে। এরপর পাল্টা এগ্রেশন জাগে এমন পরিস্থিতিগুলো পরিবর্তনের চেষ্টা চালাতে হবে।

নিজের প্রতি বা পিছে ফিরে তাকাতে হবে। ক্রোধের কারণে নিজ জীবনে কতটুকু মূল্য দিতে হয়েছে একবার ভাবতে হবে। রাগের কারণে কি কোনো মধুর সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে? ভেঙে গেছে? কর্মক্ষেত্রে কি কোনো জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে? ফলশ্রুতিতে কি কোনো ধরনের দৈহিক ও মানসিক প্রতিক্রিয়া ঘটেছে? বাস্তব প্রমাণ হাতে এলে, মূল্যায়ন সঠিক হবে। নিজেকে সামাল দেওয়ার কৌশল ভেতর থেকেই নিজেকে তখন রক্ষা করবে


সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাজগঠনে রাগ ব্যবস্থাপনা বা এ্যাংগার ম্যানজমেন্ট প্রশিক্ষনের প্রয়োজনীয়তা-
অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর মত আমাদের দেশে রাগ নিয়ন্ত্রন সচেতনতা বা এর সুষ্ঠ চর্চা বলতে গেলে নেই আর এর প্রভাব আমরা প্রতিনিয়ত মিডিয়ায় দেখতে পাই। কিন্তু বিষয়টিকে তেমনভাবে গুরুত্ব দেই না। এ কারনেই পত্রিকায় দেখি, পড়াশুনা না করার অপরাধে একটি শিশুটিকে পায়ে শিকল আর গাছের গুড়ি দিয়ে টানা তিনদিন বেধে রেখে শাস্তি দেয়া হয়েছে । রাগের বশবর্তী হয়ে শিশুদের উপর অন্যায় নির্যাতন শিক্ষক শিক্ষিকা, বাবা মা বা অন্যান্য বয়স্ক মানুষেরা অহরহ করে থাকে।দূর্বলের উপর সবলেরা করে থাকে এমনকি অতি প্রিয় মানুষের সাথেও আমরা যাচ্ছেতাই আচরণ করি যা মোটেও সুস্থ মানষিকতার পরিচায়ক না।কাজেই দরকার সচেতনতা বৃদ্ধি, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, ফ্যামিলী কাউন্সেলিং বা রাগ বা ক্রোধের ক্ষতিকারণ দিক সম্পর্কে প্রতিটা মানুষকে সজ্ঞান করে তোলা।


ক্রোধ বা রাগের গঠনমূলক পরিবর্তন এবং এর সামাজিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে আমাদের গণমাধ্যমগুলো-

ক্রোধ বা রাগের বিষয়ে আমাদের সমাজে প্রচলিত ধারনাগুলো খুবই সনাতন এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি ও ইতিবাচক কোন পরিবর্তন আনতে হলে আমাদের পরিবার, সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল সংস্কার এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। বাংলাদেশে নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতার প্রতিকারে এবং একটি সহিঞ্চু, শান্তিপ্রিয় সমাজ গঠনে গণমাধ্যমগুলো বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।


রাগ সম্পর্কীয় আমার লেখা ছোট্ট একটি ছড়িতা ও সাথে আরও একটি অব্যার্থ্য ক্রোধ প্রশমন পদ্ধতি-
যখন আমার রাগ হলো
ইচ্ছে হলো জীবনটা তার ডিলিট করি,
তাহার আগে ব্লক করি, তাহার আগেও
কথায় কথায় তীক্ষ্ণবাণে বিদ্ধ করি,
হৃদয়টার তার ছিদ্র করি,
খোঁচায় খোঁচায় এফোঁড় আবার ওফোঁড় করি
দোষ গুণ আর বদ স্বভাবের ফিরিস্তি করি
এক এক করে কানা চোখের সামনে তাহা তুলে ধরি
সেসব করেও হলো না লাভ
হলো না কাজ, নষ্ট সময়, ব্যার্থ অকাজ
অবশেষে বুদ্ধি পেলাম একটাই কুল কুল
সাইলেন্স ইজ দ্যা বেস্ট রেসপন্স
টু দ্যা গ্রেট ফুল...........:):):)


এই সাইলেন্স ক্রোধ প্রশমনের আর একটি বিশাল পক্রিয়া।তাই বলে ছবিটির মত অন্যকে সাইলেন্ট করার জন্য তার মুখ চেপে ধরা চলবে না।নিজেকেই চুপ থাকতে হবে। কথায় আছে বোবার শত্রু নাই এর কারনটা ঠিক বোবা কথা বলতে পারেনা তাই তার শত্রু নাই তা নয়, বরং যে ব্যাক্তি হাজার কথা জেনেও ক্রোধ বা রাগের মুহুর্তে তেড়ে মেড়ে যাচ্ছেতাই উল্টো পাল্টা যা তা বলে ফেলে, ধেই ধেই উন্মাদ নৃত্য করে পরে নিজের ব্যবহারে নিজেই লজ্জা না পেয়ে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারে, যৌক্তিক আচরণ ও বাক সংযম দেখাতে পারে সেই প্রকৃত বুদ্ধিমান। আর অবশ্যই সুখী মানুষ হবার ৯৯% সম্ভাবনা আছে তার। কাজেই এই পদ্ধতি অবলম্বন করেও দেখা যেতে পারে।:)

রাগ বা ক্রোধ নিয়ন্ত্রনে অতি সফল পরীক্ষিত কিছু পদ্ধতি---

মেডিটেশন-
http://www.youtube.com/watch?v=lup7kQB5Jhc
2 Minutes meditation: Managing anger and sadness.
http://www.youtube.com/watch?v=Jxo7nvY0Y-A
Transforming Anger and Resistant Emotions Guided Meditation

রিলাক্সেশন মিউজিক- সঙ্গীত প্রেমীদের জন্য :)
http://www.youtube.com/watch?v=0YCAcXiHEdk
Relaxation music -Música relajante, meditación Chinese Bamboo
http://www.youtube.com/watch?v=TZMoS2QBc8U
Calm Music Peaceful Songs: Most Relaxing Music, New Age for M
http://www.youtube.com/watch?v=dOEvKulq2sY
RELAXATION MUSIC FOR STRESS RELIEF AND HEALING

এছাড়াও .............................।
১. শিবরাম রচনা সমগ্র - নিউমার্কেট থেকে কিনে সংগ্রহে রাখতে হবে।:) (মামুন ভাইয়াদের মত রম্যপ্রেমী ভাইয়াদের জন্য)
২.বাঙ্গালীর হাসির গল্প ( একরামুল শামীম ভাইয়ারদের মত হাসিখুশি মানুষদের জন্য)
৩. http://www.youtube.com/watch?v=uu3pEZyFlL8
http://www.youtube.com/watch?v=3saas78zKXI
অনন্ত জলিলের সাক্ষাৎকার ( আমার প্রিয় রাশেদভাইয়া বা নাভানার সিভিল ইন্জীয়ার ভাইয়াদের জন্য)
৪. http://www.youtube.com/watch?v=PKJhg-Ps7Cg
হরিণছানার গান ( মিতিনবাবু বা রিমঝিম কন্যা সারাহমনিদের মত কন্যা ও তাহাদের দুষ্টুমীতে অস্থির হয়ে ওঠা আম্মুদের জন্য)
৫. রবীন্দ্র বা নজরুল বা রাগপ্রধান সঙ্গীত। http://www.youtube.com/watch?v=48KYtVLxtns
ভালোবাসি
http://www.youtube.com/watch?v=gHpl8I6oEXo
তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি
http://www.youtube.com/watch?v=Y7rZUflR1M4
পিয়াকি নাজারিয়া ----- ইখতামিন, স্বর্না আর রাজীব নূর ভাইয়াদের জন্য:)
৬. http://www.youtube.com/watch?v=Q7ZMIUOqhHE
9 Different Eyeliner Looks
রুপচর্চা ইউটিউব ( আমার মত সাজুগুজুপ্রিয় আপুদের জন্য) বিথী আর অদ্বিতীয়ামনি আর কে কে আছে তাদের জন্য?
৭. http://www.youtube.com/watch?v=8EuEZc4FF5Q
Recipe Secrets - Recipes From Famous Restaurants সুরঞ্জনা আপু আর নীলুমনির জন্য:)
৮. http://www.youtube.com/watch?v=6S6IJWilpx4
রোমিও জুলিয়েট ম্যুভি ( লিঙ্কিন পার্ক ভাইয়ার জন্য)
৯. http://www.youtube.com/watch?v=PjgqAB5xhOA
মিঃ বিন ম্যুভি
১০. http://www.youtube.com/watch?v=ockVlFKhttQ
ভুতের সিনেমা- দেখতে দেখতে যখন মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠবে ও নিজেকেই ভুতের মত লাগবে দেখতে, মন তো ডাইভার্ট হবেই সব ভয়, রাগ দুঃখ কোথায় উবে যাবে !!!.....প্রদীপ হালদার ভাইয়ার জন্য
১১.http://www.youtube.com/watch?v=L43oC_5HZmY
বেবিস ডে আউট- শামসীর ভাইয়াদের জন্য
১২.http://www.youtube.com/watch?v=UHXTgqo_P8w
প্রেমের কবিতা ( অপু ভাইয়াদের মত প্রেমিক ভাইয়াদের জন্য)
১৩. http://www.youtube.com/watch?v=aIf60U7s3QY
The Invisible Man: অদৃশ্য ভাইয়ার জন্য
১৪. http://www.youtube.com/watch?v=iy4mXZN1Zzk
Feel ( যারা ভালোবাসা ফিল করতে জানেনা তাদের জন্য)

আর যখন তুমি জানো তোমার অপরাধের ক্ষমা নেই। ইউ আর ফরগিভেন ফর লটস অফ টাইম... .. তখন নিজেকেই নিজে ক্ষমা করে সুন্দর আগামীতে এগিয়ে যাবার জন্য অব্যার্থ মেডিটেশন---:)
১৫. http://www.youtube.com/watch?v=P-7OzbeGud8
Self-Forgiveness Meditation

ট্রাই ইট এ্যান্ড বি হ্যাপী ইন ইওর লাইফ।:) :) :)
মন ও মানষিকতা- মেহতাব খানম
মন ও মানুষ- ডঃ মোঃ তাজুল ইসলাম
পোস্টটা কাকে উৎসর্গ করা যায়?? কাকে করা যায়??? রাতুল নাকি কল্প? কল্প নাকি রাতুল??? নাকি অন্য কাউকে? থাক পোস্টখানি রাতুল শাহ আর কল্প মানে কল্পবিলাসী স্বপ্নভাইয়া এই দু'জনকেই উৎসর্গিত করা হইলো।

জগতের সকল প্রাণী সুখি হৌক!!!!!!!!!!!!!! :) :) :)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৩
২৪৩টি মন্তব্য ২৪৮টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কাজে যোগদান ভুল হচ্ছে, ইউরোপ আমেরিকায় শীপমেন্ট বন্ধ থাকার কথা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:১৭



গত ৪০ বছরে, গার্মেন্টস'এর মালিকরা ও অন্যান্য মধ্যভোগীরা যেই পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে, তাতে তাদের কর্মচারীদের বিনা কাজে ২/১ বছর মিনিমাম বেতন দেয়ার ক্ষমতা তারা রাখে। গার্মেন্টস'এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ কেলা?

লিখেছেন মোহাম্মাদ আব্দুলহাক, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৮




মানুষ মারার সব আছে, আহত অথবা অসুস্থ মানুষকে সম্পূর্ণ সুস্থ করার কিচ্ছু নেই। কেন জানেন? আঁতেলরা বলেন, মানুষ মানুষকে মারতে পারে, মানুষ মানুষকে বাঁচাতে পারে ন। জন্ম মৃত্যু মুসলমানদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

— করোনার সাথে পথে চলতে চলতে———

লিখেছেন ওমেরা, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২



সারা পৃথিবী লক-ডাউন হয়ে আছে কভিড- ১৯ করোনা আতংকে। মানুষের প্রতিটা মূহুর্ত কাটছে ভয় আর উৎকন্ঠায়। এই মূহুর্তে সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র ব্যাতিক্রম দেশ,সেই দেশের বাসিন্দা আমি, নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

থটস

লিখেছেন জেন রসি, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪৬





১৮৪৬ সালে মার্কস এবং এঙ্গেলস মিলে “The German Ideology” নামে একটা বইয়ের পান্ডুলিপি লিখেছিলেন। কিন্তু বইটা প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে। এই বইতে তারা শুধু ভাববাদকেই না ফয়েরবাখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা কমপক্ষে গার্মেন্টস'এর ছুটিটা নিজ হাতে কন্ট্রোল করতে পারতো

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৫২



শেখ সাহেব জানতেন যে, উনার মেয়ে বুদ্ধিমতি নন, সেজন্য মেয়েকে রাজনীতিতে আসতে দেননি; কিন্তু রাইফেল জিয়া শেখ হাসিনার জন্য পথ রচনা করে গেছে। কমবুদ্ধিমানরা অনেক সময় খুবই নিবেদিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×