somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আধুনিক ফ্যাশন এবং মেয়েদের বদলে যাওয়া

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে দেশজুড়ে। দিনবদলের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তিত হয়েছে আমাদের চারপাশ। তার ছোঁয়া লেগেছে রূপভাবনায়ও। আগের দিনকার রূপ সচেতনতা পর্যায়ক্রমে হয়ে উঠেছে আধুনিক থেকে আধুনিকতর। আবার রিসাইক্লিং ধারা অনুসরণ করে ফিরে এসেছে পুরোনো ফ্যাশনগুলোও। তবে তার সাথে যোগ হয়েছে নতুন ভাবনা।

চুলের স্টাইলের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছে হেয়ার রিবন্ডিং। অনেকের কাছে কৃত্রিমভাবে চুল কোকড়ানো বা কার্লিভাবটাও প্রিয় বলে বিবেচিত হয়েছে। হেয়ার এক্সটেনশন করে চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য বাড়াতে দেখা গেছে অনেককে। একই সাথে চুলে মাল্টিকালারের রিবন ব্যবহারের জনপ্রিয়তাও ছিল আকাশচুম্বি।

চোঁখের সাজের ক্ষেত্রে ফিরে এসেছে সেই পুরোনো ট্রেন্ড। ’৬০ দশকের মতো করে আইলাইনার দিয়ে টেনে চোখকে লম্বা একটি ভাব দেয়ার প্রবণতা দেখা গেছে অনেকের মাঝে। এর সাথে চোখে ঘনকালো করে শ্যাডো দিয়ে ধোঁয়াশা ভাব তৈরি করেছে অনেকে। এছাড়া দুই চোখে ভিন্ন ভিন্ন রঙ ব্যবহার করে সাজানো হয়েছে চোখ। উপরে নিচে সমান পুরুত্বে কাজল ব্যবহারও যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে।

নতুন করে সাজিয়ে তোলার ধারাবাহিকতায় খানিকটা ভাটা পড়েছে ঠোট সাজানোতে। অবশ্য সাদাসিদে ঠোঁটটাই অধিকাংশের কাছে ফ্যাশন বলে পরিচিত হয়েছে। গাঢ় রঙের পরিবর্তে ঠোঁটের সাজে ব্যবহৃত হয়েছে হালকা রঙ। পাশাপাশি ছিল গ্লস ব্যবহারের আধিক্য। গ্লসের উপর গ্লিটার ছড়িয়ে দিয়ে ঠোঁটের সাজকে নেয়া হয়েছে ভিন্ন উচ্চতায়।

ফ্যাশন সচেতন তরুণীদের কাছে সম্প্রতি যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে মেহেদী ব্যবহার। লাল মেহেদীর স্থলে বেড়েছে কালো মেহেদী ব্যবহারের প্রবণতা। মেহেদী ব্যবহারের স্থানের ক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তন। হাতের তালুর বদলে পিঠের অংশেই মেহেদী পরতে দেখা গেছে অধিকাংশকে। ট্যাটু ব্যবহারের প্রবণতাও বেড়েছে অনেকখানি।

সবকিছু ছাড়িয়ে একদম নতুনভাবে ট্রেন্ডে যুক্ত হয়েছে নখের সাজ। একাধিক কোট ব্যবহার করে নখের বাইরে খানিকটা অংশ সাদা করার যথেষ্ট মাত্রায় লক্ষ্য করা গেছে। নখে নানারঙের স্টিকার লাগিয়ে দেয়া হয়েছে ভিন্ন লুক। তাতে আধুনিকতার পাশাপাশি ছিল ভিন্নতার ছোঁয়া।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×