আমেরিকার একটি ধর্ম আছে, তারা নিজেরাই কৃত্তিম শত্রু তৈরী করে, এরপর তাকে দমনের নাম দিয়ে বিভিন্ন স্বার্থ উদ্ধার করে। আইএস,বকোহারাম, আল-কায়েদা,তালেবান গোষ্ঠীও হচ্ছে সেই রকম মার্কিনীদের এক একটি বানানো শত্রু। এদের সৃষ্টিকর্তা মার্কিনীরাই। এদের ফান্ডদাতা মার্কিনীই।
সোভিয়েত বিরোধী যুদ্ধের সময় আফগানিস্তানকে সাহায্যের নাম দিয়ে তালেবানদের ভেতর প্রবেশ করে যায় মার্কিনীরা। অথচ উপর দিয়ে সবাই জানে মার্কিন-তালেবান ঘোর শত্রু। এই তালেবানদের মাধ্যমেই ইউএস- ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তানে লক্ষ লক্ষ টন পপি-আফিম চাষ করে এবং বিশ্বজুড়ে বিশাল মাদকের ব্যবসা করে। অথচ ইসলাম মাদককে হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছে।
আপনারা দেখছেন, এ সকল তালেবানরা পাকিস্থানে দেড় শতাধিক শিশুকে হত্যা করেছে। অথচ ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে, জিহাদের ময়দানে (কাফির হলেও) নারী-শিশুদের হত্যা করা সম্পূর্ণ নিষেধ। এমনকি জিহাদে একটি গাছের পাতা ছেড়াও ইসলামে নিষিদ্ধ। অর্থাৎ তালেবানদের এ অপকর্ম মোটেও ইসলাম সমর্থিত নয়।
মূলত: কাফির-মুশরিকদের স্বভাব হচ্ছে কোন স্থানে গেলে প্রথমে নারী-শিশুদের হত্যা করা। ইরাক-সিরিয়া-নাইজেরিয়া-ফিলিস্তিন-গুজরাট সব যায়গায় দেখা যায়, কাফিররা প্রথমে মুসলিম নারী ও শিশুদের উপর আক্রমণ করে। আর তাদের এজেন্ট তালেবানদের মধ্যে সেই স্বভাবটি প্রতিফলিত হচ্ছে। তারাও শিশুদের উপর আক্রমণ করছে।
প্রকৃত পক্ষে যতদিন বিশ্বব্যপি সন্ত্রাসী হামলার ভয় থাকবে তত দিন আমেরিকার সব থেকে বড় আর্থিক খাত অস্ত্র ব্যাবসা ভালো চলবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৮:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


