রুবেল, হ্যাপি নিয়ে দুইখান কথা বলি।
আমি জনপ্রিয় কোন পাবলিক ফিগার না। জনপ্রিয় পাবলিক ফিগাররা সমালোচনা হতে পারে এমন ইস্যু নিয়ে কথা বলতে চান না। সমালোচনার পথ খোলা রেখেই বলছি -
হ্যাপি কোন ভিত্তিতে বিচার চাইছে?
- রষ্ট্রীয় আইনে বিয়ে করেছিলেন তিনি?
যদি না করে থাকেন তাহলে রাষ্ট্রীয় কোন আইনে তিনি বিচার চান?
- ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী তিনি ঘটনা ঘটিয়েছিলেন?
তাহলেতো পাথর ছোড়ে তাকে মেরে ফেলা টাইপ বিধান দিতে হবে। বাংলাদেশ তো ধর্মীয় শাষনে চলা দেশ না, নিজস্ব সংবিধান অনুযায়ী চলা দেশ। তাই তিনি বেঁচে গেলেন।
- নিজে যেচে রুবেলের ফ্ল্যাটে গিয়ে একাধিক বার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। একবার যখন হলেন তখন কেন মামলা করলেন না? এক এর অধিক বার পর্যন্ত স্বেচ্ছায় কেন বারবার গেলেন? সখ না থাকলে তো...
- রুবেল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। ভালো কথা, একটা গল্প বলি-
শাশুড়ীর কাছে ছেলের বৌ বলছে, আম্মা ও বলছে এই মাসে একটা গাড়ী কিনবে আমার জন্য। শাশুড়ী বল্লো, আগে বলছে না পড়ে বলছে? বৌ বল্লো, আগে। শাশুড়ী তখন হাত ঝাড়া দিয়ে বল্লো, নে নে কাজ কর। ছেলে তো কমই বলে। তার বাপ তো দুনিয়া দিয়া দিতো। বিষয়টার সাথে কি নারী হয়ে হ্যাপী পরিচিত না?
সৃষ্টির কিছু রহস্য থাকে। এখানে নারী নারী সুলভ আচরণ করবে, পুরুষ পুরুষ সুলভ। বিষয়টা সৃষ্টিকর্তাই গড়ে দিয়েছেন এমন করে। এখন অভিযোগ সৃষ্টিকর্তাকে করা ছাড়া গতি নাই।
সম্পর্কে পুরুষ এগিয়ে যাবে, এমনই সৃষ্টির রহস্য। শুধু মানুষে না সমস্ত সৃষ্টিকূলে এমনই হয়। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরী হতো না। প্রকৃতির এ এক খেলা। সৃষ্টি টিকিয়ে রাখার খেলা।
-০-
সব শেষ রুবেলকে বলতে ইচ্ছা করছে
ব্যাটা তুই জাতীয় দলে খেলস, এতটুকু বুদ্ধি নাই নিজের মান সম্মান বাঁচানোর! এতউ যদি খায়েস থাকতো তো বিয়ে থা করতে সমস্যা কই ছিলো? মাগনা মদ খাইলেই তো পরে খোটা শুনতে হয়। আর তুমি মিয়া...। নাহ্ আক্কেল সেলামী বলতে একটা বিষয় আছে। এই সেলামী দিতে গিয়ে এখন দেখো পাবলিক ডিমান্ডে তোমার খেলাটাই বন্ধ হয়ে যায় কি না। যদিও তার কোন যৌক্তিক কারন থাকার কথা না।
-০-
নারীর সম্মানে আমি এক পা এগিয়ে। কিন্তু যে নারী সম্মানের কথা মাথায় না রেখে লোভ করবে। পরে আবার হায় সম্মান, হায় সম্মান বলে বিলাপ করবে তার বিলাপ আমার কাছে একটু বেমানানই লাগে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


