
শুধুমাত্র মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে শুভেন্দু। তার বক্তব্যের মূলপ্রতিপাদ্য হলো হিন্দু খতরে মেঁ! আশ্চর্যের বিষয় হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা নাকি মুসলিমদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে, কিছুদিন পরেই নাকি পশ্চিমবঙ্গ সহ পুরো ভারতে হিন্দুরা সংখ্যা লঘিষ্ঠ হয়ে উধাও হয়ে যাবে। বাংলাদেশের শিক্ষিত সুশীলরা পশ্চিমবঙ্গের দাদাদের সেকুলার হিন্দু বলে আনন্দে গদগদ এদিকে তারা বাংলাদেশে মৌলবাদীর উত্থানে হইচই কেঁদেকেটে গলা ফাটাচ্ছে।
কিছুদিন আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রী গদগদ হয়ে প্রধান মন্ত্রীর পত্র নিয়ে মোদি ও বিজেপি প্রধান নাড্ডা না বালডা কি নাম তার সংগে দেখা করতে গিয়েছিল কিন্তু উহারা কোন পাত্তাই দেয়নি অগত্যা কোন এক যদুর হাতে পত্র দিয়ে বিদায় নিয়েছে। নেপাল সবদিক দিয়ে বাংলাদেশের পিছনে তারপর নেপালের প্রধানমস্ত্রী বালেন্দর শাহ মেরুদন্ড সোজা করে ভারতকে বলে দিয়েছে সমমর্যাদার কথা: তার সংগে দেখা করতে হলে প্রধানমন্ত্রী অথবা পররাস্ট্র মন্ত্রীর নীচে কেউ দেখা করতে পারবেনা এবং এখন থেকে পরিচয়পত্র ছাড়া ভারতীয়রা নেপাল যেতে পারবেনা। ইহাকেই বলে মেরুদন্ড সোজা।
নেপালের একজন নাগরীককে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী গুলি করে হত্যা করলে পুরো নেপাল অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল অবস্থা বেগতিক দেখে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিল অন্যদিকে আমাদে সীমান্তে বলতে গেলে প্রতিদিনই মানুষ হত্যা করছে কিন্তু আমরা মেরুদন্ড সোজা করে কথা বরতে পারছিনা।
ভারতে কোন বাংলাদেশের দালাল নেই কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো মোদির পয়দা করা ভারতের দালালের অভাব নেই বাংলাদেশে।
শুভেন্দু ক্ষমতায় আসার পরপরই পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতন বেড়ে গেছে কয়েকগুন যদিও পুরো ভারতে মুসলিম নির্যাতন হচ্ছে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত সেগুলো আমাদের দালাল মিডিয়াগুলোতে আসছেনা, ছেটেফোঁটাও আসছেনা।
মোদির পয়দা করা সন্তানগুলো ভারতের ভিসা নিয়ে খুবই চিন্তিত যদিও গত ২ বছর ভারতে না যাওয়ায় বাংলাদেশের কোন ক্ষতিই হচ্ছেনা। ভাবুন ভাবুন ভাবা প্রাক্টিস করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

