এই পৃথিবীতে মা কে নিয়ে যতটা লেখালেখি তুলনামূলক খুব কম লেখালেখি হয় বাবা কে নিয়ে।তার কারনটা কিন্তু বাবা কম আদর করে তা নয়।কারন হল এই মানুষটিকে আমরা খুব কম কাছে পাই।এই মানুষটি সব সময়েই মাকে বলছে আমাদের দেখে রাখতে আর নিজে চলে যাচ্ছে কর্মস্থলে আমাদের ভালো ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে।।তাই কাছ থেকে দেখা হয়না বলে বাবা নিয়ে লেখা হয় না।বলা হয়ে উঠে না বাবা তোমাকে অনেক ভালবাসি।
বাবার মেরুদণ্ডের সমস্যার পর বাবার সাথে হাসপাতাল থাকাকালীন সময়ে বুঝতে পারছি বাবা কতটা ভালোবাসো তুমি আমাদের।আমার বাবার এই সমস্যার প্রধান কারণ অতিরিক্ত পরিশ্রম। আমার বাবা স্বাস্থ্য সচেতন ব্যাক্তি।এই সমস্যার পর যখন ডাক্তার বলছেন আপনাকে কয়দিন রেস্টে থাকতে হবে তখন বাবা বলছে তিনি থাকবেনা।তার চিন্তা তার সাথে আমরা থাকছি বলে আমাদের সমস্যা হচ্ছে কিংবা পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে।
ইসিজি করার আগে যখন বাবাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছিল তখন বহু কষ্টে নিজেকে বিরত রেখেছি ডাক্তারের নিষেধের কারনে।এরপর তুমি থিয়েটারে ঢুকার পর বাথরুমে গিয়ে কেঁদেছি অনেক্ষন। ডাক্তারের পরামর্শ আর থেরাপির মাধ্যমে বাবা এখন আল্লাহ রহমতে সুস্থ। এরপর তোমার সুস্থ হয়ে বাসাতে আসা।আর সেই পুরনো ঝাড়ি খাওয়া।।
হাসপাতালে থাকাকালীন সময়ে সত্তই তোমার ঝড়িগুলো অনেক মিস করছি।এখন আর তোমার ঝাড়ি খেলে খারাপ লাগে না।তুমি না ঝাড়লে কে ঝাড়বে তোমার এই অধম পুত্রকে!!!
ও আব্বা তোমাকে অনেক ভালোবাসি।।
সামনা-সামনি বলতে গেলে পোলা হয়েও লজ্জায় লজ্জাবতী হয়ে যাবো!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


