somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অন্ধ ধার্মিকত্ব, অন্ধ রাজনীতির কবলে দেশ ও জাতী

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মনে বিরাট কষ্ট পেলাম আজ। কিছু কথা না বললেই মনে শান্তি পাচ্ছিলাম না।
প্রতি দিনের মত আজও ঘুম থেকে উঠে টিভি দেখলাম, সারা দেশে হরতাল ভালো ভাবেই পালন হচ্ছে। মনে মনে একটু খুশিই হলাম। হরতাল হলে এ ধরনের হরতালই দরকার। মনে হলো বাংলাদেশের মানুষ আসলে ইসলামকে ভালো বাসে। এটা প্রমান হল। আসলে আমি হেফাজতে ইসলাম বলেন আর শিবির বলেন কোন দলকেই পছন্দ করিনা। কারন ধর্ম নিয়ে কখনও রাজনীতি সম্ভব নয়। কারন রাজনীতিতে মিথ্যা ছাড়া কোন কথাই নাই্।
যাই হোক, অফিসে জরুরী কাজ বিধায় মোটর বাইক নিয়ে রওয়ানা দিলাম বাড়ি থেকে মৌলভীবজারের উদ্দেশ্যে , অনেকটা জায়গা এসেছি কোথাও কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেনি। যে মাত্র মোকাম বাজার পার হয়ে জগন্নাথপুর এলাকায় আসলাম দেখলাম রাস্তায় কম বয়সের ছোট ছোট ছেলেরা বসে আছে। তারা আমার সাইকেল আটকালো আমি তাদেরকে পরিচয় দিয়ে বললাম ভাই আমি একটু সামনে যাব। প্লিজ আমাকে যেতে দিন।
কাছে আসতেই দেখলাম আরো অনেক লোকজন আছে। তাদের মধ্যে অনেক লোক আমার সাইকেলের পাশে এসে আমার ছাবিটা নিয়ে নিলো, অনেক্ই আজে বাজে কথা বলা শুরু করল। আমি উনাদের বললাম আপনাদের আজকের এই হরতালে আমার পুর্ন সমর্থন আছে। কিন্তু আমার একটা জরুরী কাজ থাকায় আমি বাধ্য হয়ে আসছি। ওরা আমার কোন কথাই শুনলনা। আমাকে একজন বলল আপনি কার্ড দেখান। অন্যজন এসে আমাকে সাইকেল থেকে নামালো নামিয়ে বাইকটি রাস্তায় ফেলে আগুন ধরানোর কথা বলল। আমি বললাম ভাই আমি একজন মুসলমা। এবং ধার্মিক। নবী প্রেমী। আমার মুখ্যে দাড়ীও আছে। একজন বলল দাড়িত শাহবাগীদেরও আছে ডা. ইমরানের ও দাড়ী তোমার মত। রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর ও দাড়ী রেখেছিল। এ রকম নানা কথা বার্তা বলে ওরা অনেক উত্তেজিত হয়ে আমাকে আক্রমনাত্তক অবস্থায় হঠাত একটি মোটর বাইক আমার পাশে দেখতে পেলাম, লোকটি সবা্র উদ্দ্যেশ্যে বলতেছে এ ভাই উনাতে ছেড়ে দিন উনি আমাদের শ্রীমঙ্গলের সাংবাদিক। উনি সাংবাদিক মানুষ। উনাকে যেতে দিন।
আমি যখন মিডিয়ার সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম তখন ওই ভদ্রলোক এসআই হান্নান শ্রীমঙ্গলে দায়িত্বরত ছিলেন।
উনার কথা শুনার পর ওরা কিছুটা শান্ত হলেও বাকী অনেক্ই আমাকে ধরে খেয়ে পেলার মত অবস্থা।
আমি মনে অনেক কষ্ট পেলাম, এবং তাদেরকে বুঝাতে চাইলাম যে তোমরা রাসুল (সঃ) কে যতখানি ভালোবাস তার ছেয়ে সামান্য পরিমান কম ভালোবাসা আমার মধ্যে নেই। তাহলে কেন ওরা আমার সাথে এ রকম করলো?? কেন? কেন?
আসলে এ রকম অশিক্ষিত মুর্খ্য ধার্মিকদের কারনেই আজ সমাজে ইসলামের নামে বদনাম হচ্ছে।
আল্লাহ পাক আমাকে কিছুটা হলেও কোরআন-হাদিস পড়ার তওফিক দিয়েছেন আমি কোথায় এ রকম ব্যবহারের কথা একজন মুসলমানের সহিত আর একজন মুসলমানের পাইনি।

হেফাজতে ইসলামের কোন ভাই যদি আমার এই লেখাটি পড়ে থাকেন আমাকে বলবেন কি আপনারা কোথাও কি এ আছরনের কথা কোরআর-হাদিসে লেখা আছে দেখাতে পারবেন। প্লীজ আমার এ লেখাটিকে নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না। আমি শুধু আমার মনের কষ্টটা এখানে আপনাদের শেয়ার করলাম।


ইতি
শাহাবমনে বিরাট কষ্ট পেলাম আজ। কিছু কথা না বললেই মনে শান্তি পাচ্ছিলাম না।
প্রতি দিনের মত আজও ঘুম থেকে উঠে টিভি দেখলাম, সারা দেশে হরতাল ভালো ভাবেই পালন হচ্ছে। মনে মনে একটু খুশিই হলাম। হরতাল হলে এ ধরনের হরতালই দরকার। মনে হলো বাংলাদেশের মানুষ আসলে ইসলামকে ভালো বাসে। এটা প্রমান হল। আসলে আমি হেফাজতে ইসলাম বলেন আর শিবির বলেন কোন দলকেই পছন্দ করিনা। কারন ধর্ম নিয়ে কখনও রাজনীতি সম্ভব নয়। কারন রাজনীতিতে মিথ্যা ছাড়া কোন কথাই নাই্।
যাই হোক, অফিসে জরুরী কাজ বিধায় মোটর বাইক নিয়ে রওয়ানা দিলাম বাড়ি থেকে মৌলভীবজারের উদ্দেশ্যে , অনেকটা জায়গা এসেছি কোথাও কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেনি। যে মাত্র মোকাম বাজার পার হয়ে জগন্নাথপুর এলাকায় আসলাম দেখলাম রাস্তায় কম বয়সের ছোট ছোট ছেলেরা বসে আছে। তারা আমার সাইকেল আটকালো আমি তাদেরকে পরিচয় দিয়ে বললাম ভাই আমি একটু সামনে যাব। প্লিজ আমাকে যেতে দিন।
কাছে আসতেই দেখলাম আরো অনেক লোকজন আছে। তাদের মধ্যে অনেক লোক আমার সাইকেলের পাশে এসে আমার ছাবিটা নিয়ে নিলো, অনেক্ই আজে বাজে কথা বলা শুরু করল। আমি উনাদের বললাম আপনাদের আজকের এই হরতালে আমার পুর্ন সমর্থন আছে। কিন্তু আমার একটা জরুরী কাজ থাকায় আমি বাধ্য হয়ে আসছি। ওরা আমার কোন কথাই শুনলনা। আমাকে একজন বলল আপনি কার্ড দেখান। অন্যজন এসে আমাকে সাইকেল থেকে নামালো নামিয়ে বাইকটি রাস্তায় ফেলে আগুন ধরানোর কথা বলল। আমি বললাম ভাই আমি একজন মুসলমা। এবং ধার্মিক। নবী প্রেমী। আমার মুখ্যে দাড়ীও আছে। একজন বলল দাড়িত শাহবাগীদেরও আছে ডা. ইমরানের ও দাড়ী তোমার মত। রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর ও দাড়ী রেখেছিল। এ রকম নানা কথা বার্তা বলে ওরা অনেক উত্তেজিত হয়ে আমাকে আক্রমনাত্তক অবস্থায় হঠাত একটি মোটর বাইক আমার পাশে দেখতে পেলাম, লোকটি সবা্র উদ্দ্যেশ্যে বলতেছে এ ভাই উনাতে ছেড়ে দিন উনি আমাদের শ্রীমঙ্গলের সাংবাদিক। উনি সাংবাদিক মানুষ। উনাকে যেতে দিন।
আমি যখন মিডিয়ার সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম তখন ওই ভদ্রলোক এসআই হান্নান শ্রীমঙ্গলে দায়িত্বরত ছিলেন।
উনার কথা শুনার পর ওরা কিছুটা শান্ত হলেও বাকী অনেক্ই আমাকে ধরে খেয়ে পেলার মত অবস্থা।
আমি মনে অনেক কষ্ট পেলাম, এবং তাদেরকে বুঝাতে চাইলাম যে তোমরা রাসুল (সঃ) কে যতখানি ভালোবাস তার ছেয়ে সামান্য পরিমান কম ভালোবাসা আমার মধ্যে নেই। তাহলে কেন ওরা আমার সাথে এ রকম করলো?? কেন? কেন?
আসলে এ রকম অশিক্ষিত মুর্খ্য ধার্মিকদের কারনেই আজ সমাজে ইসলামের নামে বদনাম হচ্ছে।
আল্লাহ পাক আমাকে কিছুটা হলেও কোরআন-হাদিস পড়ার তওফিক দিয়েছেন আমি কোথায় এ রকম ব্যবহারের কথা একজন মুসলমানের সহিত আর একজন মুসলমানের পাইনি।

হেফাজতে ইসলামের কোন ভাই যদি আমার এই লেখাটি পড়ে থাকেন আমাকে বলবেন কি আপনারা কোথাও কি এ আছরনের কথা কোরআর-হাদিসে লেখা আছে দেখাতে পারবেন। প্লীজ আমার এ লেখাটিকে নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না। আমি শুধু আমার মনের কষ্টটা এখানে আপনাদের শেয়ার করলাম।


ইতি
শাহাব
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ২:১০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×