সব প্রয়োজনীয় পেপারস
ফটোকপি করে,সেগুলো নিয়ম মাফিক সত্যায়িত করে পরদিন গেলাম জমা দিতে... (নিয়ম মাফিক জিনিসটা এরকম ছিল, একজন এম বি বি এস ডাক্তারের চেম্বারে ২ ঘন্টা বসে থাকার পর
পেপারগুলা সাইন করা,সিল দেওয়া)!
জমা দেওয়ার আগে আমার দুই ফ্রেন্ডের কার্যকলাপ:
-ধুঃশালা,এইচ এস সির দুইটা তো সত্যায়িত করি নাই।
-হারামি কস কি? খারা সিস্টেম আছে..আমার কাছে সিল আছে,সই ডা তুই কর।
হয়ে গেল সত্যায়িত...
কি দরকার ছিল আমার অত কষ্ট করে সত্যায়িত করার? একটা সিলমোহর আর কালার প্যাড
থাকলেই তো...সাইনটা না হয় ওই ফ্রেন্ডটা নিপুন হাতে করে দিত! একজনকে হয়ত আমার সামনে দেখলাম, কতজন নির্ভেজাল
ভাবে এগুলো করছে?আর এগুলোর যাচাই যে হচ্ছেনা,এটাতো আমরা সবাই জানি। তবে কেন আমি এ পথের আশ্রয় নিতে পারবো না?
এটা সমস্যা না সুবিধা? যখন দেখলাম একটা সিলমোহর ই তো...নিজের কাছে রাখলেই হল!
এইসব পান্চিংসিলগুলো কিভাবে আসে হাতে হাতে?
ওদের দেখে আমার ও তো উত্সাহ হতে পারে এ ব্যপারে, ঠিকই! একটা সুবিধা সুযোগ
তো নেওয়া যেতেই পারে।
আসলে শুধু সত্যায়ন নয়। চারিত্রিক সনদ পত্র আজকাল যে কোন কম্পিউটার কম্পোজিং অথবা ফটোকপি দোকানে গেলেই
পাওয়া যায়।দুই টাকার বিনিময়ে আপনি সুচরিত্রের অধিকারী। ইউনিয়ন পরিষদ অথবা পৌরসভায় যান,আপনি যদি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির পরিচিত
নাও হন,আপনার সুন্দর চরিত্রের
গ্যারান্টি কিন্তু তিনিই দেবেন। কার কি এসে যায় তাতে? আপনি নিজেই যখন উপকার পাচ্ছেন,আপনি সেটা গ্রহন করবেন না কেন?
এভাবেই তো চলছে হামেশা!
এসবের জন্য আসলে কি কাউকে দায়ী করা যায়,সে বিষয়েও হয়ত
কনফিউজড!কাকে এর দায় চাপানো যায়?
যারা সিল সরবরাহকারী? সত্যায়ন প্রদানের
অধিকারী? নাকি ছাত্র,জনগন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


