সজীব ওয়াজেদ জয় আমেরিকাতে 300 মিলিয়ন ডলারের মালিক। এই তথ্য একজন বিএনপি সমর্থক বা আওয়ামি বিরোধীরে দেখলাম অনেক উজ্জীবিত করে। আমাগো এক অদ্ভুত রাজনৈতিক মানসিকতা তৈরী হয়...আমরা নিজের অপরাধরে জায়েজ করনের লেইগা আরেকজনের অপরাধ খুঁজি। তারেক জিয়ারে দেশের আম জনতা পত্রিকার তথ্য আর বিভিন্ন জনশ্রুতি দিয়া চান্দাবাজ রাজনীতিবিদ হিসাবেই জানে...এখন সজীব ওয়াজেদ জয় মায়ের ফ্রিগেট বিষয়ক ঘুষের টাকা লইয়া নিউইয়র্কে কম্পু্যটার ব্যবসা খুললে কি তারেকের অপরাধে কোনরম কমনীয়তা আসে?
আমার তা মনে হয় না। আওয়ামি লীগরে আমি জনগণের মুক্তির দিশারী টাইপ কিছু মনে করি না।
আওয়ামি লীগরেও এই দেশের সুবিধাবাদী পুঁজিপতিরাই নিয়ন্ত্রণ করে। তারা বিএনপি-র শ্রেণীশরীকগো মতোনই দুর্নীতির ফাঁক ফোকর খুঁজে। ক্ষমতা চচ্র্চার ক্ষেত্রে তার ম্যানিপু্যলেশনের প্রক্রিয়ারেই সারভাইভাল ভাবে। পুরা সিস্টেমটাই যেই কারণে দুর্নীতিগ্রস্থ হয়। আওয়ামি-বিএনপি-জামায়াত-জাতীয় পার্টি এইসব পুঁজিপতিগো ক্লাবের মতোনই হইয়া উঠতেছে। যেই কারণে রাজনীতিতেও আবাহনী-মোহামেডান-মুক্তিযোদ্ধা ব্রাদার্স টাইপ বিভাজন আসতেছে। এক দলের খেলোয়ার আরেক দলে যোগ দিলে তার অপরাধ বাইড়া যায় সমর্থকগো চোখে। একজনের ফাউলের দোষ কমাইতে আরেকজনের রাফ ট্যাকলের তথ্য হাজির করা হয়। কিন্তু এইরম তারেক -কোকো-জয়-পবনরা আসলে এই সমাজের বর্তমান ব্যবস্থারই একটা এক্সপ্রেশন ছাড়া আর কিছু না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




