তনু হেজাব পরাতে মৃত্যুর পর ধর্ষনের হাত থেকে বেচে যেতে পারতো কিন্তু পুরা বাচতে পারলো না। পোশাকে চলনে মেয়ে সহী হলেও যেহেতু বেদাত গানা-নাচা-আবৃত্তি-ইত্যাদির সাথে জড়িত ছিল সেহেতু লটর পটর তো কিছু আছেই।
বিশেষ শিক্ষা ব্যাবস্থায় এদেশের পুরুষদের বড় একটা অংশ খোজা। মাদ্রাসার হুজুর কতৃক ছাত্রের পশ্চ্যাদ পদেশ ফাটানোর খবর পাই। তখন খোজারা চুপ থাকে। আর তনুদের বেলায় অতৃপ্ত, বিকৃত যৌনতার প্রকাশ। এ প্রকাশের জন্য আসলে ব্যাক্তিটি কতটা দায়ী??? গালিতো দিতেই পারি। সমস্যা প্রকট কিন্তু সমাধান সহজ।
হঠাৎ করে এ দেশের পুরুষদের বড় একটা অংশ এমন খোজা হলো কেন?? পুরুষের পুরুষত্ব ধারণে, বর্জনে না। সত্তরটা হুর পরীর লোভ দেখিয়ে ধর্মের পথে আনলে বর্জনের গর্জন হওয়া খুব অস্বাভাবিক না হয়তো। মহিলারাও এ দৌড়ে পেছানো না। তনুরা খারাপ। তনুরা খারাপ। তনুরা খারাপ। তার মেয়েতো এমন না। তিনি নিজে মেয়ে হওয়ার কারণে সহজে বুঝতে পারেন তনুরা খারাপ। তনুরা খারাপ দৌড়ে, নর-নারীতে নাই কোন আড়া-আড়ি।
কেন??
“আখি মুঞ্জিয়া দেখরে রূপ”
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১০:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



