আমার প্রিয় পোস্ট

ভারতের ৬০ বছরের লালিত স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

শেয়ারঃ
0 4 0


€ মোবায়েদুর রহমান

পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপুমনি সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড চষে বেড়াচ্ছেন। তার এই বিশ্ব সফরের নীট ফলাফল কি সেটা জানেন একমাত্র তিনি এবং তার নিয়োগ দাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিগত ৯ মাসে তিনি অন্তত ৩০ বার দেশের বাইরে গেছেন এবং একটি দৈনিক পত্রিকার দেয়া তথ্য মতে অন্তত ২৫টি দেশ সফর করেছেন। এসব সফরের ফলে বাংলাদেশের জন্য কোনো স্বর্ণডিম্ব প্রসবিত হয়েছে কিনা সেটা মানুষ জানেন না। তবে অশ্বডিম্ব যে প্রসবিত হয়েছে সেটি মানুষ পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে। বিদেশ সফর আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর জন্য একটি ‘ক্রেজ’ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। এমন সব দেশে এমনসব সভায় তিনি যোগ দিয়েছেন যেখানে সরকারের একজন উপসচিব, বড়জোর যুগ্মসচিব গেলেই চলত। সচিবালয় সূত্রে জানা যায় যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব্ল যুগ্মসচিব, মহাপরিচালক প্রমুখ কর্মকর্তা অনেক আশা করে বসে থাকেন যে বিদেশ সফরের শিকা তাদের কপালেও ছিঁড়বে। কিন্তু ডা: দীপুমনি পররাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তাদের এই আশার গুড়ে বালি দিয়েছেন। বিদেশে কোনো সভা সমিতির দাওয়াত এলেই তিনি সেটি লুফে নিচ্ছেন। একটি ইংরেজী সাপ্তাহিক নিউজ ম্যাগাজিনের মতে দীপুমনি বিদেশ সফর বাবদ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এ পর্যন্ত কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছেন। এর ফলে দেশের কোনো উপকার হোক আর নাই হোক, তার আনন্দভ্রমণ প্রচুর পরিমাণেই হয়েছে। এর জ্বলন্ত প্রমাণ তার সদ্য সমাপ্ত ভারত সফর।

ভারত সফর : লাভের খাতায় শূন্য

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা: দীপুমনিকে যখন টেলিভিশন ক্যামেরায় দেখা যায় তখন সাংবাদিকদের মাইকের সামনে তিনি একটি কথা প্রায়শই বলেন, “দেশের স্বার্থে যা যা করা দরকার তার সবকিছুই করা হবে।” এই ‘যা যা করা বলতে তিনি কি কি করা’ বোঝানো হয় সেটা তিনি কোনোদিনই সুনির্দিষ্ট করে বলেননি। এই তো সেদিন তিনি ভারত সফর করে এলেন। সফর শেষে যে যৌথ ইস্তেহার প্রকাশিত হয় এবং দেশে ফেরার পর এ ব্যাপারে তিনি যে সংবাদ সম্মেলন করেন সেগুলো দেখে এবং শুনে কারো বুঝতে অসুবিধা হয় না যে ডা: দীপুমনি যে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে কোন কোন সমস্যা অমীমাংসিত রয়েছে সে সম্পর্কে তার কোনো ধারণাই নাই। টিপাইমুখ নিয়ে এত কাণ্ড ঘটে যাচ্ছে অথচ তার ভারতীয় প্রতিপক্ষ মি. কৃষ্ণর সাথে বৈঠকের সময় এই ইস্যুটি আলোচনার টেবিলে উঠে আসারও সৌভাগ্য লাভ করেনি। তিনি কি জানেন না যে বাংলা ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিকূলে বৈষম্যের পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে? প্রতিবছর ভারতের সাথে বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি হচ্ছে অন্তত ৯ হাজার কোটি টাকা। এটা তো কেবল সরকারী খাতে যে বাণিজ্য হয় তার কথা। কিন্তু ইনফরমাল ট্রেড বা অনানুষ্ঠানিক খাত অর্থাৎ চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি আনুষ্ঠানিক খাতেরও দ্বিগুণ। হিমালয় পর্বত সদৃশ এই বাণিজ্য ঘাটতি দীপুমনির ভারত সফরের সময় এজেন্ডায় ঢুকতে পারল না কেন? দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির ব্যাপারে একটি বড় ‘ইস্যু হ’ল অশুল্ক ও আধাশুল্ক বাধা বা প্রাচীরের অবস্খান। বাংলাদেশ বছরের পর বছর ধরে দাবী করছে যে ভারত যেন এই শুল্ক প্রাচীর সরিয়ে নেয়। এই শুল্ক বাধা সম্পূর্ণ না হলেও উল্লেখযোগ্যভাবে দূর করার দাবী জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। এই দাবী মানলে বাংলাদেশের অনেকগুলো পণ্য সাধারণভাবে ভারতে এবং বিশেষভাবে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে প্রবেশ করতে পারবে। ফলে বাংলাদেশের প্রতিকূলে বিরাজমান বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কিছুটা হলেও দূর করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ভারতীয় পণ্যের বেলায় অনেকগুলো আইটেমের ক্ষেত্রে ট্যারিফ বা প্যারাট্যারিফ বিপুলভাবে হন্সাস করেছে। ফলে ভারতীয় পণ্য অনেক সস্তা দরে বাংলাদেশে প্রবেশাধিকার পেয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের এই উদার আচরণে ভারত সাড়া দেয় নাই। এই শুল্ক এবং আধাশুল্ক বাধা প্রত্যাহার বা হন্সাসের বিষয়টি দীপুমনি ভারতের সাথে আলোচনার সময় তোলেননি কেন?

ভারত সবকিছুই কড়ায় গণ্ডায় আদায় করার পথে

বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের বিভিন্ন ছিটমহল যথা তিনবিঘা করিডোর, দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কি আলোচনা করেছেন তারা? মরহুম শেখ মুজিবের সময় এসব ছিটমহল নিয়ে ১৯৭৪ সালে ভারতের সাথে একটি চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশ ভারতকে বেরুবাড়ী দিয়েছে। চুক্তি মোতাবেক দহগ্রাম, আঙ্গরপোতা ও তিনবিঘা করিডোর ভারত বাংলাদেশকে দেবে। ৩৫ বছর ধরে ভারত এসব ছিটমহলের মালিকানা হস্তান্তরে টালবাহানা করছে কেন? দীপুমনির ভারত সফরের সময় এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি কেন?

খুব বড় গলায় বলা হচ্ছে যে, ভারত বাংলাদেশকে একেবারে খালি হাতে ফিরিয়ে দেয়নি। তারা নাকি আমাদের ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবে। মাত্র ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ? যে দেশে এই মুহূর্তে বিদ্যুতের চাহিদা হলো ৬০০০ মেগাওয়াট সেই দেশে মাত্র ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবে ভারত অর্থাৎ চাহিদার ৬০ ভাগের একভাগ এটি আসলে ভিক্ষার চাল? তারপরও কথা আছে। ভারতের কোন্ এলাকা থেকে এই বিদ্যুৎ আসবে? কিভাবে তার সঞ্চালন হবে? দুই দেশের মধ্যে পাওয়ার গ্রীডগুলোইবা থাকবে কোথায়? এসব ব্যাপারে যুক্ত ইস্তেহারে কোনো উল্লেখ নেই। কিন্তু ভারতের ব্যাপারে তাদের চাহিদা অত্যন্ত স্পষ্ট। আমাদের দাবীগুলোর সুনির্দিষ্ট ফয়সালার আগেই আশুগঞ্জকে জলপথে ভারতের জন্য পোর্ট অব কল বলে ঘোষণা করা হচ্ছে কেন? আর সেটা করে আশুগঞ্জ থেকে আখাউড়া হয়ে ভারতের আগরতলা পর্যন্ত ভারতকে সড়ক ও রেলওয়ে ট্রানজিট দেয়া হবে কেন?

চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর

যুক্ত ইস্তেহারে বলা হয়েছে যে, ভারত ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা ভারত কর্তৃক বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের বিষয়টিও আলোচনা করছেন। বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, আগামী মাসের শেষে অথবা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ভারত সফরে যাবেন তখন ভারত কর্তৃক চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে চুক্তি করা হবে।
এত সহজে এবং এত অবলীলাক্রমে ভারত চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পেতে যাচ্ছে সেটা ভাবতে অবাক লাগে। অথচ এমন একদিন ছিলো যখন ভারত সাবেক পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশকে মাত্র ৬ মাসের জন্যও কোলকাতা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। অথচ তখন সাবেক পূর্বপাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশে কোনো সমুদ্র বন্দর ছিল না। সেদিন ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছিল যে আমাদের কোনো সমুদ্র বন্দর নেই, জরুরী ভিত্তিতে হলেও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করতে বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। তাই অন্তত ৬ মাসের জন্য ভারত যেন আমাদেরকে কোলকাতা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দেয়। এর উত্তরে তদানীন্তন ভারত সরকার কঠোর ভাষায় জবাব দিয়েছিলো, “৬ মাস কেন, ৬ ঘন্টার জন্যও আমাদেরকে কোলকাতা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।” নতুন প্রজন্ম এসব কথা নাও জানতে পারে। কিন্তু প্রবীণরা এসব কথা ভুলে যাননি। যারা ৬ ঘন্টার জন্য আমাদেরকে কোলকাতা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দেয়নি তাদেরকে চিরস্খায়ীরূপে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দেয়া হবে কার স্বার্থে? বিনিময়ে আমরা পাচ্ছি কি?

এশিয়ান হাইওয়ে : এখানেও প্রধান বাধা ভারত

বক্ষমান সংবাদ ভাষ্য এশিয়ান হাইওয়ে বিষয়ক নয়। কিন্তু প্রাসঙ্গিকভাবে এসে যাচ্ছে বলে দু’একটি কথা উল্লেখ করছি। এতদিন সকলেই জেনে গেছেন যে, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এশিয়ান হাইওয়েজের উদ্যোক্তা জাতিসংঘের এসকাফ নামক এজেন্সীটি তিন রুট বা রাস্তার প্রস্তাব করে। একটি কোলকাতা থেকে বাংলাদেশের খুলনার মধ্যদিয়ে ঢুকে রাজধানী ঢাকার ওপর দিয়ে সিলেট হয়ে তামাবিল পর্যন্ত যাবে। তারপর তামাবিল হয়ে মনিপুরের রাজধানী ইম্ফলে ঢুকবে। এটির নাম এএইচ-১। আরেকটি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাবাìধা দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকবে। এরপর হাতিকুমরুল হয়ে ঢাকা, ঢাকা থেকে আবার সিলেট হয়ে তামাবিল, তামাবিল থেকে ভারতের ইম্ফল। এটির নাম এএইচ-২। তৃতীয় রাস্তাটি কোলকাতা থেকে ঢাকা। তারপর ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে দক্ষিণে নামবে। সেখান থেকে টেকনাফ হয়ে বার্মা। এটির নাম এএইচ-৪১। বাংলাদেশ ইতিপূর্বে এএইচ-৪১ এর মাধ্যমে এশীয় মহাসড়কে যুক্ত হতে চেয়েছিলো। কিন্তু ভারত নাকি বাঁধ সাধছে এবং তারা প্রথম দুটি রুটের যে কোনো একটি বেছে নিতে বলছে। শেখ হাসিনার ভারতবাìধব সরকার ভারতকে খুশি করার জন্য এএইচ-১ নামক রুটটি চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করেছেন। এরফলে ভারত একসাথে দুটি সুবিধা পাবে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করবে। আবার এশীয় মহাসড়কের নাম করে পশ্চিম ভারতের পণ্য সামগ্রী, অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে মনিপুর, মিজোরাম প্রভৃতি উত্তর ভারতীয় রাজ্যগুলোতে পৌঁছাতে পারবে। এভাবে এক দানে ভারত করিডোর এবং চট্টগ্রাম বন্দর পেয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে পূরণ হতে যাচ্ছে ভারতের ৬০ বছরের লালিত স্বপ্ন।

আওয়ামী সরকার কেন ভারতের ৬০ বছরের লালিত স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছে? প্রথমে ১/১১ ঘটানো এবং পরে সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানোর ঋণ কি পরিশোধ করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৩. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪০
সরকার সেলিম বলেছেন:
মন্ত্রীত্ব তারা এতটাই সস্তা করে ফেলেছে যে পাড়ার মুদির দোকানদার এনে মন্ত্রীত্ব দেয়া হয়েছে।

এর খেসারত তারা অতি শিঘ্রই দিবে!
৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
ব্রাইট বলেছেন: এর খেসারত তারা অতি শিঘ্রই দিবে!
৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
পারভেজ রবিন বলেছেন: উহু কেবলতো মাত্র নয় মাস, আরও চার বছর তিন মাস আছে দেখতে থাকুন। এরকম আর শ' পাচেক পোস্টই দিতে পারবেন, এর চে' বেশি কিছু করার ক্ষমতা থাকলেও তা আমাদের জানা নেই। প্রতিদিন নতুন নতুন বিস্ময় আমরা আবিষ্কার করতে থাকব।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: করার ক্ষমতা জানা আছে অনেকেরই। কিন্তু তা প্রয়োগ করার মত লোক নাই।

৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
নিউজকাস্টার বলেছেন: ভাল পোস্ট। প্রিয়তে ।
৯. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭
কাব্য বলেছেন: কোনো লাভ আছে,রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে আমরাই আবার এদেরকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবোB-) :-0 X((
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: হুমম।

১০. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১
ইরফান আহেমদ বলেছেন:
ভাঁড়ত কে যারা অন্নদাতা প্রভু বলে মানে তারা ভাঁড়তীয়দের জুতার সুক তলা চাটতেই থাকবে। সেখানেই যে তাদের সফলতা আর স্বর্গসূখ।

পারভেজ সাহেব কে বলি, এদেশের মানুষ অনেক কিছু করার ক্ষমতা রাখে যার সামান্য প্রমান ১৯৭৫ এ আপনারা পেয়েছিলেন। কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার হাতে প্রভুদের দাসদের কি পরিনতি হয়েছিলো সেটা ৩৪ বছরে আপনারা ভুলতে বসেছেন।
১১. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: লেখাটা কি আমার দেশে প্রকাশিত হয়েছিল ? মনে হচ্ছে আগে পড়েছি কোথাও
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: আমি নিয়েছি সোনার বাংলা থেকে।

১২. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭
ইরফান আহেমদ বলেছেন:
ভাঁড়ত থেকে একটি সড়ক বাংলাদেশের বুক চিড়ে আবার ভাঁড়তেই প্রবেশ করবে। আমি বুঝিনা ওটা কিভাবে এশিয়ান হাই ওয়ে হয়। তাহলে এই ভাঁড় দেশ প্রেমিক আম্লীগীয় দৃষ্টিতে ভাঁড়ত মানে এশিয়া।
এই কুকুরদের হাড্ডির সাপ্লাই তো ওপাড়ের চাটুজ্জ্যে মুখুজ্জ্যে ব্যানাইজ্জ্যে রাই করে। তাই কি আর করা, সড়কটিও ওদিকেই যাবে।
১৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০১
মোহতাসীম বিল্লা বলেছেন: ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । অনেক দিন পর একটা পজেটিভ আ্র্টিকেল পড়লাম । মনটা বেশ ফুরফুরে লাগছে । মনে হচ্ছে ব্লগটা আবার প্রান ফিরে পেল । তবে আমার ভয় হচ্ছে এমন লেখার জন্য মডারেটর না আপনাকে সেফ হতে টেনে জেনারেল বানায় ফেলে? চালিয়ে যান পরেরটা আমরা দেখছি । ডিজিটাল মানষিকথার বিরুদ্ধে ডিজিটাল কলম একমাত্র হাতিয়ার । কিন্তু কথা হল মানি লোকের মান অল্প কথায় যায় না । তাই আর এক ডিগ্রি ডিজিটাল কলম ব্যাবহার করতে হবে ।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

১৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: আলীগ ক্ষমতার শুরুতেই যে দু একজনকে মন্ত্রী সভায় যুক্ত করে চমক দেখানোর চেষ্টা করেছিলো, দীপুমনি তাদের একজন। কিন্তু সময়ের সাথে বুঝিয়ে দিলেন তার সাধারন বেশ-ভূষা এক ধরনের ভেক!! সাধারন কয়েকটি কূটনৈতিক ভাষা ছাড়া উনি আর কিছু বলতে পারেন কিনা সন্দেহ!! এই কথা গুলো বলার জন্য এত দেশ সফরে যাওয়ার মানেটা বোধগম্য না!! যে ভারতের সাথে ভূমিসহ বেশ কয়েকটি বড় রকমের ইস্যু যার অনেক গুলিতেই ইতমধ্যেই বাংলাদেশ চুক্তি মোতাবেক পদক্ষেপ নিয়েছে, সেখানে ভারত চুক্তি অনুযায়ী পদক্ষেপ না নিয়ে নিত্য নতুন চাহিদা প্রকাশ করছে আর আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নতজানু হয়ে তা পালনের আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে!! এধরনের চরম সাম্রাজ্যবাদী আচরনের পর ভারতকে যারা বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সেসব ভারতীয় দালাল, পরগাছাদের উচিৎ ভারতে ফিরে যাওয়া! আমার ধারনা এদের পূর্ব পুরুষ ভারতের কোন রাজ্য থেকে আসা, তাই তাদের এত কাছের মনে করে!!!!
১৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
প্রবাসী মন বলেছেন: এই তো ঈদের দিনেই দু`চারটা ভারতীয় দালালদের সংগে এসব নিয়ে কিছুটা তর্কাতর্কি হয়ে গেল। এই নব্য রাজাকারগুলা আম্লীগের কোন খারাপ কিছু দেখতে পারছে না। শুধুই ভাল দেখতে পাচ্ছে। যখনই একটা উদাহরণ দিতে বলি, শুধুই এটা-সেটা আর বলেন, সময় দিন।

এই নব্য রাজাকারদের শুধুই ঘৃণাই প্রাপ্য।
১৭. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৭
কার্ল মার্কস বলেছেন: দিপু মনি সম্পূর্ন অযোগ্য। তিনি আওয়ামী লীগকে হাসির পাত্রে পরিণত করেছেন অনেক বেফাস ও অকূটনৈতিক সুলভ কথা বলে। তাকে অপসারন জরুরী।

এশিয়ান হাইওয়ে চট্টগ্রাম হয়ে মিয়ানমার হলে বাংলাদেশের জন্য ভালো। সরকার নতজানু নীতি পরিহার করবে এটা আশা করা বোকামী। মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস ই স্বাক্ষী।
১৮. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: নিজে লিখুন। তথ্যটা অবশ্যই নিতে পারেন।
১৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
আবু সালেহ বলেছেন: +++++++++

এইবার সব দিয়াই যাইবো ভারতরে....কিছু বাদ রাখবে না...................
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: স্বার্বভৌমত্বসহ!

২০. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১২
চতুষ্কোণ বলেছেন: আমগো চানঁপুরের আফার পিচে লাগলেন ক্যান।বুচ্চি ঈদে উনার বাসায় ইলশার দাওয়াত পান নাই।খেক...খেক...........
২১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
রাকিব বলেছেন: এএইচ-৪১ চাই। সাথে যদি এএইচ-১ করে কঠোরভাবে ট্রানজিট নিয়ত্রণ করা যায় তবে মনে হয় ঢাকা থেকে দুইদিকে পথ হবে।
২৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৮
সুধাসদন বলেছেন: পোস্টটি ২৪ জনের ভাল লেগেছে, ৭ জনের ভাল লাগেনি
২৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৫
saamok বলেছেন: দু:খের বিষয় হল আজ যে সমস্ত দেশপ্রেমিক আঙুল কামরাচ্ছেন তারাই কিন্তু বিপুল বিক্রমে ভাদাদের ভোট দিয়েছেন। ভাদারা কোনো নীল নকশার নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় আসেনি। আমি স্ব-চোক্ষে দেখেছি মানুষ কি ভাবে ভাদাদের ভোট দিয়েছিল। মানুষ ভুলে গেছে ৭৪-এর দুর্ভিক্ষ, নারি নির্যাতন, আর ৯৬-২০০০ এর নির্যাতনের কথা। আমি বলছি না যে বিএনপি বা অন্য কোন দল ভাল। কিন্তু আলীগ ব্যাতীত অন্য দলগুলো এত নগ্ন ভাবে অন্য কোন দেশের স্বার্থে নিজের দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেয়নি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিত্য সজীব যৌবন যার, এসো এসো সেই নও-জোয়ান,
সর্ব্বক্লৈব্য করিয়াছে দূর তোমাদেরই চির আত্ম-দান!
ওরা কাদা ছুঁড়ে বাধা দেবে ভাবে-ওদের অস্ত্র নিন্দাবাদ
মোরা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই