আমার প্রিয় পোস্ট

জীবনের কিছু আজাব নামা...পর্ব-৫ (পাচমিশালী)

২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩১

শেয়ার করুন:                   Facebook

কুপা ব্লগে ফিরিয়া আসিয়াছে এইটা একটা পুরান খবর।
View this link



নিজের জীবনের কিছু একান্ত ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়া লেখতে চাইছিলাম। মাগার বেশী দূর যাইতে পারি নাই। শারীরিক অসুস্থতার জন্য মাঝখানে ৮/৯ মাস নেটে আসতে পারি নাই। আবার এখন থেকে "জীবনের কিছু আজাব নামা"র বাকী পর্ব গুলা লিখা শুরু করব।

সম্ভবত আগের মত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে লিখা সম্ভব না, কিছুটা এলোমেলো হয়ে যাবে।

যারা আগের পর্ব গুলা পড়েন নাই তাদের জন্য আগের পর্ব গুলা নিচে দিয়া দিলাম


আজকে শুরু করমু আমার অসুস্থতার সময় কি দিন গেল....

-------------------------------------------------------------------------

গত বছর জুলাইমানের মাঝামাঝি আমার অবস্থা খুবই খারাপ, কোন কিছু খাইতে পারি না। খাইলেই বমি হয়, কোন কিছু খাওনের সাথে সাথেই বিনা কারনে কাশি.... ইত্যাদি হাবিজাবি সমস্যা নিয়া ঢাকা এ্যাপলো হাসপাতালে গেলাম।

ডাক্তার সব শুইন্য কয় আপনাকে কিছু টেষ্ট দিতেছি ওইগুলা টেষ্ট কইরা নিয়া আসেন। ভাল কইরা তাকাইয়া দেখি ওই টেষ্ট গুলার মধ্যে একটা টেষ্ট 'ক্যন্সারের "।

ক্যন্সারের টেষ্ট দেইখ্যা আমার মাথা ঘুরতাছিল। কিছুক্ষন ঝিম মাইরা বইস্যা ছিলাম।
বইয় বইয়া চিন্তা করতাছি বাসায় কি কমু নাকি যে আমারে ক্যন্সারের টেষ্ট দিছে?।

অনেক্ষন বইস্যা থাইক্যা পরে ব্লাড টেষ্টএর সেম্পল দিতে গেলাম, বাকী কিছু টেষ্ট করতে দিলাম.. তার পর বাসায় চলে গেলাম।

মনে মনে ঠিক করলাম বাসায় কিছুই বলা যাবে না, তাইলে কেয়ামত হইয়া যাইব।
রাতে বেলা গার্লফ্রেন্ডএর সাথে খুবই নরমাল কথাবার্তা কইলাম। মাগার আমার মন কিছুতেই ভাল লাগতেছিল না, মনটা কেন যেনা ভার ভার হইয়া যাইতেছিল।

আধা ঘন্টা নানান রোমন্টিক কথা বার্তা চালাইয়া যাইতেছি ভাব মারতাছি যে আমি খুবই নরমাল আছি।
হটাং গম্ভীর হইয়া আমরে কইল "'তুমাকে একটা কথা জিগাস করি, সত্যি উত্তর দিবা।" কইলাম এইটা আর এমন নতুন কি ব্যাপার? তুমি যাই জিগাইবা সত্যি উত্তর পাইবা।
আমারে জিগাইল "সত্যি করে বল, তুমার কি হইছে?"
প্রশ্ন শুইন্যা আমর সারা শরীর দিয়া ঘাম ছুটা শুরু করছে, মনে মনে কইলাম অহন তো দেখি সত্যিই ধরা খাইলাম।

কইলাম, কই কিছুই না তো?
এই বার আরো গম্ভীর হইয়া কইল "তুমাকে না বলছি আমার কাছে কোন কিছু লুকাবা না"
আমি কইলাম তেমন কিছু হইলে তো আমিই তুমাকে বলতাম।
তখন আমরে কইল "আমি এখন যদি ফোনটা রেখে দেই তাইলে আর জীবনেও আমাকে খুজে পাবা না...."
বললাম রাতের থেকে আমার শরীর টা ভাল যাচ্ছে না।

কইল, গত কিছু দিন ধরেই তুমার শরীর ভাল দেখতেছি না।

আমি কইলাম হুম।
আমারে জিগাইল ডাক্তারের কাচে গেছি কি না?
কইলাম না, আবার কইলাম হা।
আমরে জিগাইল এর মানে কি ? একবার হা আর একবার না? মিথ্যা কথা কোথা থেকে শিখছ?
কইল "আগামী কাল বিকালে রেডি থাকবা আমি ডাক্তারের কাছে নিয়া যাব।"
আমার তো মাথা ঘুরতাছে হায় হায় ডাক্তার তো দেখাইছি... অহন কি করুম? /:)

কইলাম ঠিক আছে, তুমি এপয়েন্টম্যান্ট কইরা রাইখো আমি সময় মতো চইল্যা যামু।
কইল না, আমিও সাথে যাব....
ডরে ডর কইলাম ঠিক আছে, এর পর চিন্তায় পইরা গেলাম... অহন তো ধরা খামু....
চিন্তায় রাইতে আর দেখি ঘুম আসে না....

সকালে উঠ্যা ওরে ফুন দিলাম, কইলাম ডাক্তারের ফুন নং দাও এপয়েন্টমেন্ট করি, তার পর কথা ঘুরাইয়া কইলাম ঢাকা এ্যাপলো হাসপাতালে ভাল চিকিৎসা হয় চল ওই খানে যাই। এই কথা কইয়া, কইলাম তাইলে আমি এ্যপোল তো এপয়েন্টমেন্ট করি, যাবার সময় তুমারে নিয়া যামু।
রাজি হইয়া কইল "তাহলে তাই কর. আমার দুইজন এক সাথে যাব ডাক্তার দেখাতে, আমি তোমার সাথে না গেলে এবারো তুমার ডাক্তার দেখানো হবে না... আমি তো তোমারে ভাল করে ডাক্তার দেখাতে চাই"

রাতে দোস্ত গুরু রবিনরে ফুন দিলাম কইলাম দোস্ত এইবার আবার ডাইরেক্ট ধরা। সব শুইন্যা কইল ''বাচার কুনু উপায় নাই, তুই এ্যাপলোতে গিয়া আগে ডাক্তার দেখা দেখা, ডাক্তার কি কয় শোন। তার পর ওরে ফুন দিস। পরে অবস্থা বুইজ্যা ব্যবস্থা করা যাইব।''

গার্লফ্রেন্ড কে কইলাম এ্যাপয়েন্টমেন্ট করছি ৩ দিন পরে টাইম দিছে। আর এই ফাকে ৩ দিন টেষ্ট গুলা শেষ করলাম।

৩ দিন পরে টেষ্ট এর রিপোর্ট গুলা নিয়া এ্যপলোতে ডাক্তার দেখানুর জন্য বইস্যা আছি তখন আমারে ফুন দিল, কইল "আজ তো তোমার ডাক্তারের কাছে যাবার কথা তুমি কি রেডি?" আমি কইলাম সকালে আব্বা আমাকে এ্যপলোতে নামাইয়া দিয়া গেছে এখন ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করতাছি।
আমার কথা শুইন্যা একটা চিক্কুর পাইরা কইল "হয়্যাট!!! আমাকে না নিয়া তুমি কোন সাহসে ডাক্তারের কাছে গেছ? সত্যি করে বল তুমি কি এখন ডাক্তরের কাছে কি না? " আমি কইলাম সত্যি আমি এখন এ্যপলোতে।

কইল "তাহলে তুমি থাক আমি এখনই আসতেছি।" সাথে সাথে ফুনের লাইন টা কাইট্যা দিল, আমি ফুন দিলাম দেখি ধরে না.... আমার তো ভয়ে কইলজা কাপতাছে.... ওয়েটিং রুমে বইস্যা দেয়া ইউনুস পরতাছি....'লাইলাহা ইল্লা আন্তা সোবাহানা..."

২০/২৫ মিনিট পরে দেখি আমারে ফুন দিছে কইল "আমি এখন এ্যাপলোতে তুমি এখন কোন ওয়েটিং রুমে, আজ মিথ্যা কথা বাহির করব....X((?
কইলাম ঢুকে র্ফর্মেসির পাশে ডানের ওয়েটিং রুমে বসে আছি।

একটু পরে দেখি ওয়েটিং রুমে ঢুকে আমাকে খুজতাছে... আমি হাত তুলে হাই কইলাম... আইস্যা আমার পাশে বসল ... কইল আমারে নিয়া আসলা না ক্যান?

আমি উত্তর দেওয়ার আগেই আমার হাতের রিপোর্টের খাম গুলা চোখে পড়ল... সাথে সাথে গম্ভীর হইয়া কইল তোমার হাতে কিসের রিপোট ? কইলাম গত কাল এই গুলা করছিলাম তোমাকে বলা হয় নাই শুনলে তুমিও আমার সাথে আসবা.... তোমাকে কষ্ট দিতে চাই নাই।
চুপ কইরা রইল... খালি কইল হুম.... বুঝলাম আইজ একটা কাল বৈশাখী হইব.... :(

তারপর ডাক্তারের কাছে যাওনের ডাক পড়ল... একটা সুন্দর মাইয়া আইস্যা কইল আমার সাথে আসেন..... আমি মাইয়ার সাথে যাওনের আগে কইলাম তুমি বস আমি ডাক্তার দেখিয়ে আসছি।
লগে লগে কইল “না আমিও তোমার সাথে যাব.... “
হাসপাতালের এ্যটেন্ডেস মাইয়া টা কইল "পেশেন্ট তো উনি, ডাক্তার তো উনাকেই দেখবেন”

মাইয়াটারে কইল “আমি ওর সাথে গেলে আপনার সমস্যা কি?... উনি আমার কি হয় আপনি জানেন? আমার যাবার দরকার আছে....” যে ভাবে শক্ত কইরা কইল তাতে মাইয়াটাই আর কিছু কওনের সাহস পাইল না...

হাসপাতালের মাইয়া টা মূলত ডাক্তারের এ্যসিষ্টেন হিসাবে কাজ করে.... আর পাশাপাশি রোগীর অনুবাদের কাজ কইরা দেয় (ইন্ডয়ান ডাক্তারের কছ হিন্দি কইরা দেয়) .......যথারীতি ডাক্তার সব টেষ্টের রিপোট দেখল, আবার বিস্তারিত শুনল... কইল আরো কিছু টেষ্ট করতে হবে...

আমি ডরে ডরে আস্তে আস্তে ডাক্তারকে জিগাইলাম “ডাক্তার আমার কি ক্যান্সার ধলা পরছে?”

ডাক্তার কইল ... its not clear.... need more test...

ডাক্তারের কথা শুইন্যা আমার গালৃফ্রেন্ড একটা চিল্লান দিয়া কইল “ডাক্তার ওর কি ক্যান্সার হইছে?????? ... আমার দিকে তাকাইয়া কইল “তুমি একটা চোর, শয়তান ভন্ড... আমার কাছে এইটা কেন লুকাইছ? ....” এই কথা কইয়া চোখের পানি ছাইড়া দিল.... হায় হায় এইটা কি হইল...


ডাক্তার আর হাসপাতালের মাইয়াটা অবাক হইয়া ওর চিল্লনি শুনতাছে.... লজ্জায় আমি মাথা নিচু কইরা বইসা আছি.....

চিল্লানি শুইন্য ডাক্তার ওরে শান্ত হইতে কইল... তার পর ডাক্তার ওরে অনেক কিছু বুজাইল... কইল “টেনশন কইরেন না.. তেমন মেজর কিছু ধরা পরে নাই..... আরো টেষ্ট করতে হবে তারপর শিওর হওয়া যাবে রোগ টা কি.....”

ডাক্তার আরো কিছু টেষ্ট ও দুইটা ঔষধ দিয়া বিদায় করল.... ডাক্তারের রুম থেকে বাহির হইয়া ওয়েটিং রুমে আইস্যা বসার পর দেখি ওর চোখের পানি বন্ধ হ্য় নাই..... ২/৩ মিনিট আমর পাশে বইস্যা কানতে থাকল... আশে-পাশের মানুষ দেখি সব তাকাইয়া আছে.....

হটাৎ কান্দন আরো বাইরা গেল....আওয়াজ কইরা কানতাছে... আমি শান্তনা দিতে থাকলাম... আরে তেমন কিছু হয় নাই.... দেখবা এই ঔষধ গুলা খাইলেই ভাল হইয়া যামু.....

আমার কথা শুইনা একটা চিক্কুর দিয়া উঠল..... কইল.. “তুমার কি.... তুমি তো একটা শয়তান...ভন্ড" এর পর হাউ মাউ কইরা কানতে থাকল.....

কান্দন শুইনা ওয়েটিয় রুমের সব পাবলিক আমদের দিকে তাকাইয়া রইল.... আমি কইলাম আস্তে লোকজন দেখতেছে.... লগে লগে .... আরো জোরে হাউ মাউ কইরা কাইন্দা উঠল... একটা চিক্কর মাইরা কইল, "আমার কাছে লুকাইছ ক্যান.....?"

কইয়া দুই হাতে আমর মাথার চুল ধইরা মাথাই টাইন্যা মাথা ঝাকাইতে থাকল.... চুল মনে হয় সব গুলা ছিইড়া যাইতাছে...আমি কইলাম আরে কি কর, কি কর....
তারপর আরো কি যে কইল সব কথা মনে নাই.... এর পর ঘটল সবচে দূভাগ্য জনক ঘটনা টা....

হটাৎ ওর হাতে থাকা সব রিপোর্ট ছুইড়া মাটিতে ফালাইয়া দিল... তারপর ঠাশ কইরা একটা চর মারল আমার গালে ... চিক্কার দিয়া কানতে কানতে আমারে কইল ... "তুমি আমার কাছে এই গুল লুকাইছ ক্যান......?????? এই কথা কইয়া আরো ২/৩ টা চড় মারল..... চড় খাইয়া আমর আর কুনু কিছু মনে নাই... দেখি মাথা ঘুরতাছে..... :(
:( :(
হাউ মাউ কান্দন আর আমরে চড় মারা দেইখ্যা সব লোকজন জড় হইয়া গেল..... আমি তো হত ভম্ব হইয়া গেছি... কি করুম কিছুই বুঝতাছি না..... লজ্জায় মনে লইতাছিল মাটি যদি দুই ভাগ হইয়া যাইত আর আমি ভিতরে ডুইক্যা যাইতে পারতাম... হায় আল্লাহ মান সম্মান বুঝি আর রইল... না... আমার আর কোন কথা বলার শক্তি নাই..... আমর মনে হইতে ছিল আমি কেন মইরা যাই নাই..... :( :( :(

সেই দিন যারা এ্যাপলোতে ছিলেন... অনেকই সেই ঘটনার স্বাক্ষী......

আমি আর কুনু কথা কইতে পরলাম না.... কিছু লোক জনকে কইতে শুনলাম ঘটনা কি?.... পরে হাসপাতালের এ্যটেন্ডেস মাইয়াটা আইস্যা আমারে ধইরা পাশের একটা রুমে নিয়া গেল..... সেখানে বসাইয়া রাখল... আমরে জিগাইল উনি আপনার কি হয়?.... আমি কুনু কথাই কইতে পারলাম না..... মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম ওর সাথে আর কুনু এ্যফেয়ার না.... আজ সব সম্পর্ক কবর দিয়া শেষ কইরা বাসায় যামু......

একটু পরে দেখি কানতে কানতে হাতে টেষ্টের রিপোর্ট গুলা নিয়া রুমে ঢুকল... রুমে তখনো হাসপাতালের মাইয়াটা... দাড়াইয়া আছে.....

রুমে ডুইক্যাই দৌড় দিয়া আমার দিকে আসতে লাগল... মাইয়াটা কইল আপনি ওই দিকে যাবেন না.... কে শুনে কার কথা...

দৌড় দিয়া আইস্যা আমার জড়াইয়া ধইরা কানতে থাকল..... কইতে থাকল... “তুমি কি আমাকে আপন কিছু ভাবতে পার না....? আমি কি তোমার কেউ না?...... আমার কাছে এত কিছু কেন লুকালা..... তুমি না থাকলে আমি কি নিয়ে বাচব???? তুমি ছাড়া আমর জীবনে আর কি আছে.....”

এই সব হাবি জাবি কইয়া ছুটু পুলাপাইনের মত কানতে থাকল......

আমি চুপ মাইরা আছি.... দেখি আরো দুইটা নার্স আইস্যা দড়জায় দাড়াইয়া এই ঘটনা দেখতাছে......

মিনিমাম আরে আধা ঘন্টা আমারে জড়াইরা কাণতে থাকল......

হাসপাতালের মাইয়াটা আমাদের শান্তনা দিতে থাকল..... কইল.. উনার তো রোগ এখনো ধরা পরে নাই..... সো এত টেনশন করার কোন কারন নাই... প্লিজ আপনারা এখন বাসায় যান......

কিছুক্ষন বইস্যা থাকার পর আমরে কইল... চল.. তুমাকে আজ আমি বাসায় দিয়া আসব....

তার পর আমারে ধইরা রুম থেইক্যা বাহির হইল....

বাহিরে আইস্যা দেখি ওয়েটিং রুমের সব পাবলিক আমর দিকে তাকাইয়া আছে..... লজ্জায় আর আমি মাথা তুলতে পরছিলাম না.....

হাসপাতাল থেকে বাহির হইয়া আমারে নিয়া হাসপাতালের সামনে (বসুন্ধরা বাজার নামে ) কাছের একটা ফাষ্টফুডের দোকানে বসাইল... কইল কি খাইবা.... আমি আর কুনু কথা কই না.. চুপ মাইরা আছি........

অনেক্ষন চুপ মাইরা পইরা রইলাম.... চুপ মারা দেইখ্যা আমারে অনেক কিছু বুঝাইল..... যার মর্ম অর্থ হইল.. তুমি ছাড়া আমার জীবনে আর কি আছে.... তোমার ভাল মন্দ সবই আমর ভাল মন্দ..... এখন থেকে যাই কিছু হোক আমরা সবই শেয়ার করব..... “আমার মাথা ছুয়ে বল এখন থেকে কোন কিছু লাকাবা না.....”

তার পর সেকি আদর .... আমি কি খামু কি খাইতে মন চায় .... ইত্যদি জিগাইতে লাগল... আমার মাথায় গায়ে হাত বুলইয়া দিতে থাকল.... লক্ষী সোনা মানিক ইত্যদি কইতে থাকল...

আমি শুধু কইলাম... আমার গালের (চড়ের ) লাল দাগ গুলা কি মুছে গেছে.....? লগে লগে একটা টিশ্যু ভিজাইয়া আইন্যা আমার গালে মালিশ করতে লাগল.... (হায়রে নারী জাতি.... :( )

আমি শুধু কইলাম ...... দাগ না মোছা পযর্ন্ত বাসায় যাওয়া যাবে না....

এর পর আর কি হইব ... আনেক আদর কইরা খাওয়াইল....
অনেক্ষন বইস্যা থাকলাম....
তারপর আমারে নিয়া বাসার দিকে রউনা হইল....রাস্তায় আসার সময় গাড়িতে বইস্যা আমার শরীরের কি ভাবে যত্ন নিতে হইব তার উপর ১০০টা উপদেশ দিল....টাইম মত যেন খাওয়া দাওয়া করি... দুপুরে গোসল কইরা খাওনের পরে যেন একটু ঘুমাই... রাতে তারাতারি যেন শুইয়া পরি...ইত্যদি হাবিজাবি......
তার পর বাসার নিচে নামাইয়া দিয়া বাসায় গেল গা.....

ওই বাসায় যাইতে যাইতে একটু পরে পরে রাস্তায় গাড়িতে বইস্যা ফুন দেয় আর কান্দে.....
আমি মনে মনে কইলাম.... চড় তো আমি খাইছি... কান্দন তো আমর কথা, তুমি কান্দ ক্যান?... চড় মাইরা যে মানুষ নিজেই কান্দে, এইডা আগে জানতাম না.....



----------------------------------------------
পর্ব-১
পর্ব-২
Click This Link
পর্ব-৩
Click This Link
পর্ব-৪

(মনের কিছু দুক্ষের কথা কইতাছি.... কেউ কোন বাজে মন্তব্য করবেন না...যন্ত্রনা কিভাবে শুরু হইছে আইজ তার বয়ান দিমু....)

 

 

  • ৪৮ টি মন্তব্য
  • ৬৯৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: হুমমম... ডায়রী ভরা দুক্ক!
২. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪১
comment by: নমরুদ বলেছেন: কপাল...কপাল...জীবনে কিসুই পাইলাম না।
৩. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
comment by: সুমনবাঙ্গালী বলেছেন: ভাই সাথে অইটা কেডা ?
২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: সাথের ওই জনই আমারে চড়াইয়া দাত ফেলাইয়া দিছিল... পরে আবার মালিশ কইর দিছে.... :(

৪. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
comment by: জোনাকি বলেছেন: হা হা হা

আপনি তো অনেক লাকি!
আসলে সেই আপনাকে অনেক ভালোবাসে এই কারনে আপনাকে থাবড়ানি দিছে। আর অন্যকেউ হইলে আপনার এইরকম অসুখের কথা শুনে আর আপনার লগে সর্ম্পকই রাখত না।

এখোন আপনার শরীরের কি অবস্থা ?
২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: হ... থাবড়ানি অনেক মজার... দোয়া করি সবার জীবনে ইমুন থাবরানি আসুক...

আপনাগো দোয়ায় অনেকটা ভাল।

৫. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আপাতত সংগ্রহ কইরা রাইখা দিলাম। পরে পড়ুম।


কোপা সামছু, তোমার লগে ওইডা কেডা? ;););)
২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: লগে কেডা বুজেন না?

৬. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
comment by: মুহিব বলেছেন: সুখে থাকুন
৭. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪
comment by: নূর-ই-হাফসা বলেছেন: আপনার লাভার কিসে পড়ে?ওনি আপনাকে ওনেক ভালবাসে।যা আপনে নিজেও জানেন না।কল্পনাই করতে পারেন না।এখানে আপনাকে বোকা বলে মনে হল।ছবি স্পষ্ট না। আরও ভাল ছবি দেন।এমন মেয়েকে বারবার দেখতে ইচ্ছা করে।(মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম ওর সাথে আর কুনু এ্যফেয়ার না.... আজ সব সম্পর্ক কবর দিয়া শেষ কইরা বাসায় যামু......)এই কথাটা শুনে খারাপ লাগল।
২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: আগের পর্ব গুলা পড়লে পুরান সব কিছু জানতে পরবেন।

যে শত শত পাবলিকের সামনে থাপ্পর খাইছে হে বুজে এইটা কিমুন মজার....

৮. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আরে ভাইজান, আপনে আমাগো মাঝে ফিইরা আয়ছেন, সেইডাই আনন্দের কথা ।
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: সবই আপনাদের দোয়া

৯. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭
comment by: ৈবেদশী বলেছেন: কয়ডা থাপ্পর খাইছিলেন ভাই?

যাউগ্গা থাপ্পর খাইলেও আদরতো পাইলেন।
২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: হ.... গরু মেরে জুতা দান

১০. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
comment by: ওবায়েদ বলেছেন: আরে ব্লগে যে কুপাইয়া ভাজ ফ্যালাইয়া দেয়, তারে নাকি হসপিটালে ভাজ ফ্যালাইয়াদিছে!!!

দোয়াকরি তারাতারি সুস্থ হয়ে উঠুন।
২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: :)

১১. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: সামছু কোপাইতে গিয়া নিজেই কোপান খাইছেরে।
দুষ্ক দুষ্ক।কই থুই এত দুষ্ক?
:-(
১২. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
comment by: মোঃ আমিন বলেছেন: খুব ভালো লাগলো...........এখনো হাসছি.........আপনার লেখার হাত খুব সাবলিল......+দিলাম
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: যেইডা ঘটচিল হেইডাই কইলা, মুনুষে খালি ভাল ভাল কথা লিখে,... আমি তো বড় মাপের মানুষ না.. আমার ছুট্টু জীবনে আর এমন কি ভাল কথা আছে যে লিখমু?

লেখার হাত আছে কি না জানি না... যা ঘটছিল হবহু তাই লিখলাম.... সবই মনের কষ্ট থেকে।

১৩. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
comment by: মদন বলেছেন: ইশশশশশশশশশশশশশশশশশশশশশশশ
মাইর খাওন দেখনডা মিস করছি :)
২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: মিস যখন করছেন, দোয়া করি আপনার লাইফে যেন ইমুন ঘটনা ঘটে.... :)

১৪. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: ওওওওও আপনার ব্ইন???

ভাল ভাল। বইনেরে লগে লইয়া ঘুরা ভাল।
২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: হুস করি কতা বলিবা....
বুইজ্যা না বুজার ভান করিবা না।

১৫. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: কিন্তু বইনে আপনারে এইরকম কইরা ঘইরা রাখছে কেন??? বোইনেরাতো ওইরকম কইরা ধরে না!!!
১৬. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: দোয়া করি বাকি জীবন এই রকম চরের উপর দিয়াই যাউক!!!!!!
২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: দোয়াডা যেন তুমার জীবনে কবুল হয়

১৭. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৩
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: ও বুজবার পাচ্চি, হেয় আমহো বাবিছাব। আসসালামুআলাইকুম বাবিছাব।



আমার চালামডা পৌচাইয়া দিয়েন কিন্তু।।।
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: আফনেরেও লাল সালাম :)

১৮. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
comment by: কমুক্যা বলেছেন: ভাল লাগলো .....ভালথাকুন।
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: হ.. আমার দুক্ষের কাহিনী শুইনা আপনার ভালই লাগল... :(

১৯. ২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: মেলা দিন পর পাইলাম।
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: জেল থেইক্যা ছাড়া পাইছি ৩ সপ্তাহ হইয়া গেছে.... :)

২০. ২১ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: চড় খাওয়ার সুযোগ এখনো হয় নাই:):)
২১. ২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১৮
comment by: আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: ভুলডাতো আপনেই করছেন। ডাক্তাররে জিগাইতে গেছেন ক্যান?

যাই হোক, আমগো লাইগা ভালাই হইছে। এরম রোমান্টিক কাহিনী পড়বার পারতাছি। আর আপনার লেখাতেও জুশ আছে।
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ভাই ওই সময় কার মাথা ঠিক থাকে?

২২. ২১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৪২
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: ভাইজান চড় খাওয়া ভালা। কবে যে এরুম চড় খাইমু ;)
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: হ ঠিক কইছেন, আপনে ও যেন এই রকম খাইতে পারেন। :)
সবাই বলেন আমিন।

২৩. ২১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
comment by: স্বাপ্নিক বলেছেন: দ্রুত ভাল হয়ে উঠুন আর বাকি জীবনটা এইরকম ঝাড়ির উপর কাটিয়ে দিন ...
২৪. ২২ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:০২
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আহারে! আমারে যদি একজন এইরকম কইরা ধরতো!!! :(:(:(:(:(


আমি যদি এমন সুন্দরী একটা মাইয়ার লগে ঘুরবার পারতাম!!! :(:(:(:(:(
২৫. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭
comment by: মামু বলেছেন: এইডা কি হাচা না মিচা?

এই রকম বচ্ছিরি মাইয়া লইয়া গুরেন ক্যান? (খাইতে না পারলে আঙ্গুর টক :) )

আপচুস আমি একজনরেও পাইলাম না...........

বাকী পর্ব কবে আইব?
২৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৩
comment by: েজবীন বলেছেন: এমন করেই সারা জীবন আপনেরে থাপড়ানি বেগম, দাবড়ানি দিয়া বেড়াক.....:)
২৭. ২৫ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: আরে গুরু!!!! কি থাপ্পড় খাইলা???? :)


তোমার নাম অহন থিকা কোপা সামছু না.... থাপ্পড় সামছু ;)
২৮. ০১ লা জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: সামছু আপনার বান্ধবী ঠিকি বলেছেন, আপনি বড় বেফাঁস কথা বলেন। তবে সামগ্রিকভাবে এতটাই সুখপাঠ্য যে সবগুলা পর্ব এক বসায় পড়ে ফেললাম। আপনারা দুজনেই ভালো থাকবেন।
০৮ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: দোয়া করার জন্য ধন্যবাদ।

২৯. ০৮ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: -
৩০. ০৮ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:২৮
comment by: মনযূর মান্নান বলেছেন: অনেক লাকী আপনি। +++ সহকারে প্রিয়তে।
৩১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
comment by: সবুজ বলেছেন:

নাহ দাদা

আমি নদির ঐ পারে যাইতেও রাজি, এই পার যতই দীর্ঘশ্বাস ছরুক!!


+++

 



 


কোপাও... কুপাতি হয়... অনেক মজ্যা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১১৬৪৭