আমার প্রিয় পোস্ট

রাশেদ খালীফা, ম্যাথমেটিকল মিরাকল অব কোরআন এবং কোরআন টেম্পারিং

২২ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫

শেয়ারঃ
0 0 0

এই পোস্টের ( Click This Link) পর থেকে....

গত কয়েকদিন ডিম্ব খুঁজতে খুঁজতে অবস্থা একেবারে কেরোসিন। শেষে তো হাল প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম।

কিন্তু পুরো ছাড়িনি।

তার ফলও পেলাম হাতেনাতে। অবশেষে ডিম্ব পেলাম। অশ্ব ডিম্ব নয়, একেবারে উটের ডিম্ব। এখান থেকেই دَحَاهَا অর্থ যে ডিম্বাকৃতির তা সকলে প্রথম জানতে পারে।

লিংকটি হচ্ছে সাবমিশন ডট অর্গের ( http://www.submission.org/suras/sura79.html), আরবী থেকে ইংরেজীতে অনুবাদ করেছেন রাশেদ খলীফা। অনুবাদটি আগে দেখে নিই:

[79:30] He made the earth egg-shaped.

এবং শেষে স্পেশাল নোটও আছেঃ
*79:30 The Arabic word ``dahhaahaa'' is derived from ``Dahhyah'' which means ``egg.''

অবশেষে ডিম্বের সন্ধান পেয়ে আমি তো যারপরনাই খুশী। এবং এই রাশেদ খলীফার প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞবোধ করতে থাকি। সেই কৃতজ্ঞতাবোধের জায়গা থেকেই তাঁর প্রতি উৎসাহী হয়ে উঠি এবং ওনার সম্পর্কে খোঁজ শুরু করে দেই।

রাশেদ খালীফাঃ
তিনি মূলত একজন বায়োকেমিস্ট ছিলেন। মিশরে জন্ম হলেও ১৯৫৯ সালে আমেরিকায় বায়োকেমিস্ট্রিতে পিএইচডি করতে যান এবং সেখানেই থেকে যান। তিনি ইউনাইটেড সাবমিটার ইন্টারন্যাশনাল (USI) নামে গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন, যারা নিজেদেরকে প্রকৃত ইসলামের অনুসারী বলে দাবী করতো। এই গ্রুপ কখনো ইসলাম শব্দ ব্যবহার করেনি, বদলে ব্যবহার করে সাবমিশন এবং মুসলিমের বদলে ব্যবহার করে সাবমিটার। ( Click This Link)

ম্যাথমেটিকল মিরাকল অব কোরআন এর জনকঃ

রাশেদ খালীফা ১৯৭৪ সালে তার বিখ্যাত ম্যাথমেটিকল মিরাকল অব কোরআন প্রকাশ করেন। এই তত্ত্বের মূলে আছে একটি সংখ্যা ১৯। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এ আছে ১৯ টি অক্ষর, মোট সুরার সংখ্যা ১১৪ যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য, আয়াতের সংখ্যা ৬৩৪৬ যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য, মোট অক্ষর ১৬২১৪৬ যাও ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। এমন আরো বিশাল একটি তালিকা তিনি বের করেন, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য বা কোন না কোন ভাবে ১৯ এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

কোরআনের বাইরেও তিনি প্রাকৃতিক বিভিন্ন ঘটনার মধ্যেও তিনি ১৯ কে নিয়ে আসেন (যেমন হ্যালির ধুমকেতু ৭৬ বছর (১৯*৪) পর পর আবির্ভুত হয়)।

রাশেদ খালীফার মতে এই ১৯ এর ব্যাপারটি কোরআনের ৭৪ নম্বর সুরাতেই বিদ্যমান।

আল্লাহর ম্যাসেঞ্জারঃ

এরপরে তিনি নিজেকে আল্লাহর ম্যাসেঞ্জার হিসাবে দাবি করেন। ( Click This Link)। তিনি কোরআনের ৩:৮১ কে নিজের মত করে অনুবাদ ও তাফসীর করে জানান যে, প্রোফেট বা রাসুল হলেন তারা যারা আল্লাহর ওহী প্রাপ্ত হন, এবং ম্যাসেঞ্জার হলো তিনি যিনি রাসুলের প্রতি নাযিলকৃত ওহীকে যথার্থতা প্রদান করবেন। তিনিই কোরআনকে তার প্রকৃত রূপে সকলের সামনে তুলে ধরেছেন বিধায় তিনি সেই ম্যাসেঞ্জার।

এবারে আবার ম্যাথমেটিকল মিরাকল দিয়ে প্রমাণ করে দেন যে তিনিই সেই ম্যাসেঞ্জার। তিনি এই আবিষ্কার জানান ১৯৭৪ সালে। এই ১৯ এর অলৌকিকত্ব বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে ৭৪ নম্বর সুরায়, তিনি এই আবিষ্কার করেন ১৯৭৪ সালে। এই বছরটি হলো হিজরী ১৪০৬। ১৪০৬ = ১৯*৭৪। অতএব, তিনিই আল্লাহর ম্যাসেঞ্জার। ( http://www.submission.org/tampering.html)

কোরআনকে যথার্থতা প্রদানঃ

এই আর্টিকেলটি ( http://www.submission.org/tampering.html) পড়লে মোটামুটি তার থিউরিটি বুঝা যাবে। তিনি বলেন, দুনিয়া জুড়ে যে দাবী করা হয় সর্বত্র কোরআন অবিকল একই- তা আসলে ঠক নয়। কোরআনের অনেকগুলো ভার্সন পৃথিবীতে ছিল এবং আছে যেগুলোর একটির সাথে আরেকটিতে ব্যবধান বিদ্যমান। মিশরীয় এডিশনে প্রাপ্ত দুনিয়ার প্রাচীণ Tashkent কোরানের সাথে মিলিয়ে দেখলেও বুঝা যায় এই ব্যবধান। আজকের মোটামুটি যে গোটা দুনিয়ায় মোটামুটি একই ধরণের আদর্শ কোরআন পাওয়া যায় তা ১৯২৪ সালে মিশরের কায়রোতে ছাপানো এবং পরবর্তীতে সৌদি বাদশা ফাহাদের ছাপানো।

তিনি এরপরে জানান, এসব কোরআনের বিভিন্ন কপিতে মনুষ্যকৃত ভুল থেকে গিয়েছে। এবং প্রকৃত কোরআন পাওয়া সম্ভব সেই ১৯ দিয়েই। এভাবে তিনি কোরআনকে পরিবর্তনে (তার মতে শুদ্ধ ও সঠিক কোরআন উদ্ধারে) নামেন ।

সেখানে ধরে ধরে বিভিন্ন শব্দের শেষে, মাঝে শুরুতে অক্ষর দেয়া, আয়াত বাড়ানো-কমানো প্রভৃতি কাজ সমূহ করেন- যার ভিত্তি ছিল ১৯ থিউরি।

প্রশ্নঃ
১। কোনটি ঠিক?
২। রাশেদ খালীফা যদি বেঠিক হন, তবে তার প্রচারিত থিউরি দিয়ে দুর্বল মুসলমানদের ইমান শক্ত-পোক্ত করার চেষ্টা কেমন?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪
নেমেসিস বলেছেন: ইন্টারেস্টিং সেই ১৯ থিউরির কারনে প্রিয়পোস্ট ।
২. ২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
রাজামশাই বলেছেন:
-কমলালেবু ও কুমড়ার মতো ডিম এ স্ফেরিক্যাল
-কমলালেবু ও কুমড়ার বোটা আছে কিন্তু ডিম ও পৃথিবীর বোটা নাই
-কলালেবু ও কুমড়ার মধ্যে বিচি আছে কিন্তু পৃথিবীর মধ্যে বিচি নাই
-কমলা লেবু ও কুমড়ার মধ্যে কিছুটা ফাপা কিন্তু ডিম ও পৃথিবীর মধ্যে ফাপা নয়।
- কমলা লেবুর মধ্যভাগ অনেকগুলা কোয়ার সমস্টি একে অপরের থেকে পৃথক করা যায় কিন্তু ডিম ও পৃথিবীর মধ্যভাগ কমলা লেবুর মতো নয়।
- ডিমের যেমন কয়েকটি স্তর আছে (শেল শেলের নীচে পাতলা স্তর, সাদা পদার্থের স্তর হলযদ পদার্থের স্তর ) তেমনি পৃথিবীরও কয়েকটি স্তর আছে।
- ডিম ও পৃথিবী উভেয়ের পৃষ্টভাগ শক্ত এবং মধ্যভাগ গলিত পদার্থ দ্বারা তৈরী।
২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন:

দেখেন তো পৃথিবীর শেপের সাথে মেলে কি না??


২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন:
কিংবা এই ছবির সাথে মিল কি পাওয়া যায়??

২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন:
অথবা এটির সাথে??


২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন:

এখন পৃথিবীর পেট মোটা সেটা ঠক কিন্তু এইরকম কি দুইদিকে চোখাও???

৩. ২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
বুমবুম বলেছেন: কি যে হইতাছে দুনিয়ায়!
২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন:
খেক খেক খেক.....

আপনি এই এঙ্গেলে ছবি তুলে পৃথবীর শেপের সাথে কিছুটা মিলাতেও পারলেও, করার কিছুই নেই। এইসব জোর করে মেলানোটা আপনাদের ঐ কোরানের আয়াতের সাথে বিজ্ঞানের মিল বের করার মতোই।

একটু দেখুনঃ
যে ছবিটি দিয়েছেন, সেখানে কি দুই মেরুগামী উলম্ব পরিধিসমূহ (অক্ষাংশসমূহ) কি সমান?
বিষুবরেখা কি আপনি রাউণ্ড পাবেন?

ডানে ও বামে যে সুচালো, সেটা কি পৃথবীর শেপের সাথে মেলে??


আর, যে কমলালেবুর ছবি দিয়েছেন, সেটির খোসা খুলুন। বলা হয়, পৃথিবীর শেপ অনেকটা খোসা ছড়ানো কমলালেবুর মতোন।


আর, সবচেয়ে বড় কথা আপনি যে ডিম্ব নিয়ে লাফাচ্ছেন, তা মুসলিম স্কলারদের দ্বারা বাতিলকৃত রাশেদ খালীফার কোরআন টেম্পারিং এর ফল।

আপনি কি মনে করেন, রাশেদ খালীফা ঠিক ছিলেন??? আপনি কি তাহলে মুসলিম নন, সাবমিটার??? রাশেদ খালীফা কি আপনার আল্লাহের ম্যাসেঞ্জার???

৬. ২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭
নেমেসিস বলেছেন: শেষের আন্ডা টা রাজামশাই পারছে :)
৭. ২২ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮
মেন্টাল বলেছেন: পৃথিবীর আকৃতি ফোলানো রাজা কন্ডমের মতো।
২৩ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন:
ভিজিট করলাম, এটা কি আপনার লেখা??
এটার জবাব কোথায়, কাকে দিব???

৯. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৫
অপ বাক বলেছেন: সুরা ৭৪ আয়াত ৩০-
এটা মনে হয় উনিশ রাজত্বের সূচনা।
২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন:
৭৪ এর ৩০ এ না থেকে ১৯ নং আয়াতে এই ইংগীতের কথা থাকলে আরো ভালো হতো....

১০. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৮
নিকো৮১২৩ বলেছেন: স্কুল লাইফ থেকে এই ১৯ এর প্যাচাল শুনতে শুনতে কান পচে গিয়েছিল। তখন তো আর এত নেট ছিলো না। আর আমি কম্পিউটার ব্যবহারে একদম গোমূর্খ। কিন্তু আমার সবসময় মতে হতো যে নির্দিষ্ট একটা কিছু বের করতে চাইলে সবখান থেকেই তা বের করতে পারা যাবে। অর্থাৎ আমি সেই বিষয়গুলোই আমার হিসাবে নিবো যেটা আমার আকাঙ্খার সাথে মেলে। এর নাম তো আর বৈজ্ঞানিক গবেষণা না। তো তখন স্কুলের বন্ধুদের এই কথাই বলতাম। ওরা বলতো আমি বাদ হয়ে গেছি। চোখের সামনে আল্লাহর কুদরত দেখেও দেখি না। এখন আপনার লেখা থেকে তো এটা স্পষ্ট যে কোরআনের এই ১৯ এর মিল একটা নির্দিষ্ট অংশের লোকের ধারণা মাত্র। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
১১. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮
নিকো৮১২৩ বলেছেন: আর লোকজন আপনাকে প্রায়ই একটা কথা বলে তা হলো যে আপনি খালি ইসলাম বিদ্বেষী বা আপনার লেখাগুলো সব ইসলাম বিরোধী। এক্ষেত্রে আমার বক্তব্য হলো যারা তা বলে তারা তো সবাই অন্য ধর্ম বিরোধী। অন্য ধর্মের সব ব্যাপারই তাদের কাছে হাসির ব্যাপার। ভুলে ভরা। একমাত্র ইসলামই সঠিক। ফলে তাদের কাছে অন্য ধর্মের বিরুদ্ধে অসারতার কথা বলার কোন মানে নাই।এতে ওনাদের উন্নাসিকতা আরও বাড়া ছাড়া আর কোন কাজ হবে না। তাই নিজে যেটাকে শ্রেষ্ঠ মনে করে সেটার সীমাবদ্ধতাটা তাদের জানা উচিত। আপনাকে আরও একটা অনুরোধ। আপনি কি আপনার পোষ্টগুলো সংকলিত করে একটা বই বের করবার কথা ভাববেন? যদি ভাবেন তাহলে আমার অনুরোধ যে ভাষাটা একটু সহনীয় করে লিখেন। নাহলে শেষে লোকজন আবার আপনার ফাসি থেকে শুরু করে সব চাইতে শুরু করবে।
২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন:

মুসলিমের সাথে দ্বিমত ছিল ব্যাপারটির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তিনি এই ১৯ কে জায়েজ করতে গিয়ে কোরআনকেই পাল্টে ফেলেছিলেন!!

যারা এখন না জেনে ১৯ তত্ত প্রচার করেন, তারা বুঝেন না যে, তারা পরিবর্তিত কোরআনের কথা বলছেন!!!

১২. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯
রাগিব বলেছেন: রাশাদ খলিফার এই ব্যাপারটা বেশ বিতর্কিত, এবং অভিযোগ করা হয়, উনি ১৯ এর মিল ধরাবার জন্য অনেক ক্ষেত্রে যোগ বিয়োগ, গণার কারসাজি করেছেন।

রাশাদ খলিফার সেই নবী দাবীর কারণে তাকে পাকিস্তানের এক জঙ্গী দলের লোকজন ছুরিকাহত করে আমেরিকাতেই। এখন তার অনুসারীরা আবার দুই দল হয়ে গেছে।
১৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪১
রাগিব বলেছেন: এই ব্যাপারে উইকিতে তার অনুসারী দুই দলের মধ্যে বিশাল ফাইটিং চলেছিলো, তখন এসব ব্যাপারগুলা জানলাম। দুই দলের ট্রোলের সংখ্যা কম না, তাদের একজন হলো তুর্কি এদিপ ইউক্সেল নামের।
১৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪২
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
এই রাশেদ খলিফাটাই বা কোন ুতিয়া যে তার কথা বিশ্বাস করতে হবে?
শালার এইগুলান পোস্ট দেওনের মানে বুঝি না। ফাউল লোকজন সব।
১৫. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
রাশেদ খলীফা যে কোরআন টেম্পারিং করেছিলেন, এটা প্রমাণিত।

ওনার দেখানো আয়াতের সংখ্যাঃ ৬৩৪৬
এই লিংকে ( http://www.submission.org/suras) গেলে ওনার কোরআন অনুবাদ পাবেন, হিসাব করে দেখতে পারেন, কয়টি আয়াত তিনি কিভাবে বাড়িয়েছেন, সেজন্য প্রচলিত আরেকটি কোরআন আপনার সামনে রাখতে হবে তুলনা করার জন্য।
সমস্ত কোরআনেই পাবেন আয়াত সংখ্যাঃ ৬২৩৬ যাকে ১৯ দ্বারা ভাগ করলে হয় ৩২৮.২১০৫২৬৩১৫৭৮৯৪৭৩৬৮৪২১০৫২৬৩১৫৭৯,


সেই সাবমিশন গ্রুপের সাইটের এই পেজে ( http://www.submission.org/tampering.html) গেলে দেখবেন, সেখানে কিভাবে বিভিন্ন আয়াতে অক্ষর বাড়ানো হয়েছে!!! নুন, ইয়া এসব তো ইচ্ছামত শব্দের মধ্যে ঢুকিয়েছেন!!

এভাবেই হয়েছে ১৯ থিওরি।


কিন্তু খালীফা যুক্তি করেছেন, অন্যান্য কোরআনই ভুল কোরআন, মনুষ্যকৃত ভুল। আল্লাহর আসল কোরআন হচ্ছে সেই কোরআন যেখানে ১৯ মিলে যাবে!!! কেননা, ৭৪ নং সুরার ৩০ নং আয়াতে এই ১৯ কথাটির উল্লেখ আছে!!!
১৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১
আশার আলো বলেছেন: রাশাদ খলীফা (অনেকে বলেন রিচার্ড কালিফ) অসাধারন মেধাবী ছিলেন এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই। উনি সত্য কি ভুল পথে ছিলেন তা আল্লাহই ভালো জানেন। তবে ১৪০০ (প্রায়) বছরের প্রতিষ্ঠিত অনেক কিছুকে উনি ছুড়ে ফেলে দিতে চেয়েছিলেন।

উনার দাবী ছিল ইসলাম প্রায় প্রথম থেকেই ভুল পথে চলেছে। সেটাকে ঠিক করার জন্যে তার (রাশাদ খলীফা ) আগমন। সেখানে প্রকটি প্রশ্ন থেকে যায়। আল্লাহ নিজেই কোরআনে বলেছেন কোরআনকে তিনি রক্ষা করবেন। কোরআনে যদি বিকৃত হয়ে থাকে তাহলে দীর্ঘ ১৪০০ বছর পরে কেন তিনি একজন পিউরিফায়ারকে পাঠাবেন। আগে কেন পাঠান নি!

দেখা যাক ৭৪ নং সুরার ৩০ নং আয়াত ও আর পরে কি আছে-
-----------------------------------------------------------------------
(৭৪-৩০) এর উপর নিয়োজিত আছে উনিশ (ফেরেশতা)।
(৭৪-৩১) আমি জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক ফেরেশতাই রেখেছি। আমি কাফেরদেরকে পরীক্ষা করার জন্যেই তার এই সংখ্যা করেছি-যাতে কিতাবীরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়, মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং কিতাবীরা ও মুমিনগণ সন্দেহ পোষণ না করে এবং যাতে যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা এবং কাফেররা বলে যে, আল্লাহ এর দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছেন। এমনিভাবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথে চালান। আপনার পালনকর্তার বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন এটা তো মানুষের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
-----------------------------------------------------------------------


এ অংশটুকি আবার লক্ষ্য করুন-

"-----আমি কাফেরদেরকে পরীক্ষা করার জন্যেই তার এই সংখ্যা করেছি-যাতে কিতাবীরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়, মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং কিতাবীরা ও মুমিনগণ সন্দেহ পোষণ না করে এবং যাতে যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা এবং কাফেররা বলে যে, আল্লাহ এর দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছেন। ----"

১৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৮
রাইডার বলেছেন: সবই অতিচালাকী ;)
১৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩
নাজমুস বলেছেন: বলেছেন: আহারে ভাইয়েরা, এখনও আপনারা ধর্ম-টর্ম, ইসলাম-টিসলাম নিয়া পইড়া আছেন! কবে কোন জঙ্গলের কোন বন-মানুষ দুঃস্বপ্ন দেখছিল আল্লারে-ঈশ্বররে, তাই নিয়া চিন্তা করনের সময় কি এখন আছে? বাঙালীরা কি চিরদিন শিশুই থাকবে!!!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই