আমার প্রিয় পোস্ট

বাস্তবতা ফেরী করে বেড়াচ্ছে আমার সহজ শর্তের সময়গুলোকে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( শেষ পর্ব )

১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:১৯

                       

(প্রকাশসত্ব সংরক্ষিত)
প্রথম পর্ব

২য় পর্ব

৩য় পর্ব
(আগের পর্বের পর)
এই যে পর্যালোচনা শেষে বললাম The International Crimes (Tribunals) Act 1973 এর মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব, তারপরেও কেন এতবছর হয়ে গেলেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে না? সেটা রীতিমতো বড় রকমের প্রশ্ন বটে। The International Crimes (Tribunals) Act 1973 এর অধীনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ শুরু করতে হলে tribunal গঠন করতে হবে। আর সেই tribunal গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে The International Crimes (Tribunals) Act 1973 এর ৬ নং ধারায়।৬(১) ধারায় বলা হয়েছে-
“For the purpose of section 3, the Government may, by notification in the official Gazette, set up one or more Tribunals, each consisting of a Chairman and not less than two and not more than four other members.”

এখানে লক্ষ্য করুন may শব্দটির ব্যবহার। অর্থাৎ সরকার ইচ্ছে করলে এক বা একের অধিক tribunal গঠন করতে পারবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সরকারেরই এই ইচ্ছাটা হয় নি। তাই এত বছর পরেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয় নি।তিন অক্ষরের দুর্বল শব্দের ব্যবহার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ দীর্ঘায়িত করেছে। অথচ এখানে may শব্দের পরিবর্তে shall অথবা will ব্যবহার করলে সরকারকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য অবশ্যই tribunal গঠন করতে হতো। আর tribunal গঠন হলে নিঃসন্দেহে যুদ্ধাপরাধদের বিচার সম্ভব।

বর্তমান সরকারের আমলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি আলোচিত বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।বর্তমান সেনাপ্রধাণ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার কথা বলেছেন। মিডিয়ায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। জনসাধারণও চাচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক। সুতরাং আমরা প্রত্যাশা করতে পারি- সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য tribunal গঠন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করবে।

আর এই কাজটি যদি বর্তমান সরকারের পক্ষে সম্ভব নাও হয় তাহলে অন্তত এই সরকার যেন The International Crimes (Tribunals) Act 1973 এর ৬(১) ধারায় may শব্দের পরিবর্তে shall অথবা will শব্দের প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা করে যায়। যাতে পরবর্তীতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ এগিয়ে যায়।

আলোচনার সবশেষে পরিস্কার করে বলা যাক, স্বাধীনতার এত বছর পরেও কেন আমরা যুদ্ধাপরাধদের বিচার চাই। হিংসা, প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই না। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই মানবতার ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে। মানবতার বিরোদ্ধে ১৯৭১ সালে যে অপরাধ সংগঠিত হয়েছিল তার বিচার অবশ্যই প্রত্যাশিত। পরবর্তীতে যাতে কখনোই এ ধরনের অপরাধ সংগঠিত না হয় তা নিশ্চিতের জন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে।

তৎকালীন আইমন্ত্রি শ্রী মনোরঞ্জন ধরের কথাও মনে পড়ে। আমরা সমস্ত সভ্য জাতির চোখে পরিহাসের পাত্র হতে চাই না। যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে Limitation Act প্রযোজ্য নয়। সুতরাং আজ হোক কাল হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে। সেই দিনটির জন্য আমরা অপেক্ষা করে আছি। আবারো মনে করিয়ে দিতে চাই শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে, স্বাধীন দেশে বসবাস করে সমস্ত সভ্য জাতির চোখে আমরা পরিহাসের পাত্র হতে চাই না। চাই না ইতিহাসে অত্যন্ত কদর্য নজীর স্থাপন করতে। সুতরাং আমরা দৃঢ়ভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

সূত্র :
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
২. The Bangladesh Collaborators (secial Tribunals) (Amendment) Order 1972
৩. The International Crimes (Tribunals) Act 1973
৪. Constitutional Law of Bangladesh; Mahmudul Islam
৫. যুদ্ধাপরাধ এবং জেনেভা কনভেনশন : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত- আইজ্যাক রবিনসন/জাভেদ হাসান মাহমুদ
৬. যুদ্ধাপরাধদের বিচার এবং বাংলাদেশের সংবিধান – কে এম সোবহান
৭. একাত্তুরের ঘাতকদের কেন বিচার চাই- আমান-উদ-দৌলা


লেখাটির পিডিএফ

 

 

  • ২১৩ টি মন্তব্য
  • ১৬২৫বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫২ জনের ভাল লেগেছে, ১৫ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৪
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
সহমত, শামীম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে। ভালো তথ্যমূলক লেখা।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৫
comment by: মুকুল বলেছেন: মানবতার বিরুদ্ধে ১৭১ সালে যে অপরাধ সংগঠিত হয়েছিল তার বিচার অবশ্যই প্রত্যাশিত। পরবর্তীতে যাতে কখনোই এ ধরনের অপরাধ সংগঠিত না হয় তা নিশ্চিতের জন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে।

*****
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে, স্বাধীন দেশে বসবাস করে সমস্ত সভ্য জাতির চোখে আমরা পরিহাসের পাত্র হতে চাই না। চাই না ইতিহাসে অত্যন্ত কদর্য নজীর স্থাপন করতে। সুতরাং আমরা দৃঢ়ভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

৩. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৫
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শামীম ।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে, স্বাধীন দেশে বসবাস করে সমস্ত সভ্য জাতির চোখে আমরা পরিহাসের পাত্র হতে চাই না। চাই না ইতিহাসে অত্যন্ত কদর্য নজীর স্থাপন করতে। সুতরাং আমরা দৃঢ়ভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

ধন্যবাদ বিমা ভাই।

৪. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৭
comment by: মনিটর বলেছেন: শামিম ভাই/ কাজটা অসাধারন করতেছেন ।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনিটর ভাই।

৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৩২
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
শামীম ভাই, মাঝে মাঝে ক্ষেপে উঠি, যদি পারতাম এই নরকের পোকা গুলোকে পায়ের নীচে পিষে মারতে, বা এক কাতারে দাড় করিয়ে খুন করি, কেন জানি আমি ওদের বিচার চাইনা, আমি চাই ওদের মত অমানুষগুলোকে খুন করতে - রক্ত-ঋণ শুধতে, ওদের রক্ত দিয়ে।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই মানবতার ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে। মানবতার বিরোদ্ধে ১৯৭১ সালে যে অপরাধ সংগঠিত হয়েছিল তার বিচার অবশ্যই প্রত্যাশিত। পরবর্তীতে যাতে কখনোই এ ধরনের অপরাধ সংগঠিত না হয় তা নিশ্চিতের জন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে।

৬. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪১
comment by: একস্লিপ বলেছেন: সহায়ক সূত্রগুলো নিঃসন্দেহে লেখার গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। আসলে কতোজন যুদ্ধাপরাধীর বিচার হচ্ছে, কী শাস্তি হচ্ছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। বিচার হওয়াটাই মূল বিষয়। বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করলে এ সরকারকেই করতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের ওপর আস্থা রাখা যায় না। বিএনপির ওপর তো নয়ই।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ঠিক বিচার হওয়াটাই মুল বিষয়। তাহলে ইতিহাসের কাছে আমরা বলতে পারবো-
হে ইতিহাস শুনে রাখো যারা ১৯৭১ সালে মানবতার বিরোদ্ধে অপরাধ করেছে তাদের বিচার আমরা করতে পেরেছি।

সুতরাং যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা যুদ্ধাপরাধদের বিচার চাই।

৭. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪১
comment by: নাভদ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে। +
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে, স্বাধীন দেশে বসবাস করে সমস্ত সভ্য জাতির চোখে আমরা পরিহাসের পাত্র হতে চাই না। চাই না ইতিহাসে অত্যন্ত কদর্য নজীর স্থাপন করতে। সুতরাং আমরা দৃঢ়ভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

৮. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
comment by: মুকুল বলেছেন: এই লেখাটি নির্বাচিত পোস্টে রাখার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: মুকুল ভাই আপনার কাছেই প্রথম খবরটি জানলাম। ধন্যবাদ।

৯. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।


এই লেখাটি নির্বাচিত পোস্টে রাখার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে, স্বাধীন দেশে বসবাস করে সমস্ত সভ্য জাতির চোখে আমরা পরিহাসের পাত্র হতে চাই না। চাই না ইতিহাসে অত্যন্ত কদর্য নজীর স্থাপন করতে। সুতরাং আমরা দৃঢ়ভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

ধন্যবাদ নেমেসিস ভাই।

১০. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
comment by: না বলা কথা বলেছেন: *****
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে, স্বাধীন দেশে বসবাস করে সমস্ত সভ্য জাতির চোখে আমরা পরিহাসের পাত্র হতে চাই না। চাই না ইতিহাসে অত্যন্ত কদর্য নজীর স্থাপন করতে। সুতরাং আমরা দৃঢ়ভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

ধন্যবাদ না বলা কথা।

১১. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০১
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
বিচার কে করবে শামীম ভাই? ওরাই তো সবখানে হর্তাকর্তা।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: বিচার করবে The International Crimes (Tribunals) Act 1973

শুধু সেই উদ্যোগটা নিতে হবে।

১২. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০২
comment by: নাভদ বলেছেন:

@একরামুল হক শামীম, মাইনাস পরা মাত্র দেইখেন কে দিল।

লেখাটি নির্বাচিত পোস্টে রাখার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: এরইমধ্যে একটা মাইনাস ব্লগ ভিজিটর তুলে ধরছি। বুঝে নিন কে মাইনাস দিতে পারে।
যাইহোক মাইনাস এর বিষয়ে আমি চিন্তিত না।

ধন্যবাদ নাভদ ভাই।

১৩. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০৯
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
কর্তৃপক্ষ, ধন্যবাদ লেখাটি নির্বাচিত পোস্টে রাখার জন্য। দয়া করে কি সকল পোস্টেই মাইনাস বা প্লাস দেওয়া ব্লগারের নাম প্রকাশের ব্যবস্থা করা সম্ভব?
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: ভাইরে যে মাইনাস দিছে সে সামনে আসতে চায় না। কি আর করা।
তবে আমি সাম্প্রতিক ব্লগ ভিজিটরের একটা লিস্ট দিছি। সেইখান থেকেই ধারণা পাওয়া যাবে।
মাইনাস নিয়া চিন্তিত না। তবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে...আজ হোক আর কাল হোক। পোস্ট মাইনাস দিয়াও তারা সেই বিচার রুখতে পারবে না। এইটা ভেবে খুব ভালো লাগছে।

১৪. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১২
comment by: দূরন্ত বলেছেন: একরামুল হক শামীমের পরিশ্রম করে লেখাটা স্টিকি করায় খুব ভালো লাগছে।
+
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৩
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অসাধারণ একটা পোস্ট আগেই বলেছি। স্টিকি করায় সামহোয়ারকে অভিনন্দন, শামীমকেও
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।

১৬. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২১
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন
রাতমজুর
একস্লিপ
নাভদ
সাগর নীল
পরাগ জাফর
অমি রহমান পিয়াল
দূরন্ত
. . . এখনো খুঁজি
হাসিবুল
রাজপথ_থেকে_বলছি

এদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে বাদ দেয়া যায় নিঃসন্দেহে। বাকি কে থাকতে পারে মাইনাস দেয়ার জন্য তা ভেবেই নিন।

তবে যে মাইনাস দিছে তাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ করছি পারলে সামনে এসে যেকোন এই সিরিজের যেকোন পোস্টের বিপরীতে যুক্তি খন্ডন করুন। আমি প্রস্তুত।
১৭. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২২
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: +
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অসাধারণ একটা পোস্ট আগেই বলেছি। স্টিকি করায় সামহোয়ারকে অভিনন্দন, শামীমকেও
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দ্বিতীয়নাম।

১৮. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৩
comment by: নেমেসিস বলেছেন: @ রাতমজুর মনে রাখবেন বিচারকে যারা ভয় পায় তারাই এসব চোরাগুপ্তা মাইনাস দিয়ে যাবে । এই কাজটা তাদের সৎসাহসের অভাবকেই রিপ্রেজেন্ট করছে ।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: বিচারকে যারা ভয় পায় তারাই এসব চোরাগুপ্তা মাইনাস দিয়ে যাবে । এই কাজটা তাদের সৎসাহসের অভাবকেই রিপ্রেজেন্ট করছে।

একমত নেমেসিস ভাই

১৯. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৩
comment by: নাভদ বলেছেন:
তবে যে মাইনাস দিছে তাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ করছি পারলে সামনে এসে যেকোন এই সিরিজের যেকোন পোস্টের বিপরীতে যুক্তি খন্ডন করুন। আমি প্রস্তুত।
----------------------------

হ, আর আইছে... :)
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: :) :) :)

২০. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৬
comment by: হমপগ্র বলেছেন: শামীম ভাই অনেক ধন্যবাদ। আপনার কষ্ট সার্থক হোক। এই কামনায়...
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হমপগ্র।

২১. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৮
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
@ তাহলে আসুন শামীম ভাই, উদ্যোগটা নিয়েই ফেলি, আপাতত ব্যাস্ত চাকরী নিয়ে, কিন্তু চাকরী ছাড়ছি শিগগীরিই, পুরোটা সময় থাকবো আপনাদের সাথে, উদ্যোগটা যারা নেবে তাদের সাথে।

@ নেমেসিস, সত্য কথা।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষকে উদ্যোগটা নিতে হবে। আগে ট্রাইবুনাল গঠন করতে হবে। তারপর অন্যান্য কাজ চলবে।

২২. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩০
comment by: মিরাজ বলেছেন: চমৎকার একটা কাজ হয়েছে । প্রিয় পোষ্টে রাখলাম ।

শামীম আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিরাজ ভাই। আপনার বলা কথাটা আমার মনে আছে। সবগুলোকে একত্রে করে একটা পোস্ট দিব।

২৩. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩০
comment by: রাগিব বলেছেন: ধন্যবাদ, শামীম ভাই।


মাইনাস টাইনাস নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনীও অনেকের সহ্য হয় না। মাইনাসদাতাদের সংখ্যা দেখবেন "কাকতালীয়"ভাবে গো-আ-র জীবনীতে প্লাসদাতাদের সমান। :)

সব খন্ড এক করে পিডিএফ করে অনলাইনে আপলোড করে দেন। জরুরী এই ডকুমেন্ট এক জায়গায় থাকা দরকার। জায়গা লাগলে আমাকে ইমেইল করে দেন ragibhasan AT gmail
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: রাগিব ভাই পিডিএফ ফাইল করে আপনাকে পাঠানো হবে।
অনলাইনে আপলোড করবো কিভাবে তা ভালো করে আমার জানা নেই। তবে জানলে করে দিব।

ধন্যবাদ রাগিব ভাই।

২৪. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
comment by: মানুষ বলেছেন: শামীম মিয়া জটিল কাছ করছো। কপি রাখতে চাই যদি অনুমতি দাও।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: গুরু অবশ্যই রাখতে পারেন।

২৫. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৭
comment by: অপর মানব বলেছেন: শামীমকে স্যালুট

কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ

মায়না দেনেওয়ালা ছাগুরে গদাম
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: অপর মানব ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

২৬. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
comment by: রাগিব বলেছেন: আমাকে ইমেইলে পাঠিয়ে দিলে আমি আমার ওয়েবসাইটে যোগ করে আপনাকে লিংক দিয়ে দিতে পারি। ফারহান দাউদের দেয়া মুক্তিযুদ্ধের বইয়ের তালিকা ইতিমধ্যেই আপলোড করে রেখেছি ওখানে।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে রাগিব ভা্ই। পি্ডিএফ করা শেষে্ আপনাকে মেইল করছি।

২৭. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২০
comment by: জানা বলেছেন: দারুন....। @শামীম। আপনার শ্রম সার্থক হোক। শেষ পর্বটির জন্যে অপেক্ষায় ছিলাম, যাতে সব ক'টা পর্ব একসাথে নির্বাচিত পোস্টে রাখতে পারি। লেখাটি স্টিকি থাকারও প্রয়োজনীয়তা রাখে। আপনাকে আন্তরীক অভিনন্দন।

ধন্যবাদ।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানা আপু। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

২৮. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২২
comment by: রাশেদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শামীম। অনেক ভালো কাজ হইছে এইটা। আবারো ধন্যবাদ।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: রাশেদ ভাই ধন্যবাদ।

২৯. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৩
comment by: মানুষ বলেছেন: থাঙ্কস শামিম
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: এই লেখাটার একটা পিডিএফ করা হচ্ছে। হলে আপনাকে পাঠিয়ে দিব।

৩০. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৯
comment by: দেশপ্রেমিক বলেছেন: দুঃখিত। শ্যাখ মুজিব নিজে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় নাই।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি কি মাইনাস রেটিংয়ের মাধ্যমে বিচারের বিপক্ষে নাকি?
আবার নিক নিছেন দেশপ্রেমিক!!!!!!!!!

৩১. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩৬
comment by: ইউটু বলেছেন: ভালইছে।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইউটু।

৩২. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: প্লাস।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাজিরুল ভাই।

৩৩. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫৭
comment by: প্রিয়তমা বলেছেন: দারুন কাজ করেছেন শামীম ভাই ! অবশ্যই ++++
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: প্রিয়তমা, অনেক ধন্যবাদ।

৩৪. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:২৬
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: "অথচ এখানে may শব্দের পরিবর্তে shall অথবা will ব্যবহার করলে সরকারকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য অবশ্যই tribunal গঠন করতে হতো।"------
আসলে তিন অক্ষরের দুর্বল বা চার অক্ষরের জোরালো শব্দ টা কিছু না, আসল ব্যাপার টা হল সদিচ্ছা,

"বর্তমান সরকারের আমলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি আলোচিত বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে"-----
এই প্ড়শ্নটাও আগে উঠেছে, যে এখন যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে সোচ্চার, গত পনের বছর তারা কোথায় ঘুমিয়ে ছিলেন, যে কাজটা জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত সরকারের করার কথা, তা একটা অনির্বাচিত , জনগণের কাছে অ-দায়বদ্ধ আপদকালীন সরকারের করা কতটা যুক্তি সঙ্গত ?

তবে হ্যাঁ, দ্ব্যার্থহীন আর সকলের মত এটা আমারও চাওয়া, যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক,
এবং একটি নিরপেক্ষ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে এবং তা যেন কোন বাহ্যিক শক্তি দ্বারা প্রভাবিত না হয়।

তবে এই দাবী বর্তমান সরকারের কাছে না, তাদের কাছে চাওয়া হল তারা যেন শিঘ্রই জনগণের ক্ষমতা জনতার হাতেই ফিরিয়ে দেয়,

আর এই বিচারকার্য যাদের করার কথা, সেই জনগণের সরকারই করুক।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে, স্বাধীন দেশে বসবাস করে সমস্ত সভ্য জাতির চোখে আমরা পরিহাসের পাত্র হতে চাই না। চাই না ইতিহাসে অত্যন্ত কদর্য নজীর স্থাপন করতে। সুতরাং আমরা দৃঢ়ভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

৩৫. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:২৯
comment by: দেশপ্রেমিক বলেছেন: হ ... যাগো আপনেরা "যুদ্ধাপরাধী" বলেন তাদের যুদ্ধাপরাধের কোন শক্ত প্রমান এই জাতির সামনে হাজির করা যায় নাই। পেপার ক্লিপিং আর '৭১ এর দালালরা কে কোথায় টাইপের বইরে ঐতিহাসিক দলিল বইলা চালায় দেওনের যুগ আর নাই।

এরচেয়েও বড় কথা, মুজিব সাহেব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান নাই। এখন এসব ফাও প‌্যাচাল পাড়ার কোন অর্থ হয়না।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: The International Crimes Act 1973 provides the government with enormous power to still try the war criminals of 1971 by setting up tribunals without facing legal hurdles since the law makes newspaper reports and photographs of war crimes admissible in court as evidence.

কি বুঝলেন?

ওয়েট, আরো যুক্তি দিচ্ছি। আর শুনে রাখেন অযথা ফাউ প্যাচাল পারতে আসবেন না।

৩৬. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪৪
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: About the rules of evidence, the law says a war crimes tribunal is not bound by technical rules of evidence, and it shall adopt and apply to the greatest possible extent expeditious and non-technical procedures, and may admit any evidence, including reports and photographs published in newspapers, periodicals and magazines, films and tape recordings and other materials may also be tendered before it, if it deems them as having probative value.

According to the act, a war crimes tribunal will not even require proof of facts for common knowledge, but shall take judicial notice of it.

To ensure smooth trials, the act suspended application of the provisions of the Criminal Procedure Code 1898 and the Evidence Act 1872 in the proceedings of war crime tribunals.

About judgments and sentences, the act says upon conviction of an accused, the tribunal shall award sentence of death or such other punishment proportionate to the gravity of the crime as appears to the tribunal to be just and proper.

The act also limited the scope of appeal against the verdicts of the war crimes tribunal as it says a convicted person may appeal only to the Appellate Division of the Supreme Court against a judgment.

In the act, investigation officers of war crime cases are provided with enormous authorities to enquire into the crimes. The act says any investigation officer, who is appointed by the government, and is carrying out an investigation under the act, may by order in writing, require the attendance before him/herself of any person who appears to be acquainted with the facts and circumstances of the case, and such person/s must attend as so required. Subpoenaed persons are also bound to answer all questions put to him/her by an investigation officer and shall not be excused from answering any question on the ground that the answer may incriminate him/herself, or may tend to directly or indirectly incriminate him/herself.

"Any person who fails to appear before an investigation officer for the purpose of examination or refuses to answer the questions put to him [or her] by such investigation officer shall be punished with simple imprisonment which may extend to six months or with fines which may extend to Tk 2,000, or with both," the act says.

ব্লগার দেশপ্রেমিক (!!!!!) এইবার বুঝে নেন। তারপরেও তর্ক করতে চাইলে আইসেন সব বুঝায়া ব্যাখ্যা করব।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: এইবার বুঝলেনতো পেপার কাটিঙংয়ের ও কেমন মুল্য আছে?

৩৭. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪৪
comment by: সাগর নীল বলেছেন: