
চারপাশের এই অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানা দেখলে মাঝে মাঝে সত্যিই অবাক হতে হয়। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার যাদের দায়িত্ব, তারাই যদি এমন বিতর্কে জড়ান, তবে সাধারণ মানুষ কার ওপর ভরসা রাখবে বলুন তো?
ঘটনাটা বরিশালের দক্ষিণ কড়াপুরের। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর একটি মাদকবিরোধী অভিযান চালাল। সেখানে আটক হলো কিছু মানুষ। কিন্তু সবচেয়ে বড় চমক হলো, সেখানে হাজির ছিলেন এয়ারপোর্ট থানার এক এএসআই—দেলোয়ার হোসেন সাহেব। তিনি সেখানে কেন গিয়েছিলেন, তার কোনো সদুত্তর তার কাছে ছিল না। পরে তাকে ওসির জিম্মায় দেওয়া হয় এবং থানা থেকে তিনি চলে যান।
তবে দেরিতে হলেও এ নিয়ে ভালো একটি পদক্ষেপ এসেছে। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের নির্দেশক্রমে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। উপ-পুলিশ কমিশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান সত্যিই আশাজাগানিয়া। অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াটাই তো আইনের শাসন। ভাবছি, আমাদের সমাজটা যদি এভাবেই সব অনিয়মের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার হতে পারত, তবে দেশটা কত না সুন্দর হতো!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






