somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পার্বত্য চট্টগ্রামের হত্যা

১৪ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পার্বত্য এলাকায় এখনো প্রতিনিয়তই ভারতীয় উপজাতির (যারা আজ বাংলাদেশের পরিচিতা হয়ে বাঙালিদের উচ্ছেদে লিপ্ত)নিযার্তনের স্বীকার হচ্ছে71এর স্বাধীনতা অর্জনকারী বাঙালিরা, পুর্বের কিছু নৃশংসতা তুলে ধরলাম,,,,,
ঘটনাক্রম (১৯৭৭-) : পার্বত্য
চট্টগ্রামে বাঙালি ও সেনাহত্যা
৬ মে ১৯৭৭ : সাঙ্গু
নদীতে কর্তব্যরত অবস্থায় আবদুল
কাদিরসহ পাঁচ সেনাসদস্যকেহত্যা।
২৫ অক্টোবর ১৯৭৭ :
বান্দরবানে নিহত হন নায়েকআবদুল
গণি মিয়া, নায়েক আবদুস সাত্তার,
নায়েক আরিফ, সিপাহী লুৎফর রহমান,
সিপাহী আলী হোসেন
এবং সিপাহী আবদুল খালেক মুন্সি।
২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ : সাঙ্গু
নদীতে অ্যামবুশ, এক
সেনাসদস্যকে হত্যা এবং প্রচুর
গোলাবারুদ লুট।
৫ জুলাই ১৯৭৯ : কাপ্তাই নতুন
বাজার থেকে ২ জন আনসার
সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা।
১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ : দীঘিনালায়
নায়েক এসএম রুহুল আমিনকে হত্যা।
১৪ অক্টোবর ১৯৭৯ :
খাগড়াছড়িতে পাঁচ সেনাসদস্যকে হত্যা।
১৯ ডিসেম্বর ১৯৭৯, লংগদু : একই
রাতে একযোগে কয়েকটি গ্রামে হামলা,
২০ অ-উপজাতীয়কে হত্যা, আহত
৪০, ১০৪টি বাড়ি অগ্নিদগ্ধ।
২৩ জানুয়ারি ১৯৮০ :
খাগড়াছড়িতে তিন সেনাসদস্যখুন,
আহত ৫।
২১ এপ্রিল ১৯৮০ :
ফালাউংপাড়া নামের
একটি স্থানে অ্যামবুশ করে১১
রাইফেল ব্যাটালিয়নের ২০ জন
জওয়ানকে হত্যা, প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র
লুট।
১ মার্চ ১৯৮০ : ঘন্টিছড়া নামের
একটি স্থানে অ্যামবুশ
করে হত্যা করা হয় মেজর মহসিন
আলমসহ ২২ জন সেনাসদস্যকে।
২৫ মার্চ ১৯৮০, কাউখালী :
বাঙালি বসতিতে হামলা, দুই
পক্ষে নিহত ২৯, আহত ১১ জন।
১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮০, কাউখালী,
বেতছড়ি ও কচুখালী : আকস্মিক
আক্রমণে ৬ বাঙালি খুন, আহত২৫
জন।
২৯ এপ্রিল ১৯৮৪ :
খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায়
বাঙালি বসতিতে গণহত্যা। হতাহতের
প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায়নি।
৩০ ও ৩১ মে ১৯৮৪, ভূষণছড়া ও
বরকল : দিবাগত
রাতে বাঙালি বসতিতে হামলা, ৮৮
জনকে গুলি করে হত্যা, আহত ৩৩
এবং ১৮ জন অপহৃত। আগুনে পুড়ে ছাই
২৬৪টি বাড়ি।
১৯ জুলাই ১৯৮৬ :
খাগড়াছড়িতে এক সেনাসদস্য নিহত,
আহত ৭।
২২ জুলাই ১৯৮৬, দীঘিনালা :
সশস্ত্র হামলায় ২৪ বাঙালিখুন, ৩২
জনকে অপহরন.....
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×