বিবিসির 'প্রতিবেদন'টিতে বলা হয়-
‘বিশ্বকাপ ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে যেসব ভুল সিদ্ধান্ত ম্যাচটিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিয়ে গিয়েছে, সেগুলো ব্যাখ্যা করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষক বোরিয়া মুজমদার:
* ৩০ ওভারে যখন ভারত মাত্র ১২৬ রান তুলেছে এবং পডড়ে গেছে তিন তিনটি উইকেট ঠিক সেই সময় রুবেল হোসেনকে বল করতে না দেয়া ক্যাপ্টেনের সবচেয়ে বড় ভুল। খেলার মোড়টা সেখান থেকেই ঘুরতে শুরু করে।
*রোহিত শর্মাকে আউট না করার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল, যেটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গিয়েছে।
*মাশরাফি বিন মুর্তাজার উচিত ছিল সুরেশ রায়নার বিরুদ্ধে রুবেল হোসেনকে বল করানো। কারণ রায়না শর্ট বলে দুর্বল ছিল। সেই সময় মাশরাফির নিজের বল করা মোটেই উচিত হয়নি। সুরেশ রায়না এবং রোহিত শর্মার জুটিই পরে খেলা ঘুরিয়ে দেয়।
*রুবেল হোসেনের ফুল টস বলটিকে নো-বল ঘোষণা ছিল আম্পায়ারের মারাত্মক ভুল যার মূল্য দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
*৩০০ রানের একটা মনস্তাত্বিক প্রভাব রয়েছে। ভারত ৩০০ রান তোলার পর মানসিকভাবে বাংলাদেশ আর প্রতিযোগিতায় ছিল না।।
* মিস্ ফিল্ডিং, ক্যাচ ড্রপ, সার্কেলের মধ্যে চারজন রেখে বল করা, নো-বল দেয়া- এসব দেখে মনে হয়েছে অধিনায়ক একেবারেই অপেশাদারী মনোভাব দেখিয়েছেন।’
বলুন তো, বিবিসি কতো টাকার বিনিময়ে এ রকম প্রতিবেদন প্রচার করছে? টাকা কোত্থেকে পেয়েছে? কেউ কেউ এমনটা বলবেন, এ ধরনের 'প্রতিবেদনের' ক্ষেত্র আইসিসি আগেই পরিকল্পনা করে রেখেছিল? কেউ ভুলে যায়নি, বিবিসি'র মালিক সাদা চামড়ার কয়েকজন। 'প্রভু'র স্বার্থের দিকে তাকিয়েই প্রতিষ্ঠানটি তাই 'প্রতিবেদন' প্রচার করবে!
দুই বাংলায় পাঠকনন্দিত কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় আজ আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে 'এগারো বাঙালির টিম বাংলাদেশ গর্বিত করেছে' শিরোনামে প্রচারিত এক লেখায় বলেছেন, 'আমার বিশ্বাস, ভারতে ক্রিকেট খেলোয়াড়রা যত টাকা রোজগার করে, অন্য দেশের খেলোয়াড়রা ততটা পারে না।' বিশ্ববাসীর বিশ্বাস, ভারতীয় কোনো ক্রিকেট তারকার সমান না হলেও একরাতেই দুই 'আম্পায়ার' মোটা অংকের টাকা কামিয়েছেন। এর বিনিময়ে তারা ভারতকে জিতিয়ে দিয়েছেন।
কবি শামসুর রাহমানের বাক্য ধার করে কথিত দুই আম্পায়ারের বিরুদ্ধে এবার বলতেই হবে-
'আমাদের বুকের ভেতর যারা ভয়ানক কৃষ্ণপক্ষ দিয়েছিলো সেঁটে
...আমি অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক পশু
সেই সব পশুদের।
...প্রত্যহ দিনের শেষে ওরা
হাঁটু মুড়ে এক টুকরো শুকনো রুটি চাইবে ব্যাকুল
কিন্তু রুটি প্রসারিত থাবা থেকে রইবে
দশ হাত দূরে সর্বদাই।
অভিশাপ দিচ্ছি
...আকণ্ঠ বিষ্ঠায় ডুবে ওরা অধীর চাইবে ত্রাণ
...স্নেহের কাঙ্গাল হয়ে ওরা
ঘুরবে ক্ষ্যাপার মতো এ পাড়া ওপাড়া,
...অভিশাপ দিচ্ছি এতোটুকু আশ্রয়ের জন্য, বিশ্রামের
কাছে আত্মসমর্পণের জন্যে
দ্বারে দ্বারে ঘুরবে ওরা...।'
হা.শা.
দৈনিক যায়যায়দিন
ভালোবাসা সড়ক,
তেজগাঁও, ঢাকা।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





