পিতা পুত্র তিনজন, প্রায় প্রতি সকালে পার্কে দেখা মেলে ... বড়জন লাফিয়ে এগিয়ে চলে, ছোট্টটি বাবার আংগুল অথবা বাবা হাত আঁকড়ে ধরে ... হাঠতে থাকে , .. দু তিন চক্কর দিয়েই অপেক্ষমাণ গাড়ীতে চড়ে ফিরে যায়। মাঝেমধ্যে পিতা পুত্রের মৃদুস্বরের কথাবার্তা শুনতে পাই। বাবা ছোট ছোট করে বলতে থাকে জান্নাতের বর্ণিল অনন্ত জীবনের কথা, শিশু পুত্রটি ঘাড় গুঁজে শুনতে থাকে, হু হ্যা করে .. টুকটাক প্রশ্ন করে। আজকাল সন্তানেরা বাবার কাছে কৌতুহল না দেখিয়ে গুগুল-কে বলে। বরং পিতা হয়ত জিজ্ঞেস করে মোবাইল ফোনের নতুন ফরমেট নিয়ে, কখনও কখনও নতুন শুনা ইংরেজী শব্দের ভাবার্থ বুঝতে। সে যাই হোক সকালে হাঁটার মত একটি ভাল অভ্যাস এই পিতা পুত্রদের মধ্য তৈরী করছে ......
গতরাতে মূলধারায় দৈনিক পত্রিকার উঠতি একজন সাংবাদিক জানতে চাচ্ছিলেন .... মুক্তিযুদ্বের পঞ্চাশ বছরের অর্থনৈতিক অর্জন কি —- পয়েন্ট ব্লাংক জবাব চাইলো ... আমার মনে হয়স, “ ব্যক্তি মানুষের বিকাশ “ এটাই বোধহয সুবর্ণ জয়ন্তীর সবচাইতে বড় পাওয়া ।
নয়া উপনিবেশবাদ আমাদেরকে বামন বানিয়ে রাখতে চেয়েছিল ...... এক বজ্রকন্ঠ .... ভেংগে দিয়ে বের করে নিয়ে এসেছে বাংগালিকে .... মানুষ করে।




অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


