somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: সব কিছু ভেঙে পড়ে

০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


"তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও - আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের..."

জীবনানন্দ দাশ ''রূপসী বাংলা'র কবিতাগুলো বরিশালে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে বসে লিখেছিলেন। জীবনানন্দের মেয়ে মঞ্জুশ্রী দাশ লিখেছেন "...আমাদের বাড়িতে ছিল অনেক গাছগাছালি, একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ, অনেক পাখি। কৃষ্ণচূড়া গাছের কাছে নির্জন খড়ের ঘরে বসে বাবা লিখতেন, পড়তেন। চারদিকে কাঁঠাল হিজল অশ্বত্থ গরমে চুপ করে থাকত। কাছেই ছিল কলমীর গন্ধে ভরা জল। দোয়েল পাখি। সজনে ফুল। ...এইসব বাবার খুব প্রিয় ছিল।"

দেশভাগের পরে কলকাতায় ল্যান্সডাউন রোডের বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে কবি লেখেন, "একটি মোটরকার গাড়লের মতো গেল কেশে/ অস্থির পেট্রল ঝেড়ে; সতত সতর্ক থেকে তবু/ কেউ যেন ভয়াবহভাবে প’ড়ে গেছে জলে।"

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এখন যখন ধর্মীয় মেরুকরণ, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও ভয়কে উসকে দিয়ে আরএসএস-ঘনিষ্ঠ উগ্র ডানপন্থি শক্তি বিজেপি জিতে গেল, তখন মনে হচ্ছে "কেউ যেন ভয়াবহভাবে প’ড়ে গেছে জলে।" যে বাঙালী মনীষা বাঙলা ভাষাভাষি গোষ্ঠির জীবনচর্চা, সংস্কৃতি ও সামষ্ঠিক স্মৃতিতে এতদিন প্রভাব বিস্তার করে রেখেছিল এবং অন্ধকারে পথ দেখিয়েছিল, সেটি নিবে গেল। "আলোকের এই ধর্নাধারা" বহুদিন আলো ও জল সিঞ্চন করে অবশেষে বন্ধ হয়ে গেল। রামমোহন, বিদ্যাসাগর এবং রবীন্দ্রনাথের যে আদর্শ তারই পরাজয় হল পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে।

গত শতকের ষাট-সত্তরের দশকে প্রগতিশীল রাজনীতিতে যুক্ত থাকা পশ্চিমবঙ্গের একজন লেখক লিখেছিলেন, তাঁর সময়ের বাঙলার শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা ছাড়াও সমসাময়িক বহু ছাত্র-শিক্ষক জীবনভর অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল রাজনীতি বেছে নিয়েছিলেন।

সেই লেখকদের বই পড়েই বাংলাদেশে আমাদের বেড়ে ওঠা। সেই লেখক শিল্পীদের অনেকেই ছিলেন পূর্ববঙ্গের মানুষ। দেশভাগের পরে পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। এই তালিকায় আছেন জীবনানন্দ দাশ, বুদ্ধদেব বসু, প্রতিভা বসু, ঋত্বিক ঘটক, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের মত আরও অনেকে।

বুদ্ধদেব বসুর "পুরনো পল্টন" প্রবন্ধটি স্কুলে নবম দশম শ্রেণিতে আমাদের পাঠ্য ছিল। বুদ্ধদেবের জন্ম কুমিল্লায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের কৃতি ছাত্র হিসেবে তিনি যে রেকর্ড নম্বর পেয়েছিলেন, তা বহুকাল অটুট ছিল। বুদ্ধদেব বসুর গল্প উপন্যাসগুলো ছাড়াও তার অনুবাদে পড়েছিলাম ফরাসী কবি বোদলেয়ার আর জার্মান কবি রিলকের কবিতা। তার অনূদিত বোদলেয়ারের কবিতা "অচেনা মানুষ" খুব জনপ্রিয় ছিল: "বলো আমাকে রহস্যময় মানুষ, কাকে তুমি সবচেয়ে ভালবাসো?"

বুদ্ধদেব বসুর পুরনো পল্টনে থাকার সময়ই লাবণ্যবালা গুপ্ত নামে একজন তরুনী ঢাকার ইডেন কলেজে আই.এ. ক্লাসে পড়তেন। লাবণ্যবালা ছোট বয়সে বাবা-মা হারান, তারপর ঢাকায় জ্যাঠামশাইয়ের বাড়িতে মানুষ হন। বাড়ি থেকে কলেজে যাবার পথ দীর্ঘ, তাই অধিকাংশ সময় তিনি ছাত্রীনিবাসে থাকতেন। জরুরি কাজে সেদিন বড়িতে তাঁর ডাক পড়ে। পরবর্তী জীবনে তিনি লিখেছিলেন "হোস্টেল থেকে বাড়িতে আসতে এক মাঠ কাদা ভাঙতে হয়। পরনে নকশাপাড় তাঁতের সাধারণ শাড়ি। আসতেই জ্যাঠামশাই বললেন, বাড়িতে অতিথি এসেছেন চা জলখাবার এনে দাও।"

কাদামাখা শাড়ি পরেই তিনি লুচি-মিষ্টি-চা নিয়ে বাইরের ঘরে এলেন। সেখানে অতিসাধারণ ধুতিপাঞ্জাবি পরা নতমুখী একটা আটাশ-উনত্রিশ বছরের যুবকের সাথে তাঁর পরিচয় হল। সেদিনই দুপুরে লাবণ্যকে জ্যাঠামশাই বললেন, যে ছেলেটি এসেছিলেন যাবার সময় তিনি তাকে মনোনীত করে গেছেন। আটাশ-উনত্রিশ বছরের সেই যুবকটি জীবনানন্দ দাশ, তখন তিনি দিল্লির একটি কলেজের অধ্যাপক। কবি দম্পতি বরিশালে সংসার জীবন শুরু করেন। বিয়ের পরে জীবনানন্দ আর দিল্লি ফিরে যাননি। জীবনানন্দের বরযাত্রী হিসবে বুদ্ধদেব বসু তাদের বিয়েতে গিয়েছিলেন।

বুদ্ধদেব বসুর স্ত্রী প্রতিভা বসুও এখন যেটা পুরান ঢাকা সেখানেই বড় হয়েছেন। তিনি ছিলেন বিখ্যাত সংগীতশিল্পী। তাঁকে গান শিখিয়েছেন স্বয়ং কাজী নজরুল ইসলাম। প্রতিভা বসুর বাড়ির একজন বয়স্কা মাসি প্রথম দিন নজরুলকে দেখে বলেছিলেন, ওমা, এ তো একেবারে কৃষ্ণের মতো চেহারা! এই ঘটনার পরেই নাকি নজরুল কীর্তন ও ভজন গান লেখার বিষয়ে আগ্রহী হন।

প্রতিভা বসুর বাড়িতে যাওয়ার সময় একবার নজরুল "মব" দ্বারা আক্রান্ত হন। তার অপরাধ, মুসলিম হয়ে তিনি হিন্দুর বাড়ি যাতায়াত করেন এবং হিন্দু মেয়েকে গান শেখান। সেদিন নাকি নজরুল মবকে ভালোই পিটিয়েছিলেন!

প্রতিভা বসু থেকে শংকর, সুনীল, শীর্ষেন্দু, সমরেশ মজুমদার, বুদ্ধদেব গুহ - আমাদের ছাত্রজীবনে সকলে প্রবলভাবে উপস্থিত ছিলেন। সুনীলের জন্ম ফরিদপুরে, তার পিতা ছিলেন স্কুল শিক্ষক। তাঁর লেখা গল্প-উপন্যাসে বহুবার এসেছে বাংলাদেশের কথা। পূর্ব-পশ্চিম উপন্যাসে দেশভাগের সময় থেকে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা তিনি বিষদভাবে লিখেছেন।

শীর্ষেন্দুর জন্ম ময়মনসিংহে। তাঁর লেখা "দূরবীন" উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র কৃষ্ণকান্ত ছিলেন পূর্ববঙ্গের মানুষ। পুত্রবধূ রেমি যখন প্রসবকালীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এবং তাঁর রক্তের প্রয়োজন হয়, তখন কৃষ্ণকান্ত নিয়ম করে দেন যে, কেবল পূর্ববঙ্গের মানুষই রেমিকে রক্ত দিতে পারবে। কৃষ্ণকান্তের ধারণা ছিল, পূর্ববঙ্গের মানুষ খোলা আলো-বাতাসে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিশুদ্ধ খাবার খেয়ে শারীরিকভাবে বেশি শক্তপোক্ত, অতএব তারাই কেবল রক্ত দেওয়ার জন্য উপযুক্ত। রেমি নিজেও যদিও পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে, এই নিয়মের কারণে তাঁর ছোট ভাই তাঁকে রক্ত দিতে পারেন নি।

সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রগুলো, "পথের পাঁচালী" থেকে "আগন্তুক" - আমাদের মনে উজ্জ্বল হয়ে আছে। "আগন্তুক" সিনেমায় উৎপল দত্তের যে চরিত্রটি, মনমোহন মিত্র, তিনি পঁয়ত্রিশ বছর আগে ঘর ছেড়েছিলেন। তারপর বহু দেশ ঘুরে কলকাতায় ভাগনির বাড়িতে বেড়াতে আসেন। তিনি যখন নীলিমা ও তাঁর স্বামী সুধীনের বাড়িতে অতিথি, তখন সুধীনের বন্ধু রঞ্জন ও তাঁর স্ত্রী মনমোহনকে দেখতে আসেন।

রঞ্জন পরিচয় দেওয়ার সময় বলেন, তাঁর পরিচয়ের বাঙালির মধ্যে শেষের "ই" নেই। মনমোহন জানান, তাঁরও নেই। পাঁচজনের এই দলে কারও পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর, কারও নেত্রকোনা, কারও যশোর। শুধু সুধীনের বাড়ি ছিল বর্ধমান। রঞ্জন তাঁকে টিপ্পনি কেটে বলেন "ঘটি"। বাস্তবের উৎপল দত্তের পৈতৃক নিবাসও বরিশাল।

সত্যজিৎ রায়ের "অপুর সংসারে" একেবারে অকস্মাৎ ঘটে যাওয়া বিয়েতে ফুলসজ্জার রাতে অপু নবপরিনীতা বধূকে তার পরিচয় জানিয়ে বলেন, সে পিতৃমাতৃহীন একাকী এবং ভীষণ দরিদ্র বেকার ছেলে। তখন ব্যাকগ্রাউন্ডে ভাটিয়ালি একটা গান বাজে। গানের কথাগুলো অনেকটা এমন: নদীর কূল নাই...ও বন্ধুরে / আগে যদি জানতাম রে বন্ধু/ যাবে রে ছাড়িয়া/ আমি রাখিতাম বান্ধিয়া রে বন্ধু/ ....তোমারও কারনে আমি ছাড়লাম দেশের মায়া রে...। বিভূতিভুষণের "অপরাজিত" এর কাহিনী থেকে আমরা জানি অপুর শ্বশুরবাড়ি খুলনা জেলার স্বরূপকাটি গ্রাম। সেই গ্রামের পাশেই নদী; নদীর ঘাটেই অপর্নাদের বাড়ি।

দেশভাগের যে বেদনা সেটা বোধহয় ঋত্বিক ঘটকের মত আর কারো লেখায় বা চলচ্চিত্রে এত প্রবল ভাবে ফুটে ওঠেনি। তার "মেঘে ঢাকা তারা", "কোমল গান্ধার", "সুবর্ণরেখা" থেকে একেবারে শেষের দিকে "যুক্তি তক্কো আর গপ্পো" সিনেমায় দেশভাগের যে বিচ্ছেদ ও বেদনা, রাজনীতির তীব্র সংঘাতে মিশে গেছে সেটা এক গভীর আত্নঅনুসন্ধানের বিষয়।

রাজনীতির আলোচনা করতে গিয়ে দেশভাগ, ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক স্মৃতির দিকে বিষয়টি চলে যাওয়ার কারণটি স্পষ্ট করা জরুরি। দেশভাগ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে আমাদের সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্ব রয়েছে। এখন ধর্মীয় পরিচয়কে সংস্কৃতির বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠার রাজনীতি ভারত ও বাংলাদেশ - দুই দেশেই চলছে। বাঙালি মুসলিম সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে মুসলিম জাতীয়তাবাদ দিয়ে প্রতিস্থাপনের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু সমাজের সেক্ষেত্রে কী হবে?

বাংলাদেশের যে বৃহৎ হিন্দু সমাজ, তাদের জন্য এই অংশীদারিত্ব শুধু সাংস্কৃতিক নয়, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উভয়েই। আমার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক মূলত পশ্চিমবঙ্গকেন্দ্রিক বাংলা সংস্কৃতির মাধ্যমে; কিন্তু আমাদের কোনো হিন্দু বন্ধু, সে শুধু ধর্মীয় কারণেই পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো ভারতের সাথেই সম্পর্কিত। এটাই বাস্তব।

বাংলাদেশে যখন মুসলিম জাতীয়তাবাদী পরিচয়ের রাজনীতি প্রবল হয়, তখন একই সাথে হিন্দুত্ববাদী পরিচয়ের রাজনীতিও শক্তিশালী হয়। বাংলাদেশে যদি সরাসরি হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির উপস্থিত নাও থাকে, তখন এই রাজনৈতিক মতাদর্শ বাইরে থেকে গ্রহণ করা হতে পারে। বাংলাদেশে ইসলামপন্থী রাজনীতি বাড়লে, তা কোনো না কোনোভাবে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকেও সক্রিয় করে।

এবার বিজেপির প্রচারণায় পুরোনো কুটকৌশলগুলোরই পুনরাবৃত্তি দেখেছি। বাংলাদেশ নাকি পশ্চিমবঙ্গ জয় করে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। একদিন হিন্দু গৃহস্থ তার দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুলে দেখবেন একজন মুসলিম লোক বলছে, বাড়ি ছাড়ুন, এটা আমাদের বাড়ি। বিজেপির প্রচারণায় এই গল্পটি ইসরায়েলের পশ্চিমতীরের কোনো বাড়ি ও জমি দখলের কাহিনি থেকে ধার করা বলে মনে হয়।

শীতল যুদ্ধের পর উদারপন্থী ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মধ্যে এক ধরনের জোট গড়ে উঠেছিল, যারা সোভিয়েত প্রভাববলয় থেকে বেরিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করতে চেয়েছিল। উদারপন্থীরা চেয়েছিল উন্মুক্ত সীমান্ত, নাগরিক অধিকার ও বহুত্ববাদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা। অন্যদিকে জাতীয়তাবাদীরা চেয়েছিল রক্ষণশীল, ধর্মভিত্তিক, পরিবারকেন্দ্রিক এবং কমিউনিজমবিরোধী রাষ্ট্র।

এই দুই প্রবণতার টানাপোড়েন শেষ পর্যন্ত আধুনিক অনুদার রাজনীতির ভিত্তি তৈরি করে। ভারতের ক্ষেত্রেও এই বিভাজন স্পষ্ট। নেহেরু ও ইন্দিরা গান্ধীর বা কংগ্রেসের রাজনীতিতে যে উদারপন্থী-ধর্মনিরপেক্ষতা দেখা যায়, তার বিপরীতে বিজেপির রাজনীতিতে জাতীয়তাবাদী ও পরিচয়ভিত্তিক ধারা প্রবল।

অন্য ডানপন্থী শক্তিগুলোর মতোই বিজেপির রাজনীতির একটি বৈশিষ্ট্য হল, তারা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে তাদের রাজনৈতিক বয়ানে যুক্ত করতে পেরেছে। উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, শহরের আধুনিকীকরণ - এসব তারা রাজনৈতিক বৈধতার অংশ হিসেবে ব্যবহার করেছে। ফলে অনেকের কাছে এই রাজনীতি কেবল হিন্দু পরিচয়ের রাজনীতি নয়, বরং উন্নত জীবনযাপন এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে সক্ষম আধুনিক হিন্দু পরিচয়ের রাজনীতি।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বড় কোনো পরিবর্তন না এলেও দেশটি এখন উদার গণতন্ত্র থেকে ক্রমশ অনুদার গণতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল। গণতান্ত্রিক কাঠামো বজায় রেখেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ও অর্থনীতিতে বিজেপির রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী হল, যার ভিত্তি উগ্রতা, যার আরেক নাম ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ।

(বিঃদ্রঃ - "সব কিছু ভেঙে পড়ে" হুমায়ুন আজাদের একটি উপন্যাসের নাম, যেটা আবার চিনুয়া আচেবের উপন্যাস "থিংস ফল অ্যাপার্ট" এর নাম থেকে নেওয়া।)
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০২৬ ভোর ৪:০৬
৯টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের "ইসলামী" বই - নমুনা ! আলেমদের দায়িত্ব

লিখেছেন ঢাকার লোক, ১০ ই মে, ২০২৬ সকাল ৮:৪৭

আমাদের দেশের বিখ্যাত চরমোনাইয়ের প্রাক্তন পীর সাহেব, মাওলানা ইসহাক, যিনি বর্তমান পীর রেজাউল করিম সাহেবের দাদা, এর লেখা একটা বই , "ভেদে মারেফাত বা ইয়াদে খোদা"। এ বইটার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম কর্ম

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩



আপনার দিনের পর দিন ধর্মীয় লেখা পোস্ট করার কারণে -
হয়তো, আপনার কম্পিউটারটি স্বর্গে যেতে পারে।
কিন্তু, আপনার নিজে স্বর্গে যেতে হলে -
আপনার নিজের ধর্ম কর্ম করতে হবে।


ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ



...বাকিটুকু পড়ুন

আমার মা আমার পৃথিবী

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৬

" আমার মা,আমার পৃথিবী "

মাঝেমধ্যে হঠাৎ করেই মাগো তুমি আমার স্বপ্নে এসে আমার হ্রদয় ছুঁয়ে যাও। সেদিন সারাটাক্ষন আমি আমার মায়ের মাঝে ডুবে থাকি। কোনো কাজে মন বসাতে পারিনা।
কিশের এতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিমস যুদ্ধ: রাজনীতিতে হাসি-ঠাট্টার কৌশল”

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

সাম্প্রতিক সময়ের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডগুলো বেশ মজার। ট্রল আর মিমসের দুনিয়ায় প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে যা আমাদের বিনোদনের খোরাক জোগায়। ওপরের তালিকার সাথে আরও কিছু চলমান মিমস... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমার কোন এক মুহূর্তের শব্দ শুনি

লিখেছেন সামরিন হক, ১০ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩১


ছবি- নিজস্ব সংগ্রহ


কেঊ এসে মেরে রেখে যাক তা চাই নি কখনো ।
তবুও সে আসে,মেরে ফেলে চলে যায়।
তখন খুব জোড় করে বেঁচে থাকি,
বলতে পারো জোড় করে বাঁচিয়ে রাখি নিজেকে।

জীবন কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×