এই যেমন আমি এখন লিখতে বসছি। সর্বশেষ লিখেছি ২০২১ সালে জুলাই এর দিকে। লিখতে গিয়ে আকাশে বাতাসে তাকাচ্ছি, শব্দ, বিষয় খুজছি। কিন্তু পাচ্ছি না। পাচ্ছি যে না , সেইটাই লিখছি। কারন আমার এখন লেখার দরকার। তারপরও কোন বিষয় পাচ্ছি না লেখার। কি বোর্ডে আঙ্গুল রেখে মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছি।
দুনিয়াতে এতো এতো বিষয় , কিন্তু আমি পাচ্ছি না কিছুই। নিজেকে প্রেশার দিচ্ছি। লিখতে হবে, লিখতে হবে।
যাইহোক, কি আর লিখবো?
মনটা বিক্ষিপ্ত, নানা কারনে।
এইখানে লেখার সুবিধা হলো, অনেক কিছু লেখা যায়, কে কি ভাবলো ,সেটা না ভেবেই।
গালে হাত দিয়ে ভাবছি কি লেখা যায়। বিরক্ত হচ্ছি নিজের উপর।
কিছুক্ষন আগে চোখে ময়লা আছে কিনা চেক করলাম। ময়লা নাই।
রবীন্দ্রনাথের মতো রাইটিং ব্লক হলো নাকি।
হাহা, একেবারে রবীন্দ্রনাথের সাথে তুলনা করতে হলো। মাঝখানে আর কাউকে পেলাম না!
ঠোটে ঠোট চেপে ধরে ভাবছি। চাপার প্রেসারে যদি কিছু লেখা যায়।
চুল বড় হওয়ার ফলে এই হইছে বিপদ, খালি চুল্কায় মাথার ভেতর।
চুল বেশি হওয়ার ফলেও ভাবনা বাইর হতে পারছে না বোধহয়।
চুল দাড়ি বড় হইছে, কাটতে হবে। কাটি কাটি করেও কাটছি না। খারাপ দেখা যায়, গাঞ্জাখোরদের মতো।
তবে অল্প পরিমান গাঞ্জা ভালো জিনিস। ক্ষুধা বাড়ায়, ঘুম বাড়ায়, টেনশন কমায়। কয়েকবার খাইছি।
বেশি আবার ভালো না।
রুমি বলেছেন, অতিরিক্ত সব কিছুই বিষ।
রুমি কিন্তু জিনিয়াস আছে ভাই।
যাইহোক মন শান্ত হচ্ছে আমার।
নানা কারনে মন অশান্ত হয়। সংসার, বিজনেস, স্বপ্ন দেখা বা ভেঙ্গে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি।
লিখলে ভালো লাগে।
ভালো লাগছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


