সাতান্নতে পা । আম্মা জানতে পারলে এক কথায় এই হিসেব বাতিল করে দিতেন — যদি তা কাজিনদের জমায়েতে হতো তাহলেতো স্বাক্ষী প্রমান সব হাজির করে বুঝিয়ে দিতেন আমি ওদের কত ছোট কিন্তু সেই দলে মাথায় উঁচু, চটপটে, পড়াশুনায় অগ্রসর ছিলাম — আর বন্ধুদের মহলে হলে আরেক কাঠি এগিয়ে বলতেন .. আমরা গরীব ॥ কৈশোরে তারুণ্যে কতদিন এ রকম লজ্জায় পডেছি - বুঝতে পারতাম না, এমন কেন বলেন .. বাবা ছিলেন জেলা পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তা - মোটামুটি ভদ্রস্ত জীবন — দু একবার মায়ের সাথে এ নিয়ে রাগ দেখাতে গেছি ... দ্বিগুণ ধমক খেয়ে ফেরত এসেছি ।
আজ বুঝতে পারছি বিনয়ী হওয়া, মাটির কাছে অবনত থাকার মহার্ঘ্য শিক্ষাটি, আম্মা সেই ছোট বেলায় বুনে দিয়েছেন।
বাবা ছিলেন অগতির গতি .. কিঞ্চিত আশকারাই দিতেন — মায়ের কড়া হিসাবের সংসারে দু চারটি নগদ টাকার গোপন উৎস ছিলেন আমার জন্য, আরো আরো কিছু তবে সতর্ক নীরবতায় । পড়াশুনায় খুব উৎসাহ দিতেন ...বদলীর চাকরী - তারপরও সব সুবিধা বের করে আনতেন ... আমাকে কৃষিবিজ্ঞান পড়ানোর ভাবনা ছিল তাই স্কুলে নতুন বিভাগ খোলার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ।
হেটে ফিরতেই পেলাম রুমার বাগানের ফুল ... কারো যেন নজর না লাগে ।
দিনটি সবার ভাল হোক ।





অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


